খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রাবেয়া বসরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন না থাকায় পাঠদানে চরম ভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
রাবেয়া বসরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন না থাকায় পাঠদানে চরম ভোগান্তি

শাহনাজ আক্তার রুবি হালিশহর, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং এস্টেট বিডিআর মাঠ সংলগ্নে অবস্থিত রাবেয়া বসরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ে দুইটি ভবন রয়েছে। একটি তিনতলা ও অপরটি চার কক্ষ বিশিষ্ট দুই তলা। যেটা ছিল একাডেমিক ভবন। যেখানে চলতো শ্রেণি ও পাঠদান কার্যক্রম ।

দক্ষিণে রয়েছে মহেষ খাল। উত্তরে লেইন, পশ্চিমে আর্টিলারি সড়ক। একাডেমিক ভবনটি ১৯৯৮ সালের ২৪ অক্টোবর তৎকালীন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী এম এ মান্নান সাহেব উদ্বোধন করেছিলেন।

ভবনের বর্তমান পরিস্থিতি
ছবি/ দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

২০২৩ সালে একাডেমিক ভবনের তৃতীয় তলায় টিন শেড দিয়ে করা হয়েছিল মিলনায়তন হল। ভবনের দক্ষিণে অবস্থিত খালের জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য খালের সংস্কার ও খনন কাজ চলছে।

বিধায় একাডেমিক ভবনটি ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় ভবনটি সম্পূর্ন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। তাছাড়া অপর তিনতলা ভবনের দুইটি করে মোট ছয়টি কক্ষ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।

সবমিলিয়ে দশটি কক্ষ ও একটি মিলনায়তন ভেঙ্গে ফেলায় জায়গা ও কক্ষের অভাবে শ্রেণি কার্যক্রম, পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তীব্র গরমে অসহনীয় যন্ত্রণা,

চরম ভোগান্তি যা বর্ণনা করা দুস্কর। বিদ্যালয়টি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর অত্র বিদ্যালয় সরকারি এমপিও ও ১৯৯৮ সালের একাডেমিক ভবনটি ছাড়া আর কোন সুযোগ সুবিধা পাইনি।

বিগত সরকারের সাড়ে পনেরো বছরে বিদ্যালয়টি বঞ্চনার কাতারেই ছিল। অনেক তদবির চেষ্টা করেও কোন ভবন পাইনি। আদো ভবন নির্মাণ হবে কিনা ? হলে তা কবে হবে ? এমন প্রশ্ন জনমুখে, অভিভাবক ও ছাত্রীদের মুখে মুখে। এ নিয়ে সর্বস্তরে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ভবন ভাঙার পূর্বেও বারংবার চেষ্টা করেও কোন সুফল মিলেনি। ফলে পাইনি কোন ভবন ও কম্পিউটার সমৃদ্ধ জিডিটাল কোন ল্যাব। ভবন ভাঙার এক বছর কেটে গেলেও অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আশার আলো ক্ষীণ।

বর্তমান কমিটি দায়সারাভাবে চলছে। ভবন নির্মাণে নেই কোন মাথাব্যাথা। নারী শিক্ষায় বিদ্যালয়টি যেভাবে এগিয়ে থাকার কথা। বরং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার অভাবে উল্টো রয়েছে বহু পিছিয়ে।

ভবনের বর্তমান অবস্থা.ছবি ।
দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

অত্র এলাকায় এ বিদ্যালয়ের রয়েছে যথেষ্ট সুনাম ও খ্যাতি। নারী শিক্ষার মডেল হিসেবে বেশ পরিচিত। নীতি ও নৈতিকতার আদর্শিক পাঠশালার অনুপম প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনন্য। এ বিদ্যালয়কে অনন্য মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে সরকারি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

দ্রুত সরকারি বরাদ্দে হোক কিংবা স্ব অর্থায়নে হোক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে ব্যর্থ হলে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষার যথাযথ গুণগত রক্ষা করা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

বর্তমান ভর্তি কার্যক্রম চলছে। এমনিতে নাই ভবন। নতুন ছাত্রীদের বসাবে কোথায় এনিয়ে শেষ নেই দুশ্চিন্তার। তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব নির্বিকার।

এভাবে কতদিন চলবে ? কেন বা কি কারণে ভবন নির্মাণ হচ্ছে না তারও মিলছে না সুদুত্তর। যেহেতু অপর ভবনের কক্ষগুলো ছোট বিধায় শ্রেণি কার্যক্রম চালানোর উপযোগী না। গাদাগাদি করে ৩০ জনের বেশি বসা যায়না।

প্রতি শ্রেণিতে ৭০/৮০ র বেশি ছাত্রী রয়েছে। তাছাড়া নেই টয়লেট সুবিধা। নেই কোন ওয়াশ রুম। নেই বিশুদ্ধ সুপেয় পানির ব্যবস্থা। আসছে গ্রীষ্মকাল।

তীব্র গরমে গাদাগাদি করে বসে ক্লাস করা কতটা চরম অস্বস্তিদায়ক তা বর্ণনাতীত। লোডশেডিংয হলে দম ফেলা দায়। কোন কোন শ্রেণিতে ডাবল সেকশন রয়েছে।

ভবনের অভাবে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সেকশন বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। দুটি ভবনের মধ্যে একাডেমিক ভবনই ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। ভবনের অভাবে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম দুই শিফটে কোনমতে জোড়াতালি চলছে।

ভবন ভাঙার পর বিগত একবছর পাঠদানে পোহাতে হয়েছে অসহনীয় দুর্ভোগ। ভোগতে হয়েছে অবর্ননীয় যন্ত্রণা। ভবন নির্মাণ কতটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে তা সরেজমিন পরিদর্শনে না গেলে বুঝার উপায় নেই। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে এসব দেখার যেন কেউ নেই। বর্তমান কমিটি যেন নীরব দর্শক।

কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। সুষ্ঠু সুন্দর সুচারুভাবে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম চালাতে ভবন নির্মাণের বিকল্প নেই। সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী, ছাত্রী ও অভিভাবকদের প্রাণের দাবি যে, সহসাই বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণে মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

 

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

হেমন্তের হিমেল হাওয়া আর শীতের আমেজ পেরিয়ে প্রকৃতিতে এখন কাঠফাটা রোদ আর তীব্র গরম। গ্রীষ্মকাল মানেই অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ঘাম, আর বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য। এই সময়ে আমাদের ত্বকের ওপর দিয়ে সবচেয়ে বড় ঝড়ঝাপটা যায়। অতিরিক্ত ঘামের কারণে পোরস বা রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রণ, সানবার্ন (রোদে পোড়া দাগ), এবং ত্বক কালচে হয়ে যাওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়।

গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমেও কীভাবে আপনার ত্বকের সতেজতা ও লাবণ্য ধরে রাখবেন, তা নিয়েই আজকের এই বিস্তারিত গাইড। কিছু সহজ কিন্তু কার্যকরী নিয়ম মেনে চললেই এই গরমেও আপনার ত্বক থাকবে চনমনে ও দীপ্তিময়।


১. সঠিক ফেসওয়াশ নির্বাচন ও নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা

গ্রীষ্মকালে ত্বকে অতিরিক্ত সেবাম বা তেল উৎপাদিত হয়। এর সাথে বাইরের ধুলোবালি মিশে ত্বক দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। তাই দিনে অন্তত দুইবার (সকালে ও রাতে) ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে।

  • তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) বা টি-ট্রি অয়েল যুক্ত ফোমিং ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করবে।

  • শুষ্ক ত্বকের জন্য: ক্রিমি বা হাইড্রেটিং ফেসওয়াশ বেছে নিন, যা ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখবে।

বিশেষ টিপস: অতিরিক্ত গরম লাগছে বলে বারবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে উল্টো আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে পারে। প্রয়োজনে শুধু ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন।

২. সানস্ক্রিন: গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার

রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানস্ক্রিনের কোনো বিকল্প নেই। মেঘলা দিন হোক বা ঘরের ভেতর, সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি (UV) রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করেই চলে। সানস্ক্রিন না লাগালে অসময়ে ত্বকে বলিরেখা, মেছতা এবং কালচে ছোপ পড়তে পারে।

  • সবসময় অন্তত SPF ৩০ থেকে ৫০ এবং PA+++ যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

  • রোদে বের হওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান।

  • যারা দীর্ঘসময় বাইরে থাকেন, তারা প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পর পর পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৩. লাইটওয়েট বা জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার

অনেকেরই ধারণা, গরমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। গরমে ত্বক থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়, যা পূরণ করতে ময়েশ্চারাইজার জরুরি। তবে শীতকালের মতো ভারী ক্রিম ব্যবহার না করে গ্রীষ্মে ওয়াটার-বেসড (Water-based) বা জেল ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এগুলো ত্বকে দ্রুত শোষিত হয় এবং কোনো চটচটে ভাব তৈরি করে না।


আরো পড়ুন: বাংলাদেশের ফলের দাম

৪. ঘরোয়া প্যাক দিয়ে ত্বকের পরিচর্যা

সপ্তাহে ১-২ দিন ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক সতেজতা এনে দেয়।

ত্বকের ধরন কার্যকরী ঘরোয়া প্যাক উপকারিতা
তৈলাক্ত ত্বক মুলতানি মাটি + গোলাপ জল অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং রোমকূপ সংকুচিত করে।
শুষ্ক ত্বক টকদই + মধু + সামান্য হলুদ ত্বক নরম করে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
সব ধরনের ত্বক অ্যালোভেরা জেল + শসার রস রোদে পোড়া ভাব (Sunburn) কমায় ও ত্বক ঠান্ডা রাখে।

৫. টোনারের জাদুকরী ব্যবহার

গ্রীষ্মের গরমে পোরস বা রোমকূপগুলো বড় হয়ে যায়। একটি ভালো অ্যালকোহল-মুক্ত টোনার পোরস সংকুচিত করতে এবং ত্বকের pH লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে খাঁটি গোলাপ জল স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। বাইরে থেকে ফিরে এই ঠান্ডা গোলাপ জলের ঝাপটা ত্বকে দিলে নিমেষেই ক্লান্তি দূর হবে।

৬. স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েশন

ত্বকের ওপর জমে থাকা মৃত কোষ এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করতে স্ক্রাবিং করা জরুরি। তবে গরমে ত্বক এমনিতেই সংবেদনশীল থাকে, তাই সপ্তাহে ১ বা ২ বারের বেশি স্ক্রাব করবেন না। মৃদু বা জেন্টল কোনো স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ওটমিল এবং টকদই মিশিয়ে ঘরেই চমৎকার প্রাকৃতিক স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন।

৭. মেকআপ হোক হালকা

গ্রীষ্মের গরমে ভারী মেকআপ এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন বা কনসিলার ঘামের সাথে মিশে পোরস বন্ধ করে দেয়, যা থেকে পরে ব্রণ হয়। এই সময়ে ম্যাট ফিনিশ লুক বেছে নিন। ফাউন্ডেশনের বদলে বিবি (BB) ক্রিম বা সিসি (CC) ক্রিম এবং লুজ পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। মেকআপের শুরুতে একটি ভালো প্রাইমার ব্যবহার করলে মেকআপ সহজে গলে যাবে না।


৮. ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন (খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল)

বাইরের যত্নের পাশাপাশি ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

  • পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস (২.৫ থেকে ৩ লিটার) পানি পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।

  • খাদ্যাভ্যাসে বদল: তরমুজ, শসা, বাঙি, আনারসের মতো পানিজাতীয় ফল বেশি করে খান। এগুলো শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

  • ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন। এগুলো ত্বকে ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে ডাবের পানি বা লেবুর শরবত খেতে পারেন।

৯. চোখ ও ঠোঁটের বিশেষ যত্ন

মুখের ত্বকের পাশাপাশি চোখ ও ঠোঁটের চামড়াও অনেক পাতলা হয়, তাই এগুলোর যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

  • বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ইউভি প্রটেক্টিভ সানগ্লাস এবং ছাতা ব্যবহার করুন।

  • ঠোঁট ফেটে যাওয়া বা কালো হওয়া রোধ করতে SPF যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন।


এক নজরে গ্রীষ্মকালীন স্কিনকেয়ার রুটিন (Routine)

১. সকাল: জেন্টল ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার $\rightarrow$ সানস্ক্রিন।

২. রাত: ডাবল ক্লিনজিং (মেকআপ/সানস্ক্রিন তোলার জন্য) $\rightarrow$ ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ নাইট ক্রিম বা সিরাম।

শেষ কথা

গ্রীষ্মের তপ্ত দিনগুলোতে ত্বকের বাড়তি একটু যত্ন আপনাকে দিতে পারে দাগহীন, সতেজ ও প্রাণবন্ত ত্বক। স্কিনকেয়ারের মূল চাবিকাঠি হলো ধারাবাহিকতা বা রেগুলারিটি। একদিন খুব যত্ন নিলেন আর পাঁচদিন ভুলে গেলেন—এমনটা করলে চলবে না। তাই নিয়মগুলো আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করুন এবং সুস্থ, সুন্দর ত্বক নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপভোগ করুন এই গ্রীষ্মকাল!

ত্যাগ: ত্বকের যত্ন, শীতে ত্বকের যত্ন,  ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে, গরমে ত্বকের যত্ন,  গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন। গ্রীষ্মকালে ত্বকের যত্ন, রোদে ত্বকের যত্ন

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতিদিনের বাজারে ফলের দামের পরিবর্তন ঘটে চাহিদা, মৌসুম ও আমদানির ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালে দেশি ও বিদেশি ফলের বাজারে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে গরম মৌসুমে তরমুজ, আম ও লিচুর চাহিদা বাড়লেও শীতকালে আপেল, কমলা ও আঙুরের বাজার বেশি সক্রিয় থাকে। যারা প্রতিদিন বাজার করেন অথবা ফলের ব্যবসা করেন, তাদের জন্য আজকের ফলের দাম জানা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আজকের ফলের দাম ২০২৬ জানুন। আপেল, কমলা, আম, কলা, তরমুজসহ ১৫টি জনপ্রিয় ফলের সর্বশেষ বাজারদর ও বিস্তারিত তথ্য।

বাংলাদেশের ১৫টি ফলের দাম ২০২৬

১. আপেল

বর্তমানে বাংলাদেশে আমদানি করা আপেলের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। নিউজিল্যান্ড ও চায়না আপেলের চাহিদা বেশি।

২. কমলা

কমলার দাম প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা। রমজান ও শীত মৌসুমে এর চাহিদা বাড়ে।

৩. আঙুর

সবুজ ও কালো আঙুরের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

৪. কলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল কলা। প্রতি ডজন কলা ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

৫. আম

মৌসুমভেদে আমের দাম পরিবর্তন হয়। ২০২৬ সালে প্রতি কেজি আম ১২০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

৬. লিচু

প্রতি ১০০ লিচুর দাম ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বোম্বাই ও মাদ্রাজি লিচুর চাহিদা বেশি।

৭. তরমুজ

গরম মৌসুমে তরমুজের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

৮. বাঙ্গি

বাঙ্গির দাম প্রতি পিস ৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

৯. পেয়ারা

দেশি পেয়ারা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১২০ টাকায় পাওয়া যায়।

১০. পেঁপে

কাঁচা ও পাকা পেঁপের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৯০ টাকা।

১১. ডালিম

ডালিম বা বেদানার দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত।

১২. মাল্টা

মাল্টা প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

১৩. আনারস

প্রতি পিস আনারস ১০০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া যায়।

১৪. কাঁঠাল

মৌসুমে বড় কাঁঠালের দাম ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

১৫. জাম

কালোজাম ও দেশি জাম প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরো পড়ুন: গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

ফলের দাম বাড়ার কারণ

বাংলাদেশে ফলের দাম বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। যেমন:

  • আমদানি খরচ বৃদ্ধি
  • পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি
  • মৌসুমি সংকট
  • অতিরিক্ত চাহিদা
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয়ভাবে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে বাজারে দামের চাপ কমানো সম্ভব হবে।

কোথায় কম দামে ফল পাওয়া যায়?

ঢাকার কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার ও বিভিন্ন পাইকারি মার্কেটে তুলনামূলক কম দামে ফল পাওয়া যায়। এছাড়া বর্তমানে অনলাইন গ্রোসারি শপেও ফল কেনার সুযোগ রয়েছে।

উপসংহার

২০২৬ সালে বাংলাদেশের ফলের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। প্রতিদিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী দামের পরিবর্তন হতে পারে। তাই ফল কেনার আগে স্থানীয় বাজার যাচাই করা ভালো। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

ত্যাগ: বাংলাদেশের ফলের দাম ২০২৬, আজকের ফলের বাজারদর, আপেলের দাম, আমের দাম, কলার দাম, ফলের মূল্য তালিকা, fruit price in Bangladesh 2026, বাংলাদেশের বাজারদর, ফলের দাম, বাংলাদেশের বাজারদর, আজকের ফলের দাম, ফল ২০২৬, FruitPriceBD, বাংলাদেশ_

নিউজ, বাজার আপডেট

গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে অভিযোগ।

দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্র থেকে জানা যায় ফয়সাল হালিম ঠিকাদারদের প্রায় প্রতিটি ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য দশ শতাংশ (১০%) কমিশন নিয়ে থাকেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে চেয়ারম্যান নিকট দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এপিপি বরাদ্দের ১১০টি দরপত্র নিয়ম অনুযায়ী এলটিএম পদ্ধতিতে আহবান করেছেন ফয়সাল হালিম।

কিন্তু তিনি তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিটি দরপত্রে সন্ডিকেট করে তিন থেকে চার চারজনকে দরপত্রে অংশগ্রহণ করিয়েছেন যাতে তাকে কমিশন দেওয়া সকল ঠিকাদারই কাজ পায়। এই কৌশলের জন্য ফয়সাল হালিম দর শতাংশ কমিশনও নিয়েছেন সেসব ঠিকাদারের কাছ থেকে। এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যান্য সকল বিভাগের এলটিএম পদ্ধতিতে আহবানকৃত সকল দরপত্রে ১০০ জনের অধিক ঠিকাদার অংশগ্রহন করেছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী ফয়সাল হালিম তাকে কমিশন দেওয়া ঠিকাদারের বাইরে অন্য ঠিকাদারদের দরপত্রে অংশগ্রগণ করার জন্য নিরুৎসাহিত করেছেন তাদের ফাইলে স্বাক্ষর না করার ভয় দেখিয়ে।

এছাড়া অভিযোগপত্রে আরো জানা যায়, আজিমপুর কলোনির নতুন ভবন নির্মান প্রকল্পের আওতায় পুরাতন ভবনের সার্ভে রিপোর্ট করছেন ফয়সাল হালিম। এই সার্ভে রিপোর্টের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে সরকারি রাজস্বে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি হাতিয়ে নিয়ে নিলাম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগপত্রে আরো দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে RFQ-এর মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২০ লাখ টাকা মোট ৪০ লাখ টাকা RFQ এর মাধ্যমে ফয়সাল হালিম অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া ফয়সাল হালিমকে শেখ রেহানার গুলশানের বাড়ি ডিজাইনার হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিদেশে গমন শেষে ভোল পাল্টিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে মব সৃষ্টি করার মতো গুরুত্বত অভিযোগও রয়েছে ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়গুলো নিয়ে গণপূর্ত আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো প্রতিউত্তর দেননি।

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন