খুঁজুন
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ

দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

খান ট্রেডার্স, খান বিল্ডার্স, রাতুল এন্টারপ্রাইজ ও ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটারকে নিয়ে গঠন করেছেন ঠিকাদারি সিন্ডিকেট। অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মানিক লাল দাসের বিরুদ্ধে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মানিক লাল দাস ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাপন অমান্য করে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ভোলা গণপূর্ত বিভাগের ৮০% ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের অনুমতি প্রদান করে কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর পরিচয়ে আওয়ামী সরকারের শেষ সময়ে গোটা দক্ষিণাঞ্চল দাবড়িয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। হাসনাতের প্রভাবে বরিশাল গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসা, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নির্মাণ মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দের মোটা অংকের অর্থ প্রতিবছর লোপাট করে আসছেন তিনি।

অবৈধ উপায়ে আয়কৃত অর্থের একটি অংশ তিনি আ’ লীগের বিতর্কিত একতরফা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ও তার ছেলে সাদিক আবদুল্লাহর মেয়র নির্বাচনী কাজে ব্যয় করেছেন অভিযোগ রয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ভোলা বরিশাল ও পটুয়াখালীতে স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র-জনাতার আন্দোলন দমাতে ফ্যাসিস্ট লীগের মাধ্যমে অনেক টাকা খরচ করেছেন তিনি। এখনো ফ্যাসিস্ট লীগের লোকজনকে কাজ দেয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীদের চাপ দেন।

তার অধীনস্থ বিভাগগুলোতে ঝালকাঠির নাসির খানের মালিকানাধীন খান বিল্ডার্স, ভোলা সদরের ফ্যাসিস্ট লীগের সহ সভাপতি হাসান মিয়ার রাতুল এন্টারপ্রাইজ, ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটার ও বরিশালের কাশিপুরের বাসিন্দা মিজান খানের খান ট্রেডার্স এর মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে সেই টাকা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলে লোক জোগান দিতে ব্যয় করান বলে অভিযোগ উঠেছে। ,প্রত্যেক এক্সেনকে ডিসেম্বরের আগেই এই চার ফার্মের নামে মিনিমাম ৮ টি কাজ দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানাগেছে।

 

মানিক লাল দাস ২০২২ সালে যখন যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তখন মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের দরপত্র সীমিত পদ্ধতিতে আহবান করার কথা থাকলেও তার নির্দেশের কারণে কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগ উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করে মানিক লালের পছন্দের ঠিকাদারদের কে কাজ পাইয়ে দিতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিনিময়ে মানিক লাল দাস মোটা কমিশন হাতিয়ে নেন। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী কৃষি আবহওয়া অফিসের সিভিল স্যানিটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ। তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৫৯৮ তারিখ ২১/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৯২১১। কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় ও পরিদর্শন বাংলোর সিভিল স্যানেটারী মেরামত কাজ।

তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৫৯৭ তারিখ ২১/০৩/২০২২ খ্রিঃ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং- ৬৭৯০১১। কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর বাউন্ডারী ওয়াল, গেট, গার্ডরুম ও বাথরুম সিভিল ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ।

তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৫ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৪৫৩। কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে সিভিল, স্যানেটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৭ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে দরপত্র অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং ৬৭৫৯৭ এবং কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর ছাত্রী হোষ্টেলের ২য় তলায় সিভিল, স্যানেটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করছেন।

 

অন্যদিকে তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৩ তারিখ ০৬/০৩/২০২২খ্রিঃ মাধ্যমে দরপত্র অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৩৬৬। ৬) কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর প্রশাসনিক ভবনের গ্যালারী মেরামত, রুম, জানালা মেরামতসহ বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৬ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন ও উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৪১৫। এই সকল মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের দৃষ্টি গোচর হতে পারে বলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।

মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ সীমিত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করার কথা থাকলেও উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের নির্দেশনা সম্বলিত পত্র ও প্রাক্কলন অনুমোদন দেন যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস।

২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রধান প্রকৌশলীর জুলাই মাসের অফিস আদেশ অমান্য করে এক দিনের নোটিশে দরপত্র ওপেনিং দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেয়ার জন্য ততকালীন কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম কে জোর জবরদস্তি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিধি বহির্ভুতভাবে সময় বর্ধন অনুমতি দিয়েছেন যেটা দিতে পারবেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান প্রকৌশলী করবেন অনুমোদন সেটা নিজেই অনুমোদন দিয়েছেন। ঝিনাইদহ পাসপোর্ট অফিস, কুষ্টিয়া সাংবাদিক কাঙাল হরিনাথ স্মৃথি মিউজিয়াম, মাগুরা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান প্রকল্প ও শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি সম্প্রসারিত উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন অঙ্গের এছাড়া যশোর সার্কেলের সকল ডিভিশনের নিয়ম বহির্ভূতভাবে সময় বর্ধন, ভেরিয়েশন ও প্রাক্কলন অনুমোদন দিয়েছেন।

এছাড়া কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প এর কাজের সময়েও এই মানিক লাল দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিলো যে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত কাজের সাথে থাকলেও তিনি সাইট পরিদর্শনে আসেন না বললেই চলে।

সারাদিন অফিসে বসে বসে ঠিকাদারদের অপেক্ষায় থাকেন কখন কোন ঠিকাদার অফিসে এসে তার কমিশন দিয়ে যাবে। এসময় ভবন নির্মাণ কাজের অবহেলায় ছাদ ধসের ঘটনায় অনেকের শাস্তি হলেও তিনি থেকে যান ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

 

এছাড়া, সে সময় অন্য ঠিকাদারদের যেখানে কাজের মেয়াদ শেষ, সেখানে ঠিকাদার জহুরুল ইসলামের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ২০২২ সাল পর্যন্ত। অথচ এই জহুরুলের নির্মাণাধীন কাজের অংশেই ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি হাসপাতাল ভবনের গাড়ি বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। পরে এ প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী, এসডি, এসওসহ চারজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার এবং দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও দায়িত্বে অবহেলা ও সাইট পরিদর্শনে অলসতার অভিযোগ যেই মানিক লালের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

 

মানিক লাল দাস ভোলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালীন ২০১৪ সালের নির্বাচনকালীন সরকারের ৩ মাসের তোফায়েল আহমেদের গণপূর্ত মন্ত্রী থাকাকালীন ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর ভোলার সাবেক চালচোর চেয়ারম্যান হাসান মিয়া ও তার ভাই হোসেন মিয়ার প্রভাবে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ -১ পদায়ন পেয়েছিলেন।

তিনি ঢাকার একটি ডিভিশন ঠিকমতো চালাতে পারেন নি। তাই সে সময় তাকে দীর্ঘ দিন ফরিদপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাখা হয়। পরে পদোন্নতি পেয়ে যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। যশোর গণপূর্ত সার্কেলের আওতাধীন ঝিনাইদহ, মেহেরপুর , যশোর, কুষ্টিয়া, নড়াইল ও মাগুরা গণপূর্ত বিভাগের ৮০% ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান অনুমতি দিয়ে তিনি কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানাগেছে।

গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

 

এই মুহুর্তে সরকারের বড়ো চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি রোধ। কিন্তু শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনামলে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর গুলোতে এখনো বসে আছেন বহু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা।

সওজের রাঘব বোয়ালেরা অধিকাংশই গণভবনের নাম ব্যবহার করতেন। এখন ভোল পালটিয়েছেন দুর্নীতিবাজরা। তাদের সাথে কথা বললে মনে হয় যেন, তারাই আওয়ামীলীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছেন।

 

ঘাপটি মেরে থাকা দুর্নীতিবাজরা তাদের স্বভাব পরিবর্তন করতে না পারলেও রাতারাতি ভোল পালটিয়েছেন। স্ব-স্ব চেয়ারে আছেন বহাল তবিয়তে। চিহ্নিত এসব দুর্নীতি পরায়ন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রয়েছে পাহাড় সমপরিমাণ অভিযোগ। তারপরও তাদের টনক নড়েনি। এখন আবার নতুন করে লেবাস বদলের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। তাদেরই একজন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী।

 

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে শেখ পরিবারের প্রতি নতজানু ছিলেন সড়ক ও জনপদ অধিদফতরের ময়মনসিংহ সার্কেলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী। তিনি ঘুষ-দুর্নীতিতে ছিলেন বেপরোয়া। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব তহবিলে শওকত আলী মাসিক টাকা পাঠাতেন। যা ছিলো ওপেন সিক্রেট।

গণভবনে শওকত আলীর ছিলোঅবাধ বিচরণ। এই অসাধু ব্যক্তি শুধু গণভবনকে ব্যবহার করে সওজে বিস্তার করেছেন একক আধিপত্য। তার অবৈধ টাকা উপার্জনের সবচেয়ে বড়ো হাতিয়ার ছিলো গণভবন। নিজ এলাকাতেও তার এই প্রভাব বিস্তারের কথা বলে বেড়াতেন। শওকত আলীর প্রভাব এবং ক্ষমতার দাপট সেই আগের মতোই রয়েগেছে।

গ্যাংস্টার হিসেবে খ্যাত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী নামে-বেনামে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। বেশির ভাগ সম্পদ করেছেন বড়ো ভাই যুবায়দুল ইসলামের নামে। বড়ো ভাই যুবায়দুল ইসলামের পুরবী ট্রেডার্স নামে বরিশালে একটি মিক্সার প্লান্ট আছে। এই প্রতিষ্ঠানকে সামনে রেখে যতসব ধান্দাবাজি করেন শওকত আলী। বড়ো ভাই যুবায়দুল ইসলামের আয়ের উৎস কি তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন বিজ্ঞমহল। সওজ কর্তৃপক্ষও জানতে চান শওকত আলীর গোপন রহস্যের গণ্ডি কোথায়?

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানার চর বয়ড়া ধানপটিঁ বাজার গ্রামের স্কুল শিক্ষক আলহাজ্ব এম.এ সাত্তার এর ছেলে শওকত আলী। তিনি সওজে চাকরি নেয়ার পর থেকেই ছোট-খাটো ঘুষ বাণিজ্য’র সাথে জড়িয়ে পড়েন। কিভাবে এলাকায় সবচেয়ে ধনী মানুষের তালিকায় নাম লেখাবেন সে চিন্তায় মগ্ন ছিলেন সব সময়। তার এই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। জামালপুর জেলা সদর থেকে শুরু করে সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামের মানুষের কাছে প্রথম শ্রেণীর ধনী মানুষ হিসেবে পরিচিত।

কিন্তু কিভাবে শত শত কোটি টাকার মালিক হলেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী তা অনেক টাই অজানা। তবে গোবরে পদ্ম ফুলের মতো ঘটেছে শওকত আলীর জীবন কাহিনী। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য হচ্ছে। তিনি সওজে চাকরি করেই শিল্পপতি হয়েছেন। তবে এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে ঘুষের টাকায়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তিনি বেসামাল হয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা মির্জা আজম এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে একের পর এক পদোন্নতি পান শওকত আলী।

সৌভাগ্যবান এই ব্যক্তি দু’হাতে ঘুষ বাণিজ্য করে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। এজন্য তিনি সব সময় সামলিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা ও প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থদের। নিজের জন্য করেননি এমন কিছু তার বাকি নেই। মুখে যথেষ্ট মজাদার এই কর্মকর্তার ম্যানেজিং পাওয়ার দুর্দান্ত। ভবিষ্যতে এমপি হবার জন্য এলাকায় সমাজ সেবামূলক কিছু কাজের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় নিজের এবং পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন শওকত আলী।

গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালানোর পর শওকত সিন্ডিকেট কিছুটা নিশ্চুপ মেরে ছিলেন। কিন্তু এক মাসের মাথায় আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। নিজের ধন-সম্পদ এবং ক্যারিয়ার ধরে রাখতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি নেতাদের বাসা-বাড়িতে। কোটি কোটি টাকার বাজেট নিয়েই বিএনপিতে ভিড়তে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সফল হলে চাকরী থেকে অবসর নিয়ে আগামী নির্বাচনে বিএনপির পতাকায় জাতীয় সংসদে প্রার্থী হবেন শওকত আলী। এমনটাই গুঞ্জন শোনা গেছে শওকত আলীর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে।

এক অনুসন্ধানে জানা যায়, রাস্তাঘাট, ফ্লাইওভার, ব্রীজ, কালভার্ড, ঘুপচি টেন্ডার, ঘুপচি বিল ভাউচার, আউট সোর্সিং জনবল নিয়োগ, বদলি, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বড়ো সব টেন্ডার বাণিজ্য’র মূল হোতা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী। এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে তিনি কমিশন বাণিজ্য বা ঘুষ বাণিজ্য করেননি। তার মনোনীত ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়া ও বেনামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন । তিনি ঘুপচি টেন্ডার ও ঘুপচি বিল ভাউচারে অনেক পারদর্শী।

 

একই অভিযোগ সওজ এর প্রধান প্রকৌশলী থেকে শুরু করে নির্বাহী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে। তারা অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং শত শত কোটি টাকা আত্নসাত করেও বহাল তবিয়তে আছেন। অন্তবর্তী সরকার শওকত সিন্ডিকেটের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে এখনো কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। শুধু মাত্র বিভিন্ন ডিভিশনে চলছে বদলী ও পদোন্নতি।

অনুসন্ধানে আরো দেখা গেছে, সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী নিজের নামে, বউয়ের নামে, শাশুড়ীর নামে এবং ভাইদের নামে শত কোটি টাকার সম্পদ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসা এবং ব্যাংক ব্যালেন্স করেছেন। ঢাকার আফতাব নগরের ডি ব্লকে ১১ নাম্বারে দশ তলা বিশিষ্ট আলিশান বাড়িতে রাজকীয় জীবন-যাপন করছেন সপরিবারে ।

তাছাড়া আফতাবনগরের ১ নম্বর এল ব্লকের ০৩/০৫ রোডে ৫ কাঠার একটি প্লট, এল ব্লকের ১ নাম্বার রোডের ২৭ নাম্বার প্লটে ৭ কাঠার উপর বাড়ি, এইচ ব্লকের ২ নম্বর মাদ্রাসা রোডে ১০ কাঠার ১০ কাঠার একটি প্লট, এন ব্লকে দশ কাঠার আরেকটি প্লট, এম ব্লকে ৭ কাঠার আরো একটি প্লট রয়েছে শওকত আলীর। সরিষা বাড়িতে বাবার নামে কোটি কোটি টাকা খরচ করে তিন বিঘা জমির উপরে এম এ সাত্তার আইডিয়াল কলেজ প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

নির্মাণ করেছেন ডুপ্লেক্স বাড়িও। ঢাকার আশিয়ান সিটিতে বিশ কোটি টাকা মুল্যের বিশ কাঠার প্লটও রয়েছে শওকত আলীর। উক্ত প্লটে অবকাঠামো নির্মাণ করে একটি ছাত্রাবাস স্থাপন করেছেন । ময়মনসিংহ শহরেও করেছেন আলীশান বাড়ি। অবৈধভাবে অর্জিত টাকার বড়ো একটি অংশ বিদেশে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে শওকত আলীর বিরুদ্ধে। কথায় কথায় মানুষকে গোয়েন্দা সংস্থায় তার বন্ধুরা চাকরি করে বলে গল্প দিয়ে থাকেন। আবার অনেককে তাদের বরাত দিয়ে ভয়-ভীতিও দেখান।

 

অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে যে, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ময়মনসিংহ বিভাগে নিম্নোক্ত ঠিকাদারের সাথে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক রয়েছে শওকত আলীর। যেমন- টাংগাইল ভুয়াপুর তারাকান্দি রোডে ১৮০ কোটি টাকার কাজে সমপরিমান অংশীদার জনি এবং যুবায়দুল ইসলামের। টাঙ্গাইল ভুয়াপুর তারাকান্দি রোডে আরেকটি কাজে সুমন ও যুবায়দুল ইসলামের অংশীদারত্বও সমপরিমান। এছাড়া টাঙ্গাইল, গোপালপুরে আজিজ, মাসুদ, মনোজ এবং যুবায়দুল ইসলামের পার্টনারশীপ ঠিকাদারি রয়েছে।

এই সিন্ডিকেট অত্র এলাকায় ঠিকাদারি ছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন পদে ছিলেন। ঘাটাইলের পাকুল্লায় ফুট ওভার ব্রীজের কাজ দেয়া হয়েছে ম্যাস এন্টারপ্রাইজকে। এই প্রতিষ্ঠানের মালিক মিঠুর সাথে ঠিকাদারি ব্যবসা আছে যুবায়দুলের। প্রতিটি কাজে শওকত আলী তার বড়ো ভাই যুবায়ইদুল ইসলামের নামে ৫০% (পঞ্চাশ পারসেন্ট) ভাগ নিয়ে ঠিকাদারকে কাজ দিয়ে থাকেন বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর অধীনস্থ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীগণ ঠিকাদারি সিন্ডিকেট এর অধীনে কোন মাল না কিনেই বিল উত্তোলন, ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে প্রত্যেকেই অবৈধ সম্পদ ও শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তাদের সন্তানরা পড়াশোনা করেন দেশের বাইরে। নিজেরা মনোরঞ্জন করতে মাঝেমধ্যেই চলে যান বিভিন্ন দেশে।

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় বসবাস করেন তারা। সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট থেকে কমিশন বাণিজ্য হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের অবৈধ আয়ের মূল উৎস। আর এর নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী।

 

অভিজ্ঞমহলের মতে, আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ( আমলা) থেকে শুরু করে দপ্তর-অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান, ডিজি, প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সহ পিয়ন পর্যন্ত সিন্ডিকেট করে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন। সেক্টর কর্পোরেশন গুলোর রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির আখড়া গড়ে উঠার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের উপর।

অভিযোগের সত্যতা জানতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে তিনি নিজেকে সৎ ও স্বচ্ছ কর্মকর্তা হিসেবে দাবী করেন। ধন সম্পদের মালিকও তিনি নন,সব কিছুই করেছেন তার বড় ভাই জোবায়দুল ইসলাম

দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

রাজউক—যে প্রতিষ্ঠানটির নাম দেশের নাগরিকদের কাছে ছিল একসময় স্বপ্নের আরেক নাম, আজ তা পরিণত হয়েছে দুর্নীতির মহাসিন্ডিকেটে রূপান্তরিত এক ভয়াবহ প্রশাসনিক ‘ডার্ক জোন’-এ। আর এই অন্ধকার সিস্টেমের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন এক ব্যক্তি—পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া—যিনি আজ শুধুই একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, বরং রাজউকের গায়ে শেকড় গেড়ে বসা এক দুর্নীতিচক্রের নির্লজ্জ সম্রাট।

 

তিনি যেন নিজেই প্রতিষ্ঠানের উপরে প্রতিষ্ঠিত এক প্রভু—যার নিয়ন্ত্রণে চলছে গোপন আর্থিক সাম্রাজ্য, যেখানে ব্যতিক্রম নয়—ঘুষের অঙ্ক, ক্ষমতার দম্ভ, অদৃশ্য চুক্তি এবং এক ভয়ংকর আমলাতান্ত্রিক তস্করগোষ্ঠীর স্বাধীন অভিযান।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে রাজউকের মহাখালী জোন আজ কার্যত রূপ নিয়েছে ‘কর্তৃত্ববাদী দুর্নীতির হেডকোয়ার্টার’-এ। এখানে নির্মাণ পরিদর্শকরা আর নির্মাণ আইন প্রয়োগকারী নন—তারা এখন ঘুষ বাণিজ্যের টেকসই ‘ম্যানেজার’। প্রতিটি ফাইল আটকে রাখার পেছনে রয়েছে অর্থবাণিজ্যের হীনচক্র, যা পরিচালকের সরাসরি জ্ঞাতসারে সংঘটিত হচ্ছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। রাজউকের মূলনীতি ও আইনি কাঠামো এখানে শুধুই খোলস—তার আড়ালে গড়ে উঠেছে এক বিস্তৃত প্রশাসনিক ব্ল্যাকমার্কেট।

 

এই সিন্ডিকেটের অন্যতম কুশীলব ছিলেন মো. সোলাইমান হোসেন, যিনি ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে একজন সংবাদকর্মীর উপর প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছেন, শুধু এজন্য নয় যে তিনি সাংবাদিককে অপছন্দ করেন—বরং এটা ছিল পুরো চক্রটির বার্তা, “আমরা অপরাধী, কিন্তু ধরার কেউ নেই!” হামলার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছে, কিন্তু পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এটিকে “তেমন কিছু না” বলে সরাসরি ধামাচাপা দিতে উদ্যত হয়েছেন। যদিও শেষপর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে—এমন স্পষ্ট অপরাধের বিচারহীনতা কি কেবল ঊর্ধ্বতনদের দুর্বলতা, নাকি তা পরিচালকের প্রশাসনিক মদতের প্রতিফলন?

 

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু পেশাগত নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও ভয়াবহভাবে বিতর্কিত। অভিজাত ক্লাব, লাউঞ্জ আর বারগুলোতে তার নিয়মিত আসা-যাওয়া, মদ্যপান, নারীসঙ্গ—এসব নিয়ে প্রশাসনিক মহলে কানাঘুষা বহুদিনের। রাষ্ট্রীয় একজন কর্মকর্তার জীবনে যখন নৈতিকতার এমন দেউলিয়াত্ব আসে, তখন সেটি ব্যক্তিগত সীমা অতিক্রম করে রাষ্ট্রীয় নৈতিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি যেন একজন আধুনিক-কালের দুর্নীতিগ্রস্ত কেলিগুলা, যিনি একাধারে ভোগবিলাস, ক্ষমতা ও ঘৃণ্য প্রশাসনিক দম্ভের প্রতীক।

 

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, তার সময়েই রাজউকের ইতিহাসে সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো—মাত্র এসএসসি পাস আব্দুর রহিমকে প্রধান ইমারত পরিদর্শক হিসেবে! এমন এক পদ যেখানে প্রকৌশল, আইনি ও প্রশাসনিক দক্ষতা অপরিহার্য, সেখানে শুধুমাত্র ‘ঘুষ ক্ষমতা’ দিয়ে একজন শিক্ষাগতভাবে অযোগ্য ব্যক্তি কীভাবে আসীন হন? এ কি কেবল তদবির, না সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার ‘ম্যানেজমেন্ট থিওরি’-র ফল? এই নিয়োগ রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে, এবং জনগণের আস্থাকে পদদলিত করে।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফোন কেটে দেন, মেসেজের উত্তর দেন না, কিংবা রীতিমতো ব্যঙ্গাত্মক আচরণ করেন। অথচ একজন পরিচালকের উচিত ছিল জবাবদিহিমূলক আচরণ। বরং তার আচরণে ফুটে ওঠে একধরনের ঔদ্ধত্য, যা শুধুমাত্র দুর্নীতিগ্রস্ত ‘সুরক্ষিত চক্রের’ মধ্যেই দেখা যায়।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এখন রাজউকের ভেতরে রাষ্ট্রের বাইরে একটা ছোট ‘রিপাবলিক’ তৈরি করেছেন—যেখানে তার নিজের আইন, নিজের বিচার, নিজের শাসন। এই সাম্রাজ্যে প্রবেশ করতে হলে লাগে শুধু দুটি জিনিস—অন্ধ আনুগত্য আর মোটা ঘুষে

চলবে…..

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ