খুঁজুন
, ,

উন্নয়ন থামাতে নয়, প্রশাসনকে কালিমালিপ্ত করতেই এই তৎপরতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
উন্নয়ন থামাতে নয়, প্রশাসনকে কালিমালিপ্ত করতেই এই তৎপরতা

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোয় কিছু কর্মকর্তা আজও রয়েছেন, যাঁরা নিয়মতান্ত্রিকতার নির্যাস রক্ষা করেই গতিশীল প্রশাসনের চাকা সচল রাখতে নিরলস পরিশ্রম করেন। পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক শাহরিয়ার নাজির ঠিক তেমনই এক রাষ্ট্রকর্মচারী, যিনি জনপ্রশাসনের বিবেক, বাস্তবতা এবং জবাবদিহিতার দৃষ্টান্তরূপেই বহাল আছেন।

অথচ সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে যে ‘অনিয়মের’ অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা নিছক তথ্যগত অপব্যাখ্যা ও অপসাংবাদিকতার কুৎসিত কুশলতায় আচ্ছন্ন, যার পেছনে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক বিভাজন, প্রশাসনিক ঈর্ষা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্ররোচনার ছায়া লক্ষণীয়।

 

বলা হয়েছে, পৌর প্রশাসকের কক্ষ ও কনফারেন্স রুমে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল দরপত্র আহ্বানের আগেই। অথচ বিস্ময়ের বিষয় এই যে, প্রাথমিক পর্যায়ে ডিরেক্ট পারচেজ পদ্ধতির আওতায় স্বল্পপরিসরে কাজ শুরুর প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও, পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আওতায় যাওয়ার সুদৃঢ় নির্দেশনা দেন শাহরিয়ার নাজির নিজেই। অর্থাৎ, প্রকল্পের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর কাজ বন্ধ করে দিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটিকে নিয়মতান্ত্রিকতার পথে ফিরিয়ে আনেন তিনি। এ এক অনন্য প্রশাসনিক আত্মনিয়ন্ত্রণ—যা বর্তমান আমলাতান্ত্রিক জগতে এক কথায় বিরল।

 

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী পর্যন্ত স্বীকার করেছেন—দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সিদ্ধান্তেই টেন্ডার প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। এর পরেও যাঁরা দৃষ্টিপাত করছেন ‘অনিয়ম’ নামক শব্দটি দিয়ে, তাঁদের উদ্দেশ্য, প্রণোদনা ও প্রভু-পরিচিতি খতিয়ে দেখা একান্ত প্রয়োজন।

 

অবশ্য অভিযোগকারীদের আরেকটি প্রবল চেষ্টা ছিল বোদা নগরকমারী হাটের ইজারা ঘিরে ‘অনিয়ম’ আখ্যা লাগানো। যেখানে বাস্তবতা হলো—উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অযৌক্তিক প্রলেপ দিয়ে, ব্যক্তিগত বিরোধের প্রতিশোধ নিতে প্রশাসনকে নতজানু করার এহেন প্রয়াস সরাসরি রাষ্ট্রব্যবস্থার সুনিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খলাকে আঘাত করার নামান্তর।

 

সচেতন নাগরিকমাত্রই জানেন, সরকারি প্রকল্পে টেন্ডার ছাড়াও কিছু নির্ধারিত সীমার মধ্যে ডিরেক্ট পারচেজ পদ্ধতিতে কাজ করার বিধান রয়েছে। কাজটি যখন শুরু হয়, তখন ছিল সেটিই প্রস্তাবনা। পরে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সেটি স্থগিত রেখে টেন্ডার প্রক্রিয়ার দিকে অগ্রসর হওয়া—এটি কোনো অনিয়ম নয়, বরং নীতিনিষ্ঠ প্রশাসনিক বিবেকের বলিষ্ঠ উচ্চারণ। একে যদি অনিয়ম বলা হয়, তাহলে সততার সংজ্ঞা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক শুরু করতে হবে।

 

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক নিজেই বলেছেন—সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের আগে অভিযোগের ভিত্তিতে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। অর্থাৎ, সরকারি খাতে কোনো ক্ষতি না করে, একটি দপ্তরের কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়াতে সীমিত আকারে নেয়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যে ‘উচ্চস্বরে অভিযোগ’ তুলে ধরা হচ্ছে, সেটি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্তিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রসূত।

 

আমরা দেখেছি—জনগণের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা কর্মকর্তারা প্রায়শই ষড়যন্ত্রের শিকার হন। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা ছড়িয়ে একটি গোষ্ঠী নিজ স্বার্থসিদ্ধি করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। বোদায়ও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। স্থানীয় রাজনৈতিক মেরুকরণের সুযোগে, স্বচ্ছ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কালিমালিপ্ত করে তোলার যে কুশিল্প চলছে, তা এক ভয়ঙ্কর নজির।

 

এই মুহূর্তে প্রাসঙ্গিক হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন—যদি প্রশাসনের মধ্যে সাহস, সততা ও সময়জ্ঞানই আক্রমণের শিকার হয়, তবে উন্নয়ন কীভাবে অব্যাহত থাকবে? স্থানীয় পর্যায়ের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী যদি একজন নিবেদিতপ্রাণ ইউএনও-কে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যায়, তাহলে রাষ্ট্রযন্ত্রকে কার্যকর রাখার আশাও বিলীন হয়ে যাবে।

 

আমরা মনে করি, বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নাজিরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তসাপেক্ষে মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং এই তরুণ প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাহসিকতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের প্রতি অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হবে—এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ