খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার কবিতার ভুবনে এক যাদুকরী নাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
হোসাইন মোহাম্মদ দিদার কবিতার ভুবনে এক যাদুকরী নাম

তৌফিক রুবেল :

বুক পকেট মৃত্যু নিয়ে এই জনপদের এক কবি ঘুরছেন রাতবিরেত। বুক পকেটে মৃত্যু নিয়ে কী শুধু কবিই ঘুরে! কে মৃত্যু বুকে না নিয়ে ঘুরে? মৃত্যু বুকে নিয়ে ঘুরে রাজা থেকে প্রজা, ফেরিঅলা, ফুল ও ফল বিক্রেতা। মূলত সৃষ্টি মানেই লয়। আমরা প্রকৃতার্থে বুক পকেটে মৃত্যু নিয়ে ঘুরছি।আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে নীরবে কবিতার আলোয়ে ঘুমন্ত বিবেক জাগ্রত করে তুলছেন এই সমাজের এক তরুণ তুর্কী হোসাইন মোহাম্মদ দিদার। তিনি কবিতা লিখে চলছেন প্রায় দুই যুগের অধিক সময় ধরে। তার কবিতায় সুফিবাদের তীব্র দর্শন পরিলক্ষিত।

যে একবার তার এই সুফিবাদে অবগাহন করেছে; সে জানে খোদ তার কবিতা মুধুময় অমিয় স্বাদে ভরপুর। তার হাতের লেখায় ইসলামি দর্শন যেন কমন। তিনি তার দর্শনে রাষ্ট্র, সমাজ সংক্রমণের কথা বলার পাশাপাশি, তা থেকে পরিত্রাণের কথাও চমৎকারভাবে বন্দনা করেছেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এ পর্যন্ত ৭ টি।

এরমধ্যে থেকে সবকটি কবিতার বইয়ে খোদাপ্রেম, খোদা ভীতি, নবী প্রেম দেখতে পাই। সর্বশেষ প্রকাশিত কবির তিনটি কবিতার বই— অন্যরকম মেঘ, সে ফিরবে না আর ও বুক পকেটে মৃত্যু নিয়ে ঘুরি।

এই তিনটি গ্রন্থের ভিতরে যাপিত জীবনের সকল ক্ষত আরগ্য হওয়ার মত নির্যাস রয়েছে। তিনি তার সর্বশেষ প্রকাশিত” বুক পকেটে মৃত্যু নিয়ে ঘুরি ” কাব্যগ্রন্থে একটি কবিতায় লিখেছেন, ‘আমি তো চেয়েই এনেছি তোমার থেকে দুঃখ/ সইতে যেন পারি প্রস্তুত করো আমার বক্ষ। মানুষ যখন দুঃখে থাকে তখন সেটা রবের পক্ষ থেকেই উপহার হিসেবে আসে, একথাই কবি তার লিখিত কাপলেটে বুঝাতে চেয়েছেন।

এবং সেই দুঃখ যদি পাহাড়সমও হয় তা যেন সহ্য করতে পারেন সেজন্য রবের প্রতি প্রার্থনাও জানিয়েছেন। দোযখ নামে আরেকটি কাপলেটে কবি লিখেছেন, ‘নাচে চোখের সামনে দোজখ / অথচ বেহেশত যাওয়ার শখ’।আসলে আমাদের পারিপার্শ্বিক সমাজ ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে গেছে যেন ঘর থেকে বের হলেই বেলেল্লাপনা চোখের সামনে এসে উপস্থিত হয়।

এই অবস্থায় মানুষের ঈমান ধরে রাখা কতোটা কঠিন সেই কথাটিই কবি তার কাব্যিক ভাষায় বলেছেন। এভাবেই নানান উপমা আর ছন্দেবন্দে কালের কথা বলেছেন। স্রস্টার অস্তিত্বের জানান দিতে গিয়ে কবি তার সৃষ্টি ‘মিরাকল’ নামক কবিতায় লিখেছেন পৃথিবীর মিরাকল বলতে যদি কিছু থাকে সেটা তো— ‘তুমিই’। আসলেই তো দুনিয়ায় সবচেয়ে রহস্যময় ও আশ্চর্যের বিষয়তো স্রস্টাই।

নবির প্রেমের জানান দিতে ‘আমিনা মায়ের কোলে’ নামক কবিতায় তিনি লিখেছেন—”সেই ফুলের খুশবু মেখে/ পথ চলিব হেসেহেসে; সেই ফুলেতে প্রাণ সপেছি/ সকল কিছু ভুলে।”নবি প্রেম একটা নিঃস্ব মানুষকে আশা জাগায়, আলোকিত জীবন উপহার দেয়। তার লেখায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে নবি প্রেমে নিজেকে সপে দিতে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করবে।বলাবাহুল্য জীবন যার কবিতা সঙ্গী।

যার কবিতা দুঃসময়ে হয়ে ওঠে হাতিয়ার। পথ দেখায় আলোর। ভাঙা হৃদয় করে একত্রীকরণ। অবচেতন বিবেকে করে তুলে জাগ্রত। তরুণ এই তুর্কীর হাতে কবিতার মশাল।বিশেষ করে গেল বছর-২৪ গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমির বিষয়টিকে কবি এভাবে বলেছেন বিপ্লবীদের যখন মৃত্যু বুক পকেটে থাকে। দেখা গেছে ঐ সময়টা একটা অনিশ্চিত সময়। মানুষ জীবন নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হতো।

কুরআন-হাদীসে মৃত্যুর কথা বারবার স্মরণ করার তাগিদ দিয়েছেন আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল(সা.)। তবে কবিতার মাধ্যমে মানুষকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে দিয়েছেন এ কবি বারংবার । তার ‘বুক পকেটে মৃত্যু নিয়ে ‘ কাব্যগ্রন্থটি যে একবার পড়বে সে আর স্থির থাকতে পারবে না। বারবার নিজেকে হারাবে মৃত্যুর গহ্বরে।

ঐসব সমসাময়িক নানান বিষয়ে মহুয়া কবিতার শব্দে বন্দে ছন্দে স্রস্টা, নবি প্রেম, মানবিক প্রেম,সুফিজম, মাটি ও মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে লেখা তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো একদিন মানুষের হৃদয় জয় করবে এমনটাই ধারণা করা যায়। ইসলামি রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ, আল-মাহমুদ কিংবা মতিউর রহমান মল্লিক যে পথে হেঁটেছেন। বলা যায়, তরুণ কবি হোসাইন মোহাম্মদ দিদার অনেকটাই সেই পথ ধরেই হাঁটছেন। ক্লান্তিহীন এই পথচলা কবিকে একদিন হয়তো অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

কবি চান কবিতার মাধ্যমে একটি মানবিক পৃথিবীর কথা বলতে,বারবার নবি প্রেম ও খোদা প্রেম কিংবা দেশ প্রেমের বিশদ বর্ণনা ফুটে ওঠেছে তার সব কবিতায় ও প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থে।মানুষের ভাষা বুঝে, দাবি বুঝে লেখার সক্ষম কবি হিসেবে ইতিমধ্যে পাঠকের মনমণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তরুণ এই কবি।কবি তাঁর বহুমাত্রিক কবিতার তুলির আছড়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের কথাও সাজিয়ে ধরছেন অপরুপ বর্ণনা ভঙ্গিতে। তাঁর কবিতা হৃদয় জাগাবে,জয় করবে মন।শান্তির পায়রা উড়িয়ে দিতে চান তার কবিতার মাধ্যমে, তিনি চমৎকার লিখেছেন এইটুকু কবিত্ব জীবনে। কালের পরিক্রমায় এই কবি যদি সুদীর্ঘকাল কবিতা লিখতে পারেন তাহলে তার কবিতার সুন্দরের ধ্বনি, কবিতার মাধ্যমে বলা মানবতার জয়গানের ধ্বনি পৌঁছে যাবে গোটা দুনিয়া জুড়ে।শেষ করছি কবির” পৃথিবীটা সেদিন মানুষের হতো একটি কবিতার পংক্তি দিয়ে তিনি লিখেছেন—”পৃথিবীটা সেদিন মানুষের হতো যদি প্রতিটা মানুষ মানুষ হতো/ পৃথিবীটা সেদিন মানুষের হতো যদি পৃথিবীতে কোনো সংঘাত না হতো।”তিনি তার সর্বশেষ কবিতার বইয়ে ব্যতিক্রমধর্মী ভাবনায় কিছু কবিতা লিখেছেন যা পাঠকের কাছে খুব হৃদয়স্পর্শী মনে হবে। তিনি আমার এখন খুব ভয় করে কবিতায় লিখেছেন,”এখন আমার পোশাকধারী দেখলেই ভয় করে/সাদা পোশাকধারী দেখলেও ভয় করে/সামরিকবাহিনীকে দেখলে তো ভয়ে তটস্থ থাকি/ এখন ভয় করে আমার প্রাক্তন প্রেমিকাকে দেখলেও।”মূলত তিনি ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের করুণ আর্তনাদ, অগণিত তরুণ যুবার আত্মাহুতির কথা সুকৌশলে তুলে ধরেছেন। এই সুগভীর চিন্তা ও দর্শন যে কাউকে মর্মাঘাত করার পাশাপাশি ঘুমন্ত বিবেক জাগ্রত করবে।এই গ্রন্থের, আমাকে পড়তে চাইলে,অনুকাব্যে তিনি লিখেছেন, ” দূর থেকেও পড়তে চাইলে পড়তে পারো আমায়/ চোখের তারা বলে দিবে কতটুকু ভালোবাসি তোমায়।”তিনি হয়তো তার সমগ্র দেহের আয়না হিসেবে চোখের তারাকে বুজিয়েছেন। হয়তো তার চোখের চাহনিযুক্ত তারা অনায়াসে বলে দিতে সক্ষম কবির ভালোবাসা কেমন সুগভীর। কবিকে দেখতে চাইলে হয়তো তার চোখের তারায় তাকিয়ে বলতে পারব।কতটুকু ভালোবাসেন তিনি মানুষ ও জগত।পৃথিবীর মানুষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে মানুষকে সংশোধিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কবি। যদি মানুষের পৃথিবী হয় তাহলে এত হানাহানি সংঘাত খুনখারাবি কেনো? পৃথিবীর আর সৃষ্টিরাজি তো মানুষের মতো এত হানাহানি করে না, মানুষ কেনো সৃষ্টির সেরা হয়ে এত রাহাজানি করছে। তাহলে আর শ্রেষ্ঠত্বর মূল্য কী? কবি চান মানুষের হৃদয় জাগুক। মানবতার সেবায় মানুষ এগিয়ে আসুক।তবেই পৃথিবীটা শান্তির হবে। পরিশেষে বলা যায়, কবি হোসাইন মোহাম্মদ দিদার একজন খ্যাতিমান কবি হিসেবে সমাদৃত হবেন। তার কবিতা ফুলের ঘ্রাণের মতো চৌদিকে ম ম করে সুগন্ধি ছড়িয়ে দিবে গোটা দুনিয়া জুড়ে।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল

হেমন্তের হিমেল হাওয়া আর শীতের আমেজ পেরিয়ে প্রকৃতিতে এখন কাঠফাটা রোদ আর তীব্র গরম। গ্রীষ্মকাল মানেই অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ঘাম, আর বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য। এই সময়ে আমাদের ত্বকের ওপর দিয়ে সবচেয়ে বড় ঝড়ঝাপটা যায়। অতিরিক্ত ঘামের কারণে পোরস বা রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্রণ, সানবার্ন (রোদে পোড়া দাগ), এবং ত্বক কালচে হয়ে যাওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়।

গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমেও কীভাবে আপনার ত্বকের সতেজতা ও লাবণ্য ধরে রাখবেন, তা নিয়েই আজকের এই বিস্তারিত গাইড। কিছু সহজ কিন্তু কার্যকরী নিয়ম মেনে চললেই এই গরমেও আপনার ত্বক থাকবে চনমনে ও দীপ্তিময়।


১. সঠিক ফেসওয়াশ নির্বাচন ও নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা

গ্রীষ্মকালে ত্বকে অতিরিক্ত সেবাম বা তেল উৎপাদিত হয়। এর সাথে বাইরের ধুলোবালি মিশে ত্বক দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। তাই দিনে অন্তত দুইবার (সকালে ও রাতে) ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে হবে।

  • তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) বা টি-ট্রি অয়েল যুক্ত ফোমিং ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করবে।

  • শুষ্ক ত্বকের জন্য: ক্রিমি বা হাইড্রেটিং ফেসওয়াশ বেছে নিন, যা ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি এর স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখবে।

বিশেষ টিপস: অতিরিক্ত গরম লাগছে বলে বারবার ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে উল্টো আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে পারে। প্রয়োজনে শুধু ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন।

২. সানস্ক্রিন: গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার

রোদ থেকে ত্বককে বাঁচাতে সানস্ক্রিনের কোনো বিকল্প নেই। মেঘলা দিন হোক বা ঘরের ভেতর, সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি (UV) রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করেই চলে। সানস্ক্রিন না লাগালে অসময়ে ত্বকে বলিরেখা, মেছতা এবং কালচে ছোপ পড়তে পারে।

  • সবসময় অন্তত SPF ৩০ থেকে ৫০ এবং PA+++ যুক্ত ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

  • রোদে বের হওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগান।

  • যারা দীর্ঘসময় বাইরে থাকেন, তারা প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পর পর পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৩. লাইটওয়েট বা জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার

অনেকেরই ধারণা, গরমে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। গরমে ত্বক থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়, যা পূরণ করতে ময়েশ্চারাইজার জরুরি। তবে শীতকালের মতো ভারী ক্রিম ব্যবহার না করে গ্রীষ্মে ওয়াটার-বেসড (Water-based) বা জেল ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এগুলো ত্বকে দ্রুত শোষিত হয় এবং কোনো চটচটে ভাব তৈরি করে না।


আরো পড়ুন: বাংলাদেশের ফলের দাম

৪. ঘরোয়া প্যাক দিয়ে ত্বকের পরিচর্যা

সপ্তাহে ১-২ দিন ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক সতেজতা এনে দেয়।

ত্বকের ধরন কার্যকরী ঘরোয়া প্যাক উপকারিতা
তৈলাক্ত ত্বক মুলতানি মাটি + গোলাপ জল অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং রোমকূপ সংকুচিত করে।
শুষ্ক ত্বক টকদই + মধু + সামান্য হলুদ ত্বক নরম করে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখে।
সব ধরনের ত্বক অ্যালোভেরা জেল + শসার রস রোদে পোড়া ভাব (Sunburn) কমায় ও ত্বক ঠান্ডা রাখে।

৫. টোনারের জাদুকরী ব্যবহার

গ্রীষ্মের গরমে পোরস বা রোমকূপগুলো বড় হয়ে যায়। একটি ভালো অ্যালকোহল-মুক্ত টোনার পোরস সংকুচিত করতে এবং ত্বকের pH লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে খাঁটি গোলাপ জল স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। বাইরে থেকে ফিরে এই ঠান্ডা গোলাপ জলের ঝাপটা ত্বকে দিলে নিমেষেই ক্লান্তি দূর হবে।

৬. স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েশন

ত্বকের ওপর জমে থাকা মৃত কোষ এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করতে স্ক্রাবিং করা জরুরি। তবে গরমে ত্বক এমনিতেই সংবেদনশীল থাকে, তাই সপ্তাহে ১ বা ২ বারের বেশি স্ক্রাব করবেন না। মৃদু বা জেন্টল কোনো স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ওটমিল এবং টকদই মিশিয়ে ঘরেই চমৎকার প্রাকৃতিক স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন।

৭. মেকআপ হোক হালকা

গ্রীষ্মের গরমে ভারী মেকআপ এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন বা কনসিলার ঘামের সাথে মিশে পোরস বন্ধ করে দেয়, যা থেকে পরে ব্রণ হয়। এই সময়ে ম্যাট ফিনিশ লুক বেছে নিন। ফাউন্ডেশনের বদলে বিবি (BB) ক্রিম বা সিসি (CC) ক্রিম এবং লুজ পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। মেকআপের শুরুতে একটি ভালো প্রাইমার ব্যবহার করলে মেকআপ সহজে গলে যাবে না।


৮. ভেতর থেকে ত্বকের যত্ন (খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল)

বাইরের যত্নের পাশাপাশি ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখাটা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

  • পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস (২.৫ থেকে ৩ লিটার) পানি পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করে।

  • খাদ্যাভ্যাসে বদল: তরমুজ, শসা, বাঙি, আনারসের মতো পানিজাতীয় ফল বেশি করে খান। এগুলো শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

  • ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন। এগুলো ত্বকে ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে ডাবের পানি বা লেবুর শরবত খেতে পারেন।

৯. চোখ ও ঠোঁটের বিশেষ যত্ন

মুখের ত্বকের পাশাপাশি চোখ ও ঠোঁটের চামড়াও অনেক পাতলা হয়, তাই এগুলোর যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

  • বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ইউভি প্রটেক্টিভ সানগ্লাস এবং ছাতা ব্যবহার করুন।

  • ঠোঁট ফেটে যাওয়া বা কালো হওয়া রোধ করতে SPF যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন।


এক নজরে গ্রীষ্মকালীন স্কিনকেয়ার রুটিন (Routine)

১. সকাল: জেন্টল ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজার $\rightarrow$ সানস্ক্রিন।

২. রাত: ডাবল ক্লিনজিং (মেকআপ/সানস্ক্রিন তোলার জন্য) $\rightarrow$ ফেসওয়াশ $\rightarrow$ টোনার $\rightarrow$ নাইট ক্রিম বা সিরাম।

শেষ কথা

গ্রীষ্মের তপ্ত দিনগুলোতে ত্বকের বাড়তি একটু যত্ন আপনাকে দিতে পারে দাগহীন, সতেজ ও প্রাণবন্ত ত্বক। স্কিনকেয়ারের মূল চাবিকাঠি হলো ধারাবাহিকতা বা রেগুলারিটি। একদিন খুব যত্ন নিলেন আর পাঁচদিন ভুলে গেলেন—এমনটা করলে চলবে না। তাই নিয়মগুলো আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করুন এবং সুস্থ, সুন্দর ত্বক নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপভোগ করুন এই গ্রীষ্মকাল!

ত্যাগ: ত্বকের যত্ন, শীতে ত্বকের যত্ন,  ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে, গরমে ত্বকের যত্ন,  গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন। গ্রীষ্মকালে ত্বকের যত্ন, রোদে ত্বকের যত্ন

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর

বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতিদিনের বাজারে ফলের দামের পরিবর্তন ঘটে চাহিদা, মৌসুম ও আমদানির ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালে দেশি ও বিদেশি ফলের বাজারে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে গরম মৌসুমে তরমুজ, আম ও লিচুর চাহিদা বাড়লেও শীতকালে আপেল, কমলা ও আঙুরের বাজার বেশি সক্রিয় থাকে। যারা প্রতিদিন বাজার করেন অথবা ফলের ব্যবসা করেন, তাদের জন্য আজকের ফলের দাম জানা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের আজকের ফলের দাম ২০২৬ জানুন। আপেল, কমলা, আম, কলা, তরমুজসহ ১৫টি জনপ্রিয় ফলের সর্বশেষ বাজারদর ও বিস্তারিত তথ্য।

বাংলাদেশের ১৫টি ফলের দাম ২০২৬

১. আপেল

বর্তমানে বাংলাদেশে আমদানি করা আপেলের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। নিউজিল্যান্ড ও চায়না আপেলের চাহিদা বেশি।

২. কমলা

কমলার দাম প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা। রমজান ও শীত মৌসুমে এর চাহিদা বাড়ে।

৩. আঙুর

সবুজ ও কালো আঙুরের দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

৪. কলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল কলা। প্রতি ডজন কলা ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

৫. আম

মৌসুমভেদে আমের দাম পরিবর্তন হয়। ২০২৬ সালে প্রতি কেজি আম ১২০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

৬. লিচু

প্রতি ১০০ লিচুর দাম ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বোম্বাই ও মাদ্রাজি লিচুর চাহিদা বেশি।

৭. তরমুজ

গরম মৌসুমে তরমুজের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

৮. বাঙ্গি

বাঙ্গির দাম প্রতি পিস ৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

৯. পেয়ারা

দেশি পেয়ারা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১২০ টাকায় পাওয়া যায়।

১০. পেঁপে

কাঁচা ও পাকা পেঁপের দাম প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৯০ টাকা।

১১. ডালিম

ডালিম বা বেদানার দাম প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত।

১২. মাল্টা

মাল্টা প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

১৩. আনারস

প্রতি পিস আনারস ১০০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া যায়।

১৪. কাঁঠাল

মৌসুমে বড় কাঁঠালের দাম ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

১৫. জাম

কালোজাম ও দেশি জাম প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরো পড়ুন: গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

ফলের দাম বাড়ার কারণ

বাংলাদেশে ফলের দাম বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। যেমন:

  • আমদানি খরচ বৃদ্ধি
  • পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি
  • মৌসুমি সংকট
  • অতিরিক্ত চাহিদা
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয়ভাবে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে বাজারে দামের চাপ কমানো সম্ভব হবে।

কোথায় কম দামে ফল পাওয়া যায়?

ঢাকার কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজার ও বিভিন্ন পাইকারি মার্কেটে তুলনামূলক কম দামে ফল পাওয়া যায়। এছাড়া বর্তমানে অনলাইন গ্রোসারি শপেও ফল কেনার সুযোগ রয়েছে।

উপসংহার

২০২৬ সালে বাংলাদেশের ফলের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। প্রতিদিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী দামের পরিবর্তন হতে পারে। তাই ফল কেনার আগে স্থানীয় বাজার যাচাই করা ভালো। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

ত্যাগ: বাংলাদেশের ফলের দাম ২০২৬, আজকের ফলের বাজারদর, আপেলের দাম, আমের দাম, কলার দাম, ফলের মূল্য তালিকা, fruit price in Bangladesh 2026, বাংলাদেশের বাজারদর, ফলের দাম, বাংলাদেশের বাজারদর, আজকের ফলের দাম, ফল ২০২৬, FruitPriceBD, বাংলাদেশ_

নিউজ, বাজার আপডেট

গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে অভিযোগ।

দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্র থেকে জানা যায় ফয়সাল হালিম ঠিকাদারদের প্রায় প্রতিটি ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য দশ শতাংশ (১০%) কমিশন নিয়ে থাকেন।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে চেয়ারম্যান নিকট দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে এপিপি বরাদ্দের ১১০টি দরপত্র নিয়ম অনুযায়ী এলটিএম পদ্ধতিতে আহবান করেছেন ফয়সাল হালিম।

কিন্তু তিনি তার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রতিটি দরপত্রে সন্ডিকেট করে তিন থেকে চার চারজনকে দরপত্রে অংশগ্রহণ করিয়েছেন যাতে তাকে কমিশন দেওয়া সকল ঠিকাদারই কাজ পায়। এই কৌশলের জন্য ফয়সাল হালিম দর শতাংশ কমিশনও নিয়েছেন সেসব ঠিকাদারের কাছ থেকে। এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অন্যান্য সকল বিভাগের এলটিএম পদ্ধতিতে আহবানকৃত সকল দরপত্রে ১০০ জনের অধিক ঠিকাদার অংশগ্রহন করেছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী ফয়সাল হালিম তাকে কমিশন দেওয়া ঠিকাদারের বাইরে অন্য ঠিকাদারদের দরপত্রে অংশগ্রগণ করার জন্য নিরুৎসাহিত করেছেন তাদের ফাইলে স্বাক্ষর না করার ভয় দেখিয়ে।

এছাড়া অভিযোগপত্রে আরো জানা যায়, আজিমপুর কলোনির নতুন ভবন নির্মান প্রকল্পের আওতায় পুরাতন ভবনের সার্ভে রিপোর্ট করছেন ফয়সাল হালিম। এই সার্ভে রিপোর্টের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে সরকারি রাজস্বে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি হাতিয়ে নিয়ে নিলাম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগপত্রে আরো দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে RFQ-এর মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা ও ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২০ লাখ টাকা মোট ৪০ লাখ টাকা RFQ এর মাধ্যমে ফয়সাল হালিম অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া ফয়সাল হালিমকে শেখ রেহানার গুলশানের বাড়ি ডিজাইনার হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিদেশে গমন শেষে ভোল পাল্টিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে মব সৃষ্টি করার মতো গুরুত্বত অভিযোগও রয়েছে ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়গুলো নিয়ে গণপূর্ত আজিমপুর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো প্রতিউত্তর দেননি।

গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন