খুঁজুন
, ,

মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি সহ নানান অভিযোগ!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি সহ নানান অভিযোগ!

 

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এলাহাবাদ ডি জে এস দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা অলিউর রহমান চৌধুরির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, পরীক্ষার হলে নকল সরবরাহ ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, অলিউর রহমান চৌধুরি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হলেও ২০১৬ সালের অক্টোবরে এলাহাবাদ ডি জে এস দাখিল মাদ্রাসায় সুপার পদে যোগদানের পর বুনে গেছেন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসা ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করে নিজ এলাকায় নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন একাধিক মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মালিক হয়েছেন নগদ অর্থ সহ কুমিল্লা শহরে একটি বিলাসবহুল বাড়ির।

 

শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার সুপার হয়েও আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের তাবেদারি করেছেন এই মাওলানা অলিউর রহমান চৌধুরি। গেলো আট বছর ধরে মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিল সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের দাওয়াত করে প্রতিষ্ঠানের নামে সংগ্রহ করেছেন লাখ লাখ টাকা। তবে সেসব টাকার হিসাব কখনোই পায়নি প্রতিষ্ঠান। নানান অজুহাতে, বিভিন্ন কাজের ভুয়া প্রমাণে নিজেই হাতিয়ে নিয়েছেন সেসব টাকা। বাংলাদেশ জমিয়তে আহলে হাদিসের কুমিল্লা জেলা সেক্রেটারি পদবী লাগিয়ে সংগঠনের নামেও কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

এদিকে গেলো ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। তারপরও অজানা শক্তির জোড়ে বহালতবিয়তে এলাহাবাদ ডি জে এস দাখিল মাদ্রাসার কমিটি। অভিযোগ রয়েছে, রাতের আধারে ছক কষে করা হতো প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন। অভিভাবক ভোটে অভিভাবকদের মধ্যথেকে ম্যানেজিং কমিটি করার কথা থাকলেও নিজ স্বার্থ হাসিলে ব্যাক্তিগত লোকদের বানানো হয়ে ছিলো কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি। যাদের কোনো সন্তান ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী নন। কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারির সাথে ভাগাভাগি করে তবেই অর্থ আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে অলিউর রহমানের বিরুদ্ধে।

 

এছাড়া মাদ্রাসায় বিভিন্ন পরিক্ষার নাম করে অতিরিক্ত ফি আদায়, সেন্টার পরিক্ষায় নকল সরবরাহ করতেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতো মোটা অংকের নগদ অর্থ। তবে হতাশার বিষয় হলো, গত আট বছর টাকার বিনিময়ে কেনা নকল দিয়ে একটিও জিপিএ ৫ আনতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বরং অনেক শিক্ষার্থী ফেল করেছে দিনের পর দিন। ধামতী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের সাথে রাফাদফা করেই হতো সেসব নকল সরবরাহ।

 

২০১৬ সালে মাদ্রাসায় যোগদানের পর রাস্তার পাশের এবং মাদ্রাসা মাঠের বড় বড় গাছ কেটে পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। লাখ লাখ টাকা উন্নয়নের খাতে ব্যয় দেখানো হলেও একটুকু সংস্কার কিংবা উন্নয়নের ছুঁয়া লাগেনি প্রতিষ্ঠানে। যার প্রমাণ মিলেছে মাদ্রাসার অর্ধভাঙ্গা বাউন্ডারি দেয়াল আর জড়াজির্ণ গেইটে।

 

এদিকে সরকারি নিয়মানুসারে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম চলমান থাকার কথা থাকলেও ওই আইন ভঙ্গ করেছেন সুপার অলিউর রহমান। নিজের করা নতুন নিয়মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে মাদ্রাসার পাঠদান কার্যক্রম। সপ্তাহে একদিন মাদ্রাসায় উপস্থিত হলেও অটো সাইনে হাজিরা নেন প্রতিদিনই। সরকারি কোনো জরিপ হলে নীল খামের চালানে সব কিছুই স্বাভাবিক থাকতে দেখা যায়। উপস্থিতির দিন শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক সব হিসাব-নিকাশ বুঝে নিতে ভুল করেন না তিনি। এছাড়া কখনো কখনো অভিভাকরা প্রতিবাদ করতে চাইলে সন্তানকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে থামিয়ে দেন ওই মাদ্রাসা সুপার।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী ও অভিভাবক জানান, ২০১৬ সালের অক্টোবরে মাওলানা অলিউর রহমানকে মাদ্রাসা সুপার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারপর নিজের লোকজন দিয়ে ম্যানেজিংক কমিটি করে এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মাদ্রাসা ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ, লেখাপড়ায় অনিয়ম সহ নানান দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরেন তিনি। বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সাথে ওঠাবসা আর সম্পর্ক থাকার ফলে এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যন্ত করার সাহস পায় না। আমরা বর্তমান অর্ন্তভর্তিকালীন সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি, এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে অতি শিগগিরই দুর্নীতিবাজ মাদ্রাসা সুপার অলিউর রহমানকে অব্যাহতি দিয়ে তার সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে যেন সুষ্ঠ তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

 

অভিযোগের বিষয়ে এলাহাবাদ ডি জে এস দাখিল মাদ্রাসার সুপার অলিউর রহমান চৌধুরীর সাথে কথা বলতে তার ব্যবহৃত ০১৭*৪-৭**১*৬ (ব্যাক্তিক গোপনীতা বজায় রাখতে কিছু সংখ্যায় স্টার ব্যবহার করা হয়েছে) নাম্বারে একাধিকবার ফোন দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ