খুঁজুন
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফলের দাম

ফলের দাম ২০২৫-দেশি ও বিদেশি সব ফলের দাম কত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
ফলের দাম ২০২৫-দেশি ও বিদেশি সব ফলের দাম কত

আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা ২০২৫ সালের নতুন অবস্থায় সকল ফলের দাম প্রকাশ করছে। নতুন ফলের সংগ্রহ কতটুকু কোন মাসে সেটাও আমরা জানিয়ে দিবো। ২০২৫ সালের জানুয়ারী মাসে ফলের দাম একটু কম থাকায় ক্রেতারা মোটামুটি কিনে নিয়েছে। যদিও ফল বেশিদিন ধরে রাখা যায়না, তবুও সপ্তাহ খানেক এর জন্য ফল ফ্রিজে রেখে দেয়। এবং প্রয়োজনের সময় মানুষ সেই ফল খায়।

ফলের দাম বাড়ানো বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে আমদানিকারকরা জানান, ডলারের বাড়তি দাম ও শুল্ক বাড়ায় আমদানি কমার কারণে বাজারে ফলের দাম ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।  তবে বর্তমানে সব ফলের শুল্ক বাড়ানো হয়নি বলেও জানান তিনি। দুই থেকে তিনটি ফলের শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। গড়ে সব ফলের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। ব্যবসায়ীদের ভিযোগ, বাজারে তৃতীয় পক্ষ ফলসহ অন্যান্য পণ্য মজুত করে দাম নিয়ন্ত্রণ করছে ও দাম বাড়ানো হচ্ছে । তাছাড়া খুচরা বিক্রেতারা কেনা দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন। বিদেশি ফলের দাম বৃদ্ধির জন্য আমদানি শুল্ককে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। 

ফলের দাম ২০২৫-দেশি ও বিদেশি সব ফলের দাম কত আপেল, কমলা,খেজুর, মাল্টা, আঙুরের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত। আমদানি ফলের মধ্যে কমলা, মাল্টা, আঙুর ও আপেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিদেশি ফলের বাজার একটু বেশি হওয়াতে সাধারণ মানুষ দেশি ফলের দিকে বেশি ঝুঁকেছেন।  তবে আনারস, আপেল, কমলা, খেজুর, পেপে, পেয়ারা ইত্যাদির দাম কেজি প্রতি ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও পুর্ব থেকেই  রোজায় চাহিদায়  পণ্যের দাম অনেকটাই বেড়েছে। বিশেষ করে খেজুরের দাম ছুটেছে হাতের ছোয়ার বাইরে। পুর্রেব সব রেকর্ড ভেঙে গত ২০ দিনের ব্যবধানে মেডজুল, জিহাদি, তিনেশিয়া, সুফ্রিসহ ছয় পদের খেজুর কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দাম বেড়েছে। বেড়েছে আপলে, কমলা, মাল্টার দাম। গত এক মাসের ব্যবধানে এসব আমদানি করা ফলের দাম কেজিতে ৭০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া কলার হালিও ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

রমজান মাসে সরকারের সহায়তায় খেজুরসহ প্রায় ২৯ টি পণ্যের দাম কমে দিলেও বাজারে কিনতে গেলে চরা দাম নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তারা জানান মাঠ পর্যায়ে ফল খুবই কম। এর মধ্যে খেজুর ফল নিম্নমানেরটা ১৫০-১৮০ টাকা ও ভালোটা ১৮০-২৫০ টাকা পর্যন্ত করেছে।

বিশেষ করে আগে প্রতিকেজি আপেল, কমলা ও মাল্টায় ৬২ টাকা শুল্ক নিতো। এখন শুল্ক আদায় করছে ৮৮ টাকা। একইভাবে ৯৮ টাকার আঙুরে শুল্কহার ১১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে বিদেশি ফলের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কহার ছিল ৩ শতাংশ, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ শতাংশে।

ফলের দাম ২০২৪ এ আপনি পাবেন ১০ টি প্রয়োজনীয় ফলের দাম। নিম্নে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

সরেজমিন রাজধানীসহ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সাউথ আফ্রিকার গালা আপেল বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি। বেড়েছে প্রায় ১০০ টাকা।

  • চিনা ফুজি আপেল বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। আগে ছিল ২২০ থেকে ২৪০ টাকা। বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
  • মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৮০ কেজি, যা ছিল ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। বেড়েছে ১০০ টাকা।
  • কমলা মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, যা ছিল ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। বেড়েছে ৫০ টাকা।
  • নাশপাতি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা ছিল। এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি। বেড়েছে ৪০ টাকার বেশি।
  • মানভেদে সাদা আঙুর বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি, যা ছিল ২১০-২২০ টাকার মধ্যে। বেড়েছে ৬০ টাকা।
  • মানভেদে কালো আঙুরের দাম ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি। এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায়। বেড়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
  • ছোট ও মাঝারি আনার কেজিতে প্রায় ৮০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা।
  • এছাড়া দেশি ফলের মধ্যে  আনারস বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকায়,বর্তমানে সেটি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
  • বড় বেল (বেলি বেল) ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে এটির দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা।  অন্য ধরনের বেল যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৭০ টাকা, সেটি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
  • মাসখানেক আগের ১২০ টাকার জাম্বুরা আজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।
  • স্ট্রবেরি দাম কম থাকলেও বিক্রি হয়েছে ৩৬০ টাকা কেজি। আজ দাড়িয়েছে ৪০০ থেকে কেজিতে খোলা স্ট্রবেরি বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেট করা স্ট্রবেরি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
  • এত সপ্তাহ আগে পাকা পেঁপের দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, আজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়।
  • পেয়ারার দাম ছিল ৫০ টাকা, এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়।
  • তরমুজ গত সপ্তাহে কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ৮০ টাকা।
  • এছাড়া সফেদা ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫০ টাকায়
  • সবরি কলার ডজন ৮০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
  • এছাড়া সাগর কলা, চম্পা কলার দাম ডজনে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। দেশি কলা সপ্তাহখানেক আগেও একহালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ বা ৪০ টাকা। এখন এক হালি দেশি কলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা

আরো পড়ুন:  সরকার কর্তৃক পণ্যের দাম

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়টি এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অফিসের ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী আর বাইরে দাপুটে দালালচক্রের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফিটনেস—প্রতিটি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি’র বাইরে গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিআরটিএ-তে ঘুষ ছাড়া সেবা মেলা ভার। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও এখানে তার উল্টো চিত্র। নিয়ম অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার এবং পেশাদারদের জন্য ১২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে এই সিন্ডিকেটকে। সবচেয়ে ভীতিজাগানিয়া তথ্য হলো, এই টাকা দিলে কোনো ধরনের লিখিত বা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই মিলছে লাইসেন্স। অথচ বৈধভাবে আবেদন করে বছরের পর বছর পরীক্ষা দিয়েও অনেকে লাইসেন্স পাচ্ছেন না। এর ফলে সড়কে অদক্ষ চালকের সংখ্যা বাড়ছে, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

অভিযোগের আঙুল চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. সানাউল হকের দিকে। এর আগে সিলেট ও মিরপুর কার্যালয়ে থাকাকালীনও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। সিলেটে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে তাকে প্রত্যাহার করা হলেও চট্টগ্রামে এসে তিনি আরও শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।

এই চক্রের মাঠ পর্যায়ের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন:

সিল কন্ডাক্টর , জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহ, অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম, জুয়েল, সোহেল, পঙ্কজ, সেলিম, মহিউদ্দিন এবং নৈশপ্রহরী লিটন।

বিশেষ করে নৈশপ্রহরীকে এই দালাল চক্রের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় তার দাপট সবচেয়ে বেশি।

 

রাহাত্তারপুল এলাকার লেগুনা চালক রশিদুল, পতেঙ্গা এলাকার সিএনজি চালক সোহাগ মিয়াসহ একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ সারতে পারছেন না। অথচ তাদের চোখের সামনেই দালালদের মাধ্যমে আসা ব্যক্তিরা ঘুষ দিয়ে দ্রুত কাজ সেরে নিচ্ছেন। চোরাই গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, মোটরসাইকেল পরিদর্শন না করেই রেজিস্ট্রেশন এবং গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।

 

ভুক্তভোগী ও পরিবহন সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএ-তে প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ঘুষের হার নির্ধারিত আছে:

রুট পারমিট ও ফিটনেস (বাস): ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, হিউম্যান হলার: ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা,ট্রাক/ড্রাম ট্রাক: ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা,অটোরিকশা: ৪০০ টাকা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স: অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা।

নম্বরপ্লেট: নির্ধারিত ফি’র বাইরেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিআরটিএকে দুর্নীতির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মাঝে মাঝে র‍্যাব বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালাল আটক হলেও মূল হোতারা সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। দালাল আটক করলেও বিআরটিএ কার্যালয়ের ভেতরের পরিস্থিতি বদলায়নি। কর্মকর্তাদের দাবি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে সেই তদন্তের সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

 

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্টো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক সানাউল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির গ্রাস থেকে মুক্ত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বর্তমান উপ-পরিচালক সানাউল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ইতিপূর্বে তিনি যখন বিআরটিএ সিলেট কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন, তখনও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ রয়েছে, সিলেটে থাকাকালীন তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০-১২ জনের একটি বিশাল দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন এবং কার্যালয়টিকে ঘুষ বাণিজ্যের ‘ঘাঁটিতে’ পরিণত করেছিলেন।

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সানাউল হকের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চলা এই লাগামহীন দুর্নীতি ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামে ‘সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে এবং দাললদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন সময়ে তাকে সিলেট থেকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রামে আসার পর তিনি পুনরায় তার অনুগত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

বর্তমানে নারী-পুরুষ উভয়ের কাছেই চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন এবং গুগলে “চুল পড়া বন্ধ করার উপায়”, “চুল গজানোর উপায়”, “চুল পড়ার কারণ” ইত্যাদি বিষয়ে সার্চ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৫০-১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি চুল পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সঠিক যত্ন, পুষ্টিকর খাবার ও কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই চুল পড়া কমানো সম্ভব।


চুল পড়ার প্রধান কারণ

চুল পড়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন:

১. পুষ্টির অভাব

শরীরে আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন D ও জিঙ্কের অভাব হলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে যায়।

২. অতিরিক্ত মানসিক চাপ

স্ট্রেস ও দুশ্চিন্তার কারণে হরমোনের পরিবর্তন হয়, যা চুল পড়া বাড়ায়।

৩. খুশকি ও স্ক্যাল্প ইনফেকশন

মাথার ত্বক অপরিষ্কার থাকলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়।

৪. অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার

হেয়ার কালার, জেল ও স্ট্রেইটনার বেশি ব্যবহার করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫. হরমোনজনিত সমস্যা

থাইরয়েড, PCOS বা হরমোন পরিবর্তনের কারণেও চুল পড়তে পারে।


চুল পড়া বন্ধ করার কার্যকর উপায়

১. নিয়মিত তেল ব্যবহার করুন

চুলের গোড়ায় নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়।

উপকারী তেল:

  • নারিকেল তেল
  • অলিভ অয়েল
  • ক্যাস্টর অয়েল
  • আমলকীর তেল
  • পেঁয়াজের তেল

সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন তেল ব্যবহার করা ভালো।


২. পেঁয়াজের রস ব্যবহার

পেঁয়াজের রসে সালফার থাকে যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

  • পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে রস বের করুন
  • চুলের গোড়ায় লাগান
  • ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন

সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


৩. প্রোটিনযুক্ত খাবার খান

চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই খাদ্য তালিকায় প্রোটিন রাখা জরুরি।

যেসব খাবার খাবেন:

  • ডিম
  • মাছ
  • দুধ
  • বাদাম
  • ডাল
  • সবুজ শাকসবজি

৪. ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন

অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার না করে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

টিপস:

  • প্রতিদিন শ্যাম্পু করবেন না
  • সপ্তাহে ২-৩ বার যথেষ্ট
  • গরম পানি ব্যবহার করবেন না

৫. খুশকি দূর করুন

খুশকি চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

ঘরোয়া সমাধান:

  • লেবুর রস
  • অ্যালোভেরা জেল
  • নিমপাতা

এসব ব্যবহারে মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকে।


দ্রুত চুল গজানোর উপায়

অ্যালোভেরা ব্যবহার

অ্যালোভেরা চুলের গোড়া শক্ত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

ডিমের হেয়ার মাস্ক

ডিমে প্রচুর প্রোটিন থাকে যা চুল মজবুত করে।

মেথি ব্যবহার

মেথি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে কার্যকর।


চুল পড়া বন্ধে ভিটামিন

চুল সুস্থ রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন প্রয়োজন।

ভিটামিন উপকারিতা
Vitamin D চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়
Biotin চুল মজবুত করে
Iron চুল পড়া কমায়
Zinc স্ক্যাল্প সুস্থ রাখে
Vitamin E চুল চকচকে করে

চুল পড়া বন্ধের ওষুধ

বর্তমানে বাজারে কিছু জনপ্রিয় হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট পাওয়া যায়।

জনপ্রিয় প্রোডাক্ট:

  • Minoxidil
  • Biotin Tablet
  • Hair Serum
  • Onion Shampoo

তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।


পুরুষদের চুল পড়ার কারণ

পুরুষদের ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণেও চুল পড়ে। একে Male Pattern Baldness বলা হয়।

সমাধান:

  • Minoxidil
  • Finasteride
  • Hair Therapy

নারীদের চুল পড়ার কারণ

নারীদের ক্ষেত্রে:

  • হরমোন পরিবর্তন
  • গর্ভাবস্থা
  • PCOS
  • আয়রনের অভাব

এসব কারণে চুল পড়তে পারে।


যেসব কাজ করলে চুল বেশি পড়ে

  • ভেজা চুল আঁচড়ানো
  • অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার
  • প্রতিদিন শ্যাম্পু করা
  • রাত জাগা
  • কম পানি পান করা

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের সমস্যা থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো উচিত:

  • অতিরিক্ত চুল পড়া
  • মাথায় টাক দেখা দেওয়া
  • চুলকানি বা ইনফেকশন
  • হঠাৎ চুল পাতলা হয়ে যাওয়া

উপসংহার

চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হলেও সঠিক যত্ন নিলে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নিয়মিত তেল ব্যবহার, স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ কমালে চুল অনেক বেশি সুস্থ থাকে।

তবে দীর্ঘদিন চুল পড়া চলতে থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন

গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম – কাজ, জেনেরিক ও দামসহ বিস্তারিত তালিকা ২০২৬

বর্তমানে বাংলাদেশে গ্যাস, এসিডিটি, বুক জ্বালাপোড়া ও বদহজমের সমস্যা অনেক মানুষের কাছেই সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনিয়মিত খাবার, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, কোমল পানীয় ও মানসিক চাপের কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ছে। তাই মানুষ গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করে “গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম”, “গ্যাসের ট্যাবলেট”, “এসিডিটির ওষুধ” ইত্যাদি।

বাংলাদেশে বিভিন্ন কোম্পানির অনেক কার্যকর গ্যাসের ওষুধ পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। নিচে জনপ্রিয় কিছু গ্যাসের ওষুধের নাম, জেনেরিক, কাজ ও দাম দেওয়া হলো।


গ্যাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওষুধের তালিকা

ওষুধের নাম জেনেরিক কোম্পানি কাজ আনুমানিক দাম
Seclo Omeprazole Square গ্যাস ও আলসার কমায় ৳ ৭
Sergel Esomeprazole Healthcare এসিডিটি কমায় ৳ ৮
Maxpro Esomeprazole Renata বুক জ্বালাপোড়া কমায় ৳ ৮
Pantonix Pantoprazole Incepta গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণ ৳ ৬
Losectil Omeprazole Eskayef আলসারের চিকিৎসা ৳ ৭
Finix Pantoprazole Opsonin অতিরিক্ত এসিড কমায় ৳ ৬
Exium Esomeprazole Square গ্যাস্ট্রিক ও GERD ৳ ৮
Rabe Rabeprazole Beximco দীর্ঘমেয়াদি এসিডিটি ৳ ৯
Antacid Plus Magnesium Hydroxide ACI তাৎক্ষণিক আরাম ৳ ২
Gelusil Antacid Pfizer বদহজম দূর করে ৳ ৩

Omeprazole জাতীয় গ্যাসের ওষুধ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধগুলোর মধ্যে Omeprazole অন্যতম। এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড কমাতে সাহায্য করে।

জনপ্রিয় ব্র্যান্ড:

  • Seclo
  • Losectil
  • Omez

কাজ

  • গ্যাস্ট্রিক কমায়
  • আলসারের সমস্যা দূর করে
  • বুক জ্বালাপোড়া কমায়
  • খাবার হজমে সহায়তা করে

খাওয়ার নিয়ম

সাধারণত সকালে খালি পেটে খেতে হয়।


Esomeprazole জাতীয় ওষুধ

বর্তমানে ডাক্তাররা Esomeprazole জাতীয় ওষুধ বেশি প্রেসক্রাইব করেন কারণ এটি দ্রুত কাজ করে।

জনপ্রিয় ব্র্যান্ড:

  • Sergel
  • Maxpro
  • Exium

সুবিধা

  • দ্রুত এসিড কমায়
  • GERD রোগে কার্যকর
  • দীর্ঘ সময় আরাম দেয়

দাম

প্রতি ক্যাপসুল প্রায় ৳ ৮-১০ টাকা।


Pantoprazole জাতীয় ওষুধ

যাদের দীর্ঘদিন গ্যাসের সমস্যা থাকে তাদের জন্য Pantoprazole ভালো কাজ করে।

জনপ্রিয় ব্র্যান্ড:

  • Pantonix
  • Finix
  • Pantonix DSR

কাজ

  • এসিড কমায়
  • পেট ফাঁপা কমায়
  • বুক জ্বালা কমায়

Antacid জাতীয় ওষুধ

তাৎক্ষণিক গ্যাসের সমস্যা দূর করতে Antacid জাতীয় ওষুধ জনপ্রিয়।

জনপ্রিয় নাম

  • Gelusil
  • Antacid Plus
  • Mylanta

সুবিধা

  • দ্রুত আরাম দেয়
  • পেটের জ্বালাপোড়া কমায়
  • বদহজম দূর করে

তবে দীর্ঘদিন খাওয়া ঠিক নয়।


গ্যাসের সিরাপের নাম

অনেকেই ট্যাবলেটের পরিবর্তে সিরাপ খেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

সিরাপ কাজ দাম
Antacid Suspension গ্যাস কমায় ৳ ৮০
Gelusil MPS পেট ফাঁপা দূর করে ৳ ১২০
Milk of Magnesia এসিডিটি কমায় ৳ ৯০

গ্যাস্ট্রিক হওয়ার কারণ

  • অতিরিক্ত ঝাল খাবার
  • দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা
  • কোমল পানীয়
  • ধূমপান
  • অতিরিক্ত চা-কফি
  • রাত জাগা
  • মানসিক চাপ

গ্যাস কমানোর ঘরোয়া উপায়

ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চললে গ্যাসের সমস্যা কমে যায়।

যা করবেন

  • বেশি পানি পান করুন
  • সময়মতো খাবার খান
  • কম তেলযুক্ত খাবার খান
  • ধূমপান বন্ধ করুন
  • বেশি রাত জাগবেন না

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

  • কোমল পানীয়
  • অতিরিক্ত ঝাল
  • ফাস্টফুড
  • অতিরিক্ত চা-কফি

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের সমস্যা থাকলে দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে:

  • বমির সাথে রক্ত আসা
  • অতিরিক্ত পেট ব্যথা
  • দীর্ঘদিন গ্যাস থাকা
  • খাবার গিলতে সমস্যা
  • হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া

উপসংহার

বাংলাদেশে বর্তমানে Seclo, Sergel, Maxpro, Pantonix ও Exium সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্যাসের ওষুধ। তবে সব ওষুধ সবার জন্য উপযুক্ত নয়। কারও ক্ষেত্রে Omeprazole ভালো কাজ করে আবার কারও ক্ষেত্রে Esomeprazole বেশি কার্যকর হয়।

তাই দীর্ঘদিন গ্যাসের সমস্যা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে নিজে অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

বি.দ্র. পোস্ট টি শুধুমাত্র সচেতনতার জন্য রোগ নির্নয়ের জন্য নয়। আপনার চিকিৎসা শুধুমাত্র রেজিস্ট্রার ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন করবেন।।

চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬ গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন বাংলাদেশে মোবাইলের দাম ২০২৬ – জনপ্রিয় ৫০টি স্মার্টফোনের আপডেটেড মূল্য তালিকা আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদের দুর্নীতি এখনো বহাল টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি আওয়ামী দোসর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানা– পর্ব ১ প্রকৌশলী আবু তালেবের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয় ও ১৬ প্রকল্পে দুর্নীতির পাহাড় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিনিয়র স্কেল ছাড়াই পদোন্নতি গণপূর্তে কোটি টাকার বাণিজ্য গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা