খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঢাকা দুই সিটি মেয়রের প্রশ্রয়  লোপাট ৩ হাজার ২শ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
ঢাকা দুই সিটি মেয়রের প্রশ্রয়   লোপাট ৩ হাজার ২শ কোটি টাকা

 

( মোঃ মাইনুল ইসলাম মহিন. নিজস্ব প্রতিবেদক: )

 

গত চার অর্থবছরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়রের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে উন্নয়ন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে কমিশন বাবদ ৩২০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।

 

এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে তৎকালীন মেয়র-কাউন্সিলর ও রাজনীতিবিদ এবং প্রকৌশলীসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা জড়িত ছিলেন ।

 

খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জানা গেছে, দরপত্রে অটোমেশন হলেও প্রতিটি কাজ ভাগবাটোয়ারা হতো মেয়রের নির্দেশে।

 

সমঝোতার ভিত্তিতে দরপত্রে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ পেয়েছে। এর বিনিময়ে তারা কমিশন হিসাবে সর্বনিম্ন ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিয়েছেন।

 

আর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে কমিশন আদায় হয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। বিপুল পরিমাণ এই টাকা গেছে অসাধু রাজনীতিবিদ ও শাসক দল সমর্থিত আমলাদের পকেটে।

 

আর এই সুযোগে নিম্নমানের কাজ এবং মালামাল সরবরাহ করে অঙ্কের মুনাফা নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে নগর পরিকল্পনাবিদ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি)সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা কে বলেন,

 

বিগত সরকারের সময় সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার দরপত্র ভাগাভাগি এবং কমিশন বাণিজ্যের কথা সবাই জানত। তবে এসব নিয়ে কেউ প্রশ্ন করার সাহস পেতেন না।

 

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অসীম ত্যাগের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি আমরা। বিগত সময়ে অনিয়ম, দুর্নীতির নির্মোহ তদন্ত হতে হবে। তাহলে প্রকৃত কারণগুলো বেরিয়ে আসবে।

 

এতে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা যাবে এবং দুর্নীতির উৎস বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির একাধিক প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও ঠিকাদার জানান, উন্নয়ন কাজের দরপত্রের চেয়ে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দুর্নীতি বেশি।

 

বিশেষ করে গাড়ির জ্বালানি, মশার ওষুধ ক্রয়, কচুরিপানা পরিষ্কার, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কাজে লুটপাট বেশি হয়েছে। বছরের পর বছর এই ধারা চললেও তা কেউ ভাঙেনি। অবৈধ টাকার জোরে অসাধু চক্র ধরাকে সরাজ্ঞান করেন।

 

এমনো ঘটনা রয়েছে, একজন সৎ কর্মকর্তার এখানে পোস্টিং হওয়ার পর অসাধু চক্রের প্রলোভনে তিনিও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।ঢাকা উত্তর সিটির কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা জানান, বিগত মেয়রের চার বছরে সংস্থার অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও দরপত্রে ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে।

 

টাকা ছাড়া কোনো কাজ পাওয়া যায়নি। মেয়রের ঘনিষ্ঠরা এসব বাণিজ্য করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের জন্য এটা করতে হচ্ছে এমন কথা বলতে শোনা গেছে। বিনা টাকায় কোনো ঠিকাদার কোনো কাজ পাননি বলে তারা জানিয়েছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দায়িত্ব গ্রহণকরেন। এরপর ২০২১-২০২২, ২০২২-২০২৩ এবং ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন।

 

সবশেষ ২০২৪-২০২৫ সালের বাজেটও ঘোষণা করেন। এই সময়ে উন্নয়ন খাতে ৭ হাজার ২৫১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এখান থেকে লোপাট হয়েছে ১ হাজার ৮২২ কোটি টাকা। আর পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে খরচ হয়েছে ৮৬৫ কোটি টাকা।

 

এখানে দুর্র্নীতিবাজ চক্র হাতিয়ে নিয়েছেন ৩০৯ কোটি টাকা। কমিশন বাণিজ্যে সরকারের সর্বমোট ক্ষতি হয়েছে অন্তত ২ হাজার১৩১ কোটি টাকা। একই অবস্থা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও (ডিএনসিসি)। মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

এরপর ২০২১-২০২২, ২০২২-২০২৩ এবং ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটের বাস্তবায়ন করেছে। সবশেষ ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণাও করেন। গত চার বছরে উন্নয়ন খাতে খরচ করেছে ৩ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। এখানে লোপাট হয়েছে ৮৭৩ কোটি টাকা।

 

পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে খরচ হয়েছে ৫৭৮ কোটি টাকা। আর এখানে কমিশন বাবদ দুর্নীতিবাজ চক্রহাতিয়ে নিয়েছে ২৩০ কোটি টাকা। তবে ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের ফলে দেশে বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় দুই মেয়র বরখাস্ত হয়েছেন।

 

তারা এখন পলাতক রয়েছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র তাপসের নির্দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাজ দিতেন প্রকৌশলীরা। নামে ই-টেন্ডারিং হলেও বাস্তবে মেয়রের নির্দেশেই সবকিছু হতো।

 

রাজনৈতিক বিবেচনায় কাজ ভাগবাটোয়ারা করলেও মেয়র এসব কাজ থেকে কোনো কমিশন নিতেন না। যিনি কাজ পেতেন তিনি নিজে পেশাদার ব্যবসায়ী না হওয়ায় ১০ ভাগ কমিশন নিয়ে তা অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই কাজগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা অন্য ঠিকাদারদের সমন্বয় করে দেওয়া বাবদ ২ ভাগ কমিশন নিয়েছেন।

 

আর বাকি ১৩ভাগ কমিশন দিতে হয়েছে উপসহকারী প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সচিব, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলর এবং হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

 

তবে ওই সময়ে দায়িত্ব পালন করা প্রধান প্রকৌশলী কমিশন নিতেন না। এছাড়া কাজ পাওয়া এবং বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত বেশির ভাগ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কমিশন নিয়েছেন বলে জানা যায়। মেয়রের নির্দেশে কাজ ভাগাভাগি হওয়ার কারণে দক্ষিণ সিটির অধিকাংশ দরপত্রে কোনো প্রতিযোগিতা হয়নি।

 

সমঝোতার ভিত্তিতে অনেক দরপত্রে ঠিকাদাররা অংশ নিতেন বলে জানা যায়।

একই অবস্থা বিরাজমান ছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও।

 

গুটিকয়েক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঘুরেফিরে কাজ পেত সেখানে। বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপের কাছে কাবু ছিলেন তৎকালীন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

 

সংশ্লিষ্টদের খুশি করতে তার নির্দেশে গোপন দর ফাঁস করে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরাও এসব ক্ষেত্রে অসহায়বোধ করতেন।

 

তবে অধিকাংশই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খুশিমনে কমিশন বাণিজ্য করেছেন। রাজনৈতিক কাজগুলো মূলত মেয়রের নামে চলেছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের এবং রাজনৈতিক দলের বিভিন্নপর্যায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের পেছনে শত শত কোটি টাকার কাজ ভাগবাটোয়ারা হয়েছে ঢাকা উত্তরে।

 

রাজনৈতিক বিবেচনায় কাজ পাওয়া ব্যক্তিরা ঠিকাদারদের কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ ভাগ কমিশন আদায় করতেন। ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি।

 

আর বাকি কমিশন কাউন্সিলর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রকৌশলীরা নিয়েছেন। তবে ঢাকা উত্তর সিটির বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা ছিলেন; যারা মেয়রের নির্দেশে কাজ করলেও কোনো কমিশন নিতেন না।

 

কর্তৃপক্ষের অভিমত : এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান দৈনিক ভোরের নতুন বার্তাকে বলেন, অডিট আপত্তি বা সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না পেলে পুরাতন ঘটনার তদন্ত করছেন না তারা।

 

তবে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে তখন সেসব বিষয় তদন্ত করে দেখবে বলে জানান। এছাড়া দুর্নীতির ঘটনাগুলো তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উদ্যোগী হওয়া দরকার বলে অভিমত তার।

 

এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন তারা।এ বিষয়ে জানতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা (এসএসএম) পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

হেমন্তের হিমেল হাওয়া আর শীতের আমেজ পেরিয়ে প্রকৃতিতে এখন কাঠফাটা রোদ আর তীব্র গরম। গ্রীষ্মকাল মানেই অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ঘাম, আর বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য। এই সময়ে আমাদের ত্বকের ওপর দিয়ে সবচেয়ে বড় ঝড়ঝাপটা যায়। অতিরিক্ত ঘামের কারণে পোরস বা রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রণ, সানবার্ন (রোদে পোড়া দাগ), এবং ত্বক কালচে হয়ে যাওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়।

গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমেও কীভাবে আপনার ত্বকের সতেজতা ও লাবণ্য ধরে রাখবেন, তা নিয়েই আজকের এই বিস্তারিত গাইড। কিছু সহজ কিন্তু কার্যকরী নিয়ম মেনে চললেই এই গরমেও আপনার ত্বক থাকবে চনমনে ও দীপ্তিময়।


১. সঠিক ফেসওয়াশ নির্বাচন ও নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা

গ্রীষ্মকালে ত্বকে অতিরিক্ত সেবাম বা তেল উৎপাদিত হয়। এর সাথে বাইরের ধুলোবালি মিশে ত্বক দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। তাই দিনে অন্তত দুইবার (সকালে ও রাতে) ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে।

  • তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) বা টি-ট্রি অয়েল যুক্ত ফোমিং ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করবে।

  • শুষ্ক ত্বকের জন্য: ক্রিমি বা হাইড্রেটিং ফেসওয়াশ বেছে নিন, যা ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখবে।

বিশেষ টিপস: অতিরিক্ত গরম লাগছে বলে বারবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে উল্টো আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে পারে। প্রয়োজনে শুধু ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন।

২. সানস্ক্রিন: গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার

রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানস্ক্রিনের কোনো বিকল্প নেই। মেঘলা দিন হোক বা ঘরের ভেতর, সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি (UV) রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করেই চলে। সানস্ক্রিন না লাগালে অসময়ে ত্বকে বলিরেখা, মেছতা এবং কালচে ছোপ পড়তে পারে।

  • সবসময় অন্তত SPF ৩০ থেকে ৫০ এবং PA+++ যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

  • রোদে বের হওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান।

  • যারা দীর্ঘসময় বাইরে থাকেন, তারা প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পর পর পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৩. লাইটওয়েট বা জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার

অনেকেরই ধারণা, গরমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। গরমে ত্বক থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়, যা পূরণ করতে ময়েশ্চারাইজার জরুরি। তবে শীতকালের মতো ভারী ক্রিম ব্যবহার না করে গ্রীষ্মে ওয়াটার-বেসড (Water-based) বা জেল ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এগুলো ত্বকে দ্রুত শোষিত হয় এবং কোনো চটচটে ভাব তৈরি করে না।


আরো পড়ুন: বাংলাদেশের ফলের দাম

৪. ঘরোয়া প্যাক দিয়ে ত্বকের পরিচর্যা

সপ্তাহে ১-২ দিন ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক সতেজতা এনে দেয়।

ত্বকের ধরন কার্যকরী ঘরোয়া প্যাক উপকারিতা
তৈলাক্ত ত্বক মুলতানি মাটি + গোলাপ জল অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং রোমকূপ সংকুচিত করে।
শুষ্ক ত্বক টকদই + মধু + সামান্য হলুদ ত্বক নরম করে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
সব ধরনের ত্বক অ্যালোভেরা জেল + শসার রস রোদে পোড়া ভাব (Sunburn) কমায় ও ত্বক ঠান্ডা রাখে।

৫. টোনারের জাদুকরী ব্যবহার

গ্রীষ্মের গরমে পোরস বা রোমকূপগুলো বড় হয়ে যায়। একটি ভালো অ্যালকোহল-মুক্ত টোনার পোরস সংকুচিত করতে এবং ত্বকের pH লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে খাঁটি গোলাপ জল স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। বাইরে থেকে ফিরে এই ঠান্ডা গোলাপ জলের ঝাপটা ত্বকে দিলে নিমেষেই ক্লান্তি দূর হবে।

৬. স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েশন

ত্বকের ওপর জমে থাকা মৃত কোষ এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করতে স্ক্রাবিং করা জরুরি। তবে গরমে ত্বক এমনিতেই সংবেদনশীল থাকে, তাই সপ্তাহে ১ বা ২ বারের বেশি স্ক্রাব করবেন না। মৃদু বা জেন্টল কোনো স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ওটমিল এবং টকদই মিশিয়ে ঘরেই চমৎকার প্রাকৃতিক স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন।

৭. মেকআপ হোক হালকা

গ্রীষ্মের গরমে ভারী মেকআপ এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন বা কনসিলার ঘামের সাথে মিশে পোরস বন্ধ করে দেয়, যা থেকে পরে ব্রণ হয়। এই সময়ে ম্যাট ফিনিশ লুক বেছে নিন। ফাউন্ডেশনের বদলে বিবি (BB) ক্রিম বা সিসি (CC) ক্রিম এবং লুজ পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। মেকআপের শুরুতে একটি ভালো প্রাইমার ব্যবহার করলে মেকআপ সহজে গলে যাবে না।


৮. ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন (খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল)

বাইরের যত্নের পাশাপাশি ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

  • পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস (২.৫ থেকে ৩ লিটার) পানি পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।

  • খাদ্যাভ্যাসে বদল: তরমুজ, শসা, বাঙি, আনারসের মতো পানিজাতীয় ফল বেশি করে খান। এগুলো শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

  • ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন। এগুলো ত্বকে ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে ডাবের পানি বা লেবুর শরবত খেতে পারেন।

৯. চোখ ও ঠোঁটের বিশেষ যত্ন

মুখের ত্বকের পাশাপাশি চোখ ও ঠোঁটের চামড়াও অনেক পাতলা হয়, তাই এগুলোর যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

  • বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ইউভি প্রটেক্টিভ সানগ্লাস এবং ছাতা ব্যবহার করুন।

  • ঠোঁট ফেটে যাওয়া বা কালো হওয়া রোধ করতে SPF যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন।


এক নজরে গ্রীষ্মকালীন স্কিনকেয়ার রুটিন (Routine)

১. সকাল: জেন্টল ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার $\rightarrow$ সানস্ক্রিন।

২. রাত: ডাবল ক্লিনজিং (মেকআপ/সানস্ক্রিন তোলার জন্য) $\rightarrow$ ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ নাইট ক্রিম বা সিরাম।

শেষ কথা

গ্রীষ্মের তপ্ত দিনগুলোতে ত্বকের বাড়তি একটু যত্ন আপনাকে দিতে পারে দাগহীন, সতেজ ও প্রাণবন্ত ত্বক। স্কিনকেয়ারের মূল চাবিকাঠি হলো ধারাবাহিকতা বা রেগুলারিটি। একদিন খুব যত্ন নিলেন আর পাঁচদিন ভুলে গেলেন—এমনটা করলে চলবে না। তাই নিয়মগুলো আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করুন এবং সুস্থ, সুন্দর ত্বক নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপভোগ করুন এই গ্রীষ্মকাল!

ত্যাগ: ত্বকের যত্ন, শীতে ত্বকের যত্ন,  ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে, গরমে ত্বকের যত্ন,  গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন। গ্রীষ্মকালে ত্বকের যত্ন, রোদে ত্বকের যত্ন

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতিদিনের বাজারে ফলের দামের পরিবর্তন ঘটে চাহিদা, মৌসুম ও আমদানির ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালে দেশি ও বিদেশি ফলের বাজারে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে গরম মৌসুমে তরমুজ, আম ও লিচুর চাহিদা বাড়লেও শীতকালে আপেল, কমলা ও আঙুরের বাজার বেশি সক্রিয় থাকে। যারা প্রতিদিন বাজার করেন অথবা ফলের ব্যবসা করেন, তাদের জন্য আজকের ফলের দাম জানা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আজকের ফলের দাম ২০২৬ জানুন। আপেল, কমলা, আম, কলা, তরমুজসহ ১৫টি জনপ্রিয় ফলের সর্বশেষ বাজারদর ও বিস্তারিত তথ্য।

বাংলাদেশের ১৫টি ফলের দাম ২০২৬

১. আপেল

বর্তমানে বাংলাদেশে আমদানি করা আপেলের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। নিউজিল্যান্ড ও চায়না আপেলের চাহিদা বেশি।

২. কমলা

কমলার দাম প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা। রমজান ও শীত মৌসুমে এর চাহিদা বাড়ে।

৩. আঙুর

সবুজ ও কালো আঙুরের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

৪. কলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল কলা। প্রতি ডজন কলা ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

৫. আম

মৌসুমভেদে আমের দাম পরিবর্তন হয়। ২০২৬ সালে প্রতি কেজি আম ১২০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

৬. লিচু

প্রতি ১০০ লিচুর দাম ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বোম্বাই ও মাদ্রাজি লিচুর চাহিদা বেশি।

৭. তরমুজ

গরম মৌসুমে তরমুজের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

৮. বাঙ্গি

বাঙ্গির দাম প্রতি পিস ৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

৯. পেয়ারা

দেশি পেয়ারা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১২০ টাকায় পাওয়া যায়।

১০. পেঁপে

কাঁচা ও পাকা পেঁপের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৯০ টাকা।

১১. ডালিম

ডালিম বা বেদানার দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত।

১২. মাল্টা

মাল্টা প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

১৩. আনারস

প্রতি পিস আনারস ১০০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া যায়।

১৪. কাঁঠাল

মৌসুমে বড় কাঁঠালের দাম ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

১৫. জাম

কালোজাম ও দেশি জাম প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরো পড়ুন: গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

ফলের দাম বাড়ার কারণ

বাংলাদেশে ফলের দাম বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। যেমন:

  • আমদানি খরচ বৃদ্ধি
  • পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি
  • মৌসুমি সংকট
  • অতিরিক্ত চাহিদা
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয়ভাবে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে বাজারে দামের চাপ কমানো সম্ভব হবে।

কোথায় কম দামে ফল পাওয়া যায়?

ঢাকার কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার ও বিভিন্ন পাইকারি মার্কেটে তুলনামূলক কম দামে ফল পাওয়া যায়। এছাড়া বর্তমানে অনলাইন গ্রোসারি শপেও ফল কেনার সুযোগ রয়েছে।

উপসংহার

২০২৬ সালে বাংলাদেশের ফলের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। প্রতিদিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী দামের পরিবর্তন হতে পারে। তাই ফল কেনার আগে স্থানীয় বাজার যাচাই করা ভালো। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

ত্যাগ: বাংলাদেশের ফলের দাম ২০২৬, আজকের ফলের বাজারদর, আপেলের দাম, আমের দাম, কলার দাম, ফলের মূল্য তালিকা, fruit price in Bangladesh 2026, বাংলাদেশের বাজারদর, ফলের দাম, বাংলাদেশের বাজারদর, আজকের ফলের দাম, ফল ২০২৬, FruitPriceBD, বাংলাদেশ_

নিউজ, বাজার আপডেট

গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে অভিযোগ।

দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্র থেকে জানা যায় ফয়সাল হালিম ঠিকাদারদের প্রায় প্রতিটি ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য দশ শতাংশ (১০%) কমিশন নিয়ে থাকেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে চেয়ারম্যান নিকট দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এপিপি বরাদ্দের ১১০টি দরপত্র নিয়ম অনুযায়ী এলটিএম পদ্ধতিতে আহবান করেছেন ফয়সাল হালিম।

কিন্তু তিনি তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিটি দরপত্রে সন্ডিকেট করে তিন থেকে চার চারজনকে দরপত্রে অংশগ্রহণ করিয়েছেন যাতে তাকে কমিশন দেওয়া সকল ঠিকাদারই কাজ পায়। এই কৌশলের জন্য ফয়সাল হালিম দর শতাংশ কমিশনও নিয়েছেন সেসব ঠিকাদারের কাছ থেকে। এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যান্য সকল বিভাগের এলটিএম পদ্ধতিতে আহবানকৃত সকল দরপত্রে ১০০ জনের অধিক ঠিকাদার অংশগ্রহন করেছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী ফয়সাল হালিম তাকে কমিশন দেওয়া ঠিকাদারের বাইরে অন্য ঠিকাদারদের দরপত্রে অংশগ্রগণ করার জন্য নিরুৎসাহিত করেছেন তাদের ফাইলে স্বাক্ষর না করার ভয় দেখিয়ে।

এছাড়া অভিযোগপত্রে আরো জানা যায়, আজিমপুর কলোনির নতুন ভবন নির্মান প্রকল্পের আওতায় পুরাতন ভবনের সার্ভে রিপোর্ট করছেন ফয়সাল হালিম। এই সার্ভে রিপোর্টের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে সরকারি রাজস্বে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি হাতিয়ে নিয়ে নিলাম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগপত্রে আরো দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে RFQ-এর মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২০ লাখ টাকা মোট ৪০ লাখ টাকা RFQ এর মাধ্যমে ফয়সাল হালিম অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া ফয়সাল হালিমকে শেখ রেহানার গুলশানের বাড়ি ডিজাইনার হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিদেশে গমন শেষে ভোল পাল্টিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে মব সৃষ্টি করার মতো গুরুত্বত অভিযোগও রয়েছে ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়গুলো নিয়ে গণপূর্ত আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো প্রতিউত্তর দেননি।

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন