নিজস্ব প্রতিনিধি:
একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে যখন জাতীয় রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংকট ক্রমেই প্রকট, ঠিক তখনই শুদ্ধাচার, প্রশাসনিক কঠোরতা এবং প্রজ্ঞার দুর্লভ সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মোঃ গোলাম সারোয়ার—চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের অধীন কোতোয়ালি সার্কেলের রাজস্ব কর্মকর্তা।
বর্তমান সরকারের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সুসংহত ও বেগবান করার ক্ষেত্রে বিশেষত ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স (ভ্যাট) আহরণে মোঃ সারোয়ারের অবদান নিঃসন্দেহে প্রাতিস্বিক প্রশংসার দাবিদার। কর ফাঁকি, জাল চালান ও কারসাজি নির্ভর তথাকথিত করদাতা শ্রেণির বিরুদ্ধে তিনি পরিচালিত করেছেন কঠোর ও সুদূরপ্রসারী অভিযান। তার কঠোর নজরদারি ও আইনি প্রয়োগে ইতোমধ্যে কোতোয়ালি সার্কেল পরিণত হয়েছে এক সুগঠিত রাজস্ব ইউনিটে।
তার প্রতিটি অডিট ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া কেবল টেকনিক্যাল নয়—বরং নীতিনিষ্ঠ এবং আইনি রচনায় মোড়ানো একেকটি প্রশাসনিক অপারেশন। কর সংগ্রহের লক্ষ্যে তিনি অনুসরণ করেন জিরো টলারেন্স নীতি, যেখানে কোনো প্রকার প্রভাব, প্রলোভন কিংবা রাজনৈতিক আনুগত্যের স্থান নেই। তিনি কেবল রাজস্ব আহরণে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন না—বরং একটি সুশাসনভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক রাজস্ব পরিবেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
তার পরিকল্পিত উদ্যোগে করদাতাদের জন্য চালু হয়েছে হেল্প ডেস্ক, রিটার্ন যাচাইয়ের ডিজিটাল কাঠামো এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম ক্যাম্পেইন—যার ফলে স্বতঃস্ফূর্ত ভ্যাট পরিশোধে বেড়েছে জনগণের অংশগ্রহণ, এবং জাতীয় রাজস্বে যোগ হয়েছে লক্ষণীয় প্রবৃদ্ধি।
সহকর্মীদের ভাষায়, মোঃ সারোয়ার কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন—তিনি একাধারে নীতিনিষ্ঠ সংগঠক, দৃষ্টিভঙ্গি সমৃদ্ধ রূপকার এবং শুদ্ধাচারের নিরবচ্ছিন্ন অনুশীলনকারী। তার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক তরুণ রাজস্ব কর্মকর্তা নিজেদের দায়িত্বকে দেখছেন পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে।
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব ব্যবস্থার উন্নয়ন অভিযাত্রায় মোঃ গোলাম সারোয়ারের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে—যেখানে শুদ্ধাচার শুধু নীতিকথা নয়, বরং কার্যকর বাস্তবতা।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫ । ১:০০ পূর্বাহ্ণ