খুঁজুন
, ,

দুর্নীতির বরপুত্র পিআইও মনিরুজ্জামান এখনো বহাল তবিয়তে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৫১ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
দুর্নীতির বরপুত্র পিআইও মনিরুজ্জামান এখনো বহাল তবিয়তে

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

টিআর, কাবিখা এবং কাবিটা হলো গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের দুটি ভিন্ন কর্মসূচি। এই প্রকল্পগুলি মূলত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, আর এই সুযোগে অনেক উপজেলা পিআইও জড়িয়ে পড়েন ঘুষ দুর্নীতি আত্মসাৎ করে ফেলেন প্রকল্পের অর্থগুলো ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে, রংপুর মিঠাপুকুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতি একাধিক প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে অবৈধ অর্থে বানিয়েছেন সম্পদের পাহাড় কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ কার্যকর হয় না আছেন তিনি বহাল তবিয়তে। মোঃ মনিরুজ্জামান সরকারের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার চিলমরই উপজেলার দরিদ্র কৃষকের সন্তান। তিনি ২০১১ সালের ৭ জুলাই পিআইও (অ্যাডহক) হিসেবে যোগদান করেন ঠাকুরগাঁওর বোদাগঞ্জ উপজেলায়। যোগদানের ছয় মাস পর পূর্ণাঙ্গ পিআইও হন তিনি। এরপর তিনি বদলি হন দিনাজপুর  কাহারোল উপজেলায়।এরপর থেকেই শুরু হয় তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ঘুষ দুর্নীতি আর প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ, রয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি বিশাল অভিযোগের তালিকা: দিনাজপুর কাহারোল উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির ভাগ তৎকালীন এমপি মনোরঞ্জনশীল গোপালকে না দেওয়ার দ্বন্দ্বে তার সুপারিশে বদলি হন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়।একাধিক সূত্রের তথ্যে জানা যায়, ‘২০১৪ থেকে ১৬ সালের দিকে তিনি নবাবগঞ্জ উপজেলায় থাকাকালে ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকার টিআর ও কাবিখার বিশেষ প্রকল্প নিয়ে আসেন। সেই প্রকল্পের কাজ না করে অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করেন। ওই সময়ে বিষয়টি জানাজানি হলে তৎকালীন সময়ে বগুড়ার দুদকের এক কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়, পরে তড়িঘড়ি করে প্রকল্পের কিছু কাজ করেন তিনি। এরপর পিআইও তৎকালীন স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের  ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার মাধ্যমে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন। তিনি ওই সময়ে ডিজির সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে সারা দেশের পিআইওদের বদলিবাণিজ্য করতেন। অভিযোগ আছে এসব করে ওই সময়ে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা আয় করেন মনিরুজ্জামান সরকার।২০২৩-২৪ অর্থবছরে শুকুরেরহাট ডিগ্রি কলেজের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল টিআরের ৩ লাখ টাকা। প্রকল্পের চেয়ারম্যান ছিলেন সহকারী অধ্যাপক শওকত হোসেন। তাকে দুই দফায় ৩ লাখ টাকার কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল, বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছিলেন শওকত হোসেন। শুকুরেরহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায়ও উন্নয়নের জন্য টিআরের ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ প্রকল্পেও দুই দফায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এটাও বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন ওই প্রকল্পের চেয়ারম্যান সহকারী শিক্ষক আবদুল কাইয়ূম।শুধু ওই প্রকল্পই শেষ নয় আরো অভিযোগ আছে, ঠাকুরবাড়ি বাজার হতে পূর্ব জামে মসজিদের মাঠে মাটি ভরাটের জন্য ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা, দুর্গাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট ও উন্নয়নের জন্য কাবিখা ও কাবিটার তিন দফায় ২০ টন ১৭৪ কেজি গম এবং ২ লাখ টাকা, বড়বালা ইউনিয়নের তাজুলের বাড়ি হতে খালেকের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ৩ লাখ ৫ হাজার, রানীপুকুরের বুজরুক নূরপুর বাড়ি হতে মনজুর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা ভরাটের জন্য ৩ লাখ, ইমাদপুর ইউনিয়নে মসজিদপাড়া পাকা রাস্তা হতে চড়পাড়াগামী রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫ লাখ, বড়বালা ইউনিয়নের রতনের বাড়ি হতে মাঝিপাড়া ঘাট পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ৫ লাখ, উপজেলা পরিষদ রাস্তা নির্মাণের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং উপজেলা পরিষদ মাঠে মাটি ভরাটের জন্য ১৩ টন গম বরাদ্দসহ অন্তত আরও ৩০টি প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ হরিলুট করা হয়েছিল।পিআইও মনিরুজ্জামান তৎকালীন সময়ে নিজ অফিস খরচের কথা বলে সাবেক এমপির কাছ থেকে টিআর ও কাবিটার ১৪ লাখ টাকা এবং কাবিখার ১৩ টন গম বরাদ্দ নিয়েছেন। যার কাজ দেখানো হয়েছে উপজেলা পরিষদের সংলগ্ন রাস্তা নির্মাণ ৪ লাখ টাকা, ইমাদপুর ইউনিয়নের মসজিদপাড়া পাকা রাস্তা হতে চড়পাড়াগামী রাস্তা সংস্কার ৫ লাখ, বড়বালা ইউনিয়নের রতনের বাড়ি হতে মাঝিপাড়া ঘাট পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ৫ লাখ এবং উপজেলা পরিষদ মাঠে মাটি ভরাট ১৩ টন গম। এসব প্রকল্পের চেয়ারম্যান করা হয় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যদের। তবে এসব কাজ না করে চেয়ারম্যান মেম্বারদের মাধ্যমে প্রকল্পের টাকা তুলে নিয়েছিলেন পিআইও। যদিও জনপ্রতিনিধিদের দাবি ছিল, তারা প্রকল্পের টাকা ব্যাংক থেকে তোলার বিষয়ে কিছুই জানতেন না।২০২২-২৩ অর্থবছরে পিআইওর কার্যালয়ে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ২২ হাজার এবং গেল অর্থবছরে একই কাজের জন্য তিন দফায় বরাদ্দ বাড়িয়ে হয় ৭ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। তৎকালীন সময়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের একজন স্টাফ জানিয়েছিলেন, অফিসে পিআইও তিন দফায় প্রায় ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়েও কোনো কাজেই করেননি। ওই স্টাফ আরও জানিয়েছিল, পিআইও টিআর প্রকল্প থেকে দুই দফায় কম্পিউটার সেট কেনার জন্য ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৭ টাকা বরাদ্দ নিয়ে আত্মসাৎ করেছিলেন। এর এক মাস আগে মন্ত্রণালয় থেকে কম্পিউটার সেট কেনার জন্য ১ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছিলেন তবে সেটাও অদৃশ্য হয়ে গেয়েছিল।অভিযোগের লম্বা তালিকার ভিতরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ ছিল ব্রিজ নির্মাণ, টিআর ও কাবিটা প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে শতভাগ দেখিয়ে বিল পাস করে ট্রেজারি অফিসের মাধ্যমে পিআইও মনিরুজ্জামান সরকার নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এন আরবিসি ব্যাংকের মিঠাপুকুর শাখায়  প্রায় ৩ কোটি টাকা রেখেছিলেন। সেই ঘটনায় তৎকালীন সময়ে রংপুর সহ সারা দেশের তোলপাড় সৃষ্টি হয়, তুমুল বিতর্কের পরে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে চেয়ারম্যানদের দেওয়া হয়েছিল তবে সেই প্রকল্পের ১০ থেকে ২০% কাজ বাস্তবায়ন না করে টাকা ছাড় দিয়েছিলেন অদৃশ্য কারণে। অভিযোগ আছে বিভিন্ন ঘুষ লেনদেনের জন্য ঢাকা থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে এনে বেতন দিয়ে নিজের অফিসে কাজ করান, তাদের মাধ্যমেই বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সকল জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তার ছিল গভীর সখ্যতা মিলেমিশে ভাগবাটোয়ারা করে খেতেন প্রকল্পের অর্থ, রংপুর জেলার ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মোতাহার হোসেনের সঙ্গে ছিল তার গুরু শিষ্য সম্পর্ক, মনিরুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে অধিকাংশ অভিযোগ সামাল দিতেন মোতাহার হোসেন এবং প্রকল্পের অর্থ গুলো তারা দুইজন মিলে মিশে খেতেন, তবে সম্প্রতি ঘুষ দুর্নীতি ও সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মোতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ইতিমধ্যেই অনুসন্ধান শুরু করেছে এখানেও সবাই অবাক হয়ে গেছে কারণ মনিরুজ্জামান থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।অভিযোগ আছে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম ও প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করে শূন্য থেকে বনে গেছেন শত কোটি টাকার মালিক অবৈধ অর্থ করেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ সেই তালিকায় রয়েছে: রংপুর নগরীর রাধাবল্লভ এলাকায় কোটি টাকায় জমি কিনে তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারীতে থাকার জন্য বহুতল ভবন, রয়েছে ১৬ সিটের পাঁচ-সাতটি মাইক্রোবাস যেগুলোর রেন্ট এ কারে ভাড়ায় দিয়েছেন, নিজ এলাকায় করেছেন  তেলের পাম্প, কুড়িগ্রাম শহরের কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিশাল ওষুধের দোকান, নিজে ব্যবহার করেন অর্ধকোটি টাকার গাড়ি, ব্যক্তিগত বিলাসিতার জন্য রয়েছে একাধিক ষ মোটরসাইকেল, অথচ তিনি বেতন পান ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা, তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একাধিকবার অভিযোগ দায়ের হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক কিন্তু কোন অভিযোগ কখনো কার্যকর হয়নি অদৃশ্য কারণে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, অনেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও আমাদের নজরদারিতে রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে যদি ঘুষ দুর্নীতি অবৈধ অর্থে সম্পদ অর্জনের তথ্য থাকে তবে সেটা খতিয়ে দেখা হবে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল সংবাদ আমরা গুরুত্ব সহকারে অনুসন্ধান করে দেখি।

এবিষয়ে পিআইও মনিরুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কলটি ধরেন নি।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ