খুঁজুন
, ,

বায়োফার্মার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: লকিয়তুল্লাহ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বায়োফার্মার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: লকিয়তুল্লাহ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি:

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বায়োফার্মা লিমিটেড-কে ঘিরে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে উচ্চ আদালতের নির্দেশ বহাল থাকার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়তুল্লাহ এখনো আইনের আওতার বাইরে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

গত বছর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী-এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া অনুসন্ধান আদেশ বহাল রাখেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়ে আদালত স্পষ্ট করেন, অভিযোগ অনুসন্ধানে কোনো স্থগিতাদেশ নেই। ফলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার আইনি বাধা ছিল না।

কী ছিল আদালতের নির্দেশ:

‘দেশে দেশে পাচার বায়োফার্মার টাকা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন।

অভিযোগ অনুসন্ধান করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে দুদক চেয়ারম্যান ও এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব, অর্থসচিব, বিএফআইইউ ও কোম্পানির চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়।

আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখার পরও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র আরো বলেন এই তদন্তকার্য থামিয়ে রাখতে কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে বায় ফার্মার সঙ্গে।

৫০০ কোটির অনিয়মের অভিযোগ:

কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পাঁচটি তদন্ত কমিটির ৪০৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার অনিয়ম, আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, সহযোগী ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

‘বায়োফার্মা ফাউন্ডেশন’ ও ‘গোল্ড ট্রেডিং কোম্পানি’সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত হয়।

শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ, ২২ বছরেও লভ্যাংশ বিতরণ হয়নি। প্রায় ১৫ বছর নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা হয়নি। বিক্রির পরিমাণ কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও রয়েছে। অথচ একই সময়ে পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্যের বিদেশে সম্পদ সঞ্চয়ের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নেতৃত্বের গঠন ও বিতর্ক:

১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে নতুন মালিকানায় যায়। পরে এটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয়। সাবেক চেয়ারম্যান এন এ কামরুল হাসান বিদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন নাছিমা বেগম ঝুমুর। ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ারুল আজিম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. মিজানুর রহমান দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, কাগজে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেও ডা. লকিয়তুল্লাহ কার্যত প্রতিষ্ঠানের মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ছিলেন। আর্থিক লেনদেন, বিনিয়োগ, সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার একচ্ছত্র প্রভাব ছিল।

হত্যা মামলায় নতুন মাত্রা:

কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান ডা. সওকাত আলী লস্করের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হত্যা মামলা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তার পরিবার অভিযোগ করেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে শুরু করলে তিনি হুমকি পেতে থাকেন। পরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে ডা. লকিয়তুল্লাহকে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ারুল আজিমসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। তবে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট মহল অপেক্ষায় আছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

তদন্তে ধীরগতি কেন:

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক নথি যাচাই, ব্যাংক লেনদেন ও বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অগ্রগতি জানানো হয়নি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ আদালতের নির্দেশ বহাল থাকার পর তদন্তে দৃশ্যমান গতি প্রত্যাশিত ছিল।

এদিকে বাজারে এক সময়ের প্রভাবশালী এই কোম্পানির উৎপাদন ও সুনাম দুইই কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। কর্মচারীদের একটি অংশ অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। শেয়ারহোল্ডারদের আশঙ্কা, দ্রুত আইনি পদক্ষেপ না হলে প্রতিষ্ঠানটি আরও গভীর সংকটে পড়বে।

সব মিলিয়ে আদালতের নির্দেশ বহাল, অভ্যন্তরীণ তদন্তে বিপুল অর্থ অনিয়মের চিত্র এবং হত্যা মামলার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও মূল অভিযুক্তদের অবস্থান ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর স্পষ্ট পদক্ষেপই পারে এই দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটাতে।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ