খুঁজুন
, ,

গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব)

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ঢাকা ডিভিশন-১ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী জোয়ারদার তাবেদুন নবীর বিরুদ্ধে মিরপুরে হাজার কোটি টাকার সরকারি জমি হরিলুটের ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ছয় কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে মিরপুর সেকশন-৯ এর প্রায় ২০ একর সরকারি জমি ১৭টি বেসরকারি কোম্পানি ও ভূমিদস্যুর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। বদলি হয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করার ঠিক আগের দিন, এক নজিরবিহীন জালিয়াতির মাধ্যমে পূর্বের সব নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে এই ছাড়পত্র দেন তিনি।

 

আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই মহাসড়যন্ত্রের বিষয়টি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হলেও, তাকে সাময়িক বরখাস্ত না করে দেওয়া হয়েছে নামমাত্র ‘তিরস্কারের’ শাস্তি! অদৃশ্য খুঁটির জোরে বহাল তবিয়তে থাকা এই প্রকৌশলীর কাণ্ডে এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে শত শত সাধারণ ফ্ল্যাট ক্রেতার।

 

বদলি হওয়ার আগের দিনের সেই ‘মহা-মিশন’

অনুসন্ধানে জানা যায়, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ঢাকা ডিভিশন-১ এর মিরপুরস্থ হাউজিং এস্টেটের বাউনিয়া মৌজাস্থ ৯ নং সেকশনের স্বপ্ননগর-২ প্রকল্পের উত্তর পার্শ্ব সংলগ্ন জায়গাটি সরকারের গেজেটভুক্ত ও গৃহসংস্থান অধিদপ্তরের (বর্তমানে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ) নিজস্ব সম্পত্তি (এল, এ. কেস নম্বর-০৫/৭২-৭৩ ও ১৩/৫৯-৬০)।

 

আলোচ্য সি. এস. ৩১০১ থেকে ৩১২৮ পর্যন্ত বিভিন্ন দাগের প্রায় ২০.০১ একর জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে আলিনগর, হ্যাভিলি লিমিটেড, এ্যাসিউর, সাগুপ্তা হাউজিং, এন,এম, হাউজিং লিমিটেড, সানভিউ টাওয়ার্স, আরএকে-২ ও সিটি লাইফ প্রোপার্টিজসহ ১৭টি কোম্পানি ও ব্যক্তি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল।

 

সরকারি এই জমি উদ্ধারে দীর্ঘদিন ধরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। কিন্তু জোয়ারদার তাবেদুন নবী বদলি হওয়ার পর, দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেওয়ার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ গত ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে এক অভিনব জালিয়াতির আশ্রয় নেন। হাউজিং ডিভিশন-১, ঢাকার স্মারক নং ৩০১৫-এর মাধ্যমে তিনি পূর্বের সকল নিষেধাজ্ঞা ও জারিকৃত পত্র বাতিল করে রাজউক চেয়ারম্যান, মিরপুর সার্কেলের এসি ল্যান্ড, রাজউকের অথরাইজড অফিসার ও পল্লবী-তেজগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রারকে নতুন ছাড়পত্র পাঠিয়ে দেন। অভিযোগ রয়েছে, এই ছাড়পত্র দেওয়ার বিনিময়ে ‘মহিউদ্দিন গং’ নামের একটি চক্রের কাছ থেকে নগদ ছয় কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন তাবেদুন নবী।

 

তার এই এক চিঠির ওপর ভর করে ভূমিদস্যুরা দেদারসে সরকারি জমি রেজিস্ট্রেশন ও নকশা পাসের সুযোগ পেয়ে যায়। বর্তমানেও জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই, ১৭টি কোম্পানি সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

মিরপুরের ‘অঘোষিত চেয়ারম্যান’ ও তার সিন্ডিকেট

তাবেদুন নবী নিজেকে সবসময় সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুজ্জামান শিখরের আত্মীয় পরিচয় দিতেন। এই রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তিনি দীর্ঘ তিন বছর আট মাস ঢাকা ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মিরপুরকে নিজের ব্যক্তিগত তালুকে পরিণত করেন।

 

এই দীর্ঘ সময়ে তিনি শেখ সোহেল রানা, ইমামুল, শাহারিয়ার জনি ও রাদিউজ্জামানদের নিয়ে একটি শক্তিশালী ‘লুটপাট সিন্ডিকেট’ গড়ে তোলেন। মিরপুরের যেকোনো জমির নামজারি, প্লট বরাদ্দ, আবাসিক প্লটকে বাণিজ্যিকে রূপান্তর কিংবা বাণিজ্যিক প্লটকে শিল্প প্লটে রূপান্তরের মতো বড় বড় কাজ নিয়ন্ত্রণ করত এই চক্র। গৃহায়ণের চেয়ারম্যানরা নামমাত্র আসতেন আর যেতেন, কিন্তু মিরপুরের মূল ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন ‘অঘোষিত চেয়ারম্যান’ তাবেদুন নবী।

 

অফিসেই চলত অনৈতিক অভিসার

তাবেদুন নবীর এই সিন্ডিকেটে জড়িয়ে ছিল চরম নৈতিক অবক্ষয়ের গল্প। অভিযোগ রয়েছে, তাবেদুন নবীর ‘তানিয়া রহমান’ (পিতা: খন্দকার আব্দুস সামাদ, মাতা: সুফিয়া সামাদ) নামের এক বান্ধবী ছিলেন। তানিয়া রহমানের স্বামী নিজেই পাহারাদারের ভূমিকা পালন করে তাকে মিরপুর হাউজিং অফিসে নিয়ে আসতেন।

 

অফিস চলাকালীন তানিয়া রহমান ও জোয়ারদার তাবেদুন নবী নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একান্ত সময় কাটাতেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ তো বটেই, অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশাধিকারও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকত। ফ্যাসিবাদের ভয়ে সে সময় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। এই অনৈতিক সম্পর্কের সুবাদে তানিয়া রহমান একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লট বাগিয়ে নেন এবং মিরপুরে কোটি কোটি টাকার জমির দালালি ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যান।

 

সবাই যখন সাধু!

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, স্বপ্ননগর-২ প্রকল্পের উত্তর দিকের সীমানা প্রাচীর দেওয়া নিয়ে অবৈধ দখলদারদের সুবিধার্থে সেগুনবাগিচায় তৎকালীন গৃহায়ণ চেয়ারম্যানের সভাকক্ষে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বৈঠকে গৃহায়ণের আইন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, ঢাকা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সদস্য (প্ল্যানিং) বিজয় কুমার মন্ডল এবং আওয়ামী পান্ডা শেখ সোহেল রানাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, ওই বৈঠকে সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তেই তাবেদুন নবীকে এই কুখ্যাত NOC বা ছাড়পত্র দেওয়ার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল। তাবেদুন নবী একাই ৬ কোটি টাকা পাননি, বরং পুরো সিন্ডিকেটই এই লুটের ভাগ পেয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ায় এখন বাকিরা ‘সাধু’ সাজার চেষ্টা করছেন।

 

বর্তমান প্রশাসনের অসহায়ত্ব

সরকারি জমি উদ্ধারে বর্তমান প্রশাসন এখন চরম বিপাকে পড়েছে। এ বিষয়ে বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কায়সার ইবনে সাঈখ বলেন,

 

“আমাদের লোকজন ওই সরকারি জমি উদ্ধার করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে দখলদারদের হামলার শিকার ও আহত হয়েছেন। আমরা মামলা করেছি। বিষয়টি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের হেড অফিসকে অবহিত করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে পরবর্তী নির্দেশনা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। হেড অফিস থেকে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিলে আমরা অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে পারব।”

 

সর্বস্বান্ত সাধারণ ক্রেতারা

তাবেদুন নবীর এই অভিনব জালিয়াতির কারণে এখন বলির পাঁঠা হয়েছেন শত শত সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ। যারা নিজেদের সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে স্বপ্ননগর-২ প্রকল্পের আশপাশে এসব বেসরকারি কোম্পানির ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, তারা এখন চরম অনিশ্চয়তায়। নতুন করে রেজিস্ট্রেশন, নামজারি ও নকশা পাসের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসায় গ্রাহকদের টাকা ও ফ্ল্যাট দুটোই এখন আইনি মারপ্যাঁচে আটকে গেছে।

 

একজন সরকারি প্রকৌশলী কীভাবে এমন সমান্তরাল সিন্ডিকেট চালালেন, কীভাবে তিনি হাজার কোটি টাকার মালিক হলেন এবং কার ইশারায় তার কঠোর শাস্তির বদলে নামমাত্র ‘তিরস্কার’ করে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে—তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

(আগামী পর্বে সমাপ্য: দ্বিতীয় পর্বে থাকছে তাবেদুন নবীর নামে-বেনামে থাকা অঢেল সম্পদ, বিদেশে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার ও তার দেশব্যাপী বিস্তৃত দুর্নীতির অদৃশ্য নেটওয়ার্কের চাঞ্চল্যকর তথ্য…)

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ