খুঁজুন
, ,

রাজউক পরিচালক জাকারিয়া- রাজত্ব: ঘুষ-দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের দখলে জোন-৪

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
রাজউক পরিচালক জাকারিয়া- রাজত্ব: ঘুষ-দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের দখলে জোন-৪

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ঢাকা মহানগরের পরিকল্পিত নগরায়ন ও উন্নয়নের জন্য দায়বদ্ধ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। পতিত শেখ হাসিনা আমল থেকে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে এর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। বিশেষ করে রাজউকের জোন-৪-এর পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে উঠা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগগুলো এখন জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জাকারিয়ার অধীনে রাজউকের জোনাল অফিসগুলো কার্যত দুর্নীতির ‘সেফ জোনে’ পরিণত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাজউকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সালেহ আহমেদ জাকারিয়া বর্তমানে রাজউকের জোনাল অফিস মহাখালীতে জোন-৪ এর পরিচালকের দায়িত্বে থাকলেও অনেক সময় তাকে জোন-৩ এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। মিরপুর, গুলশান, বনানী ও উত্তরার মতো সব অভিজাত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তার প্রশাসনিক আওতাধীন হওয়ার কারণে এখানে অবৈধ উপার্জনের সুযোগ অনেক বেশি।

অভিযোগ রয়েছে, এই জোনগুলোতে ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপে মোটা অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়। তার নির্দেশ ছাড়া কোনো বড় ফাইল নড়ে না এবং প্রতিটি ফাইলে ‘ম্যানেজমেন্ট ফি’ হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়।

এদিকে সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার দুর্নীতির অন্যতম স্তম্ভ হলো রাজউকের ‘ইমারত পরিদর্শক’ সিন্ডিকেট। সূত্র মতে, তিনি একদল অসাধু ইমারত পরিদর্শককে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই পরিদর্শকরা এলাকায় কোনো নতুন ভবনের কাজ শুরুহলে সেখানে গিয়ে ত্রুটি খুঁজে বের করেন এবং ভবন মালিককে জোন অফিসে পরিচালকের সাথে ‘যোগাযোগ’ করার পরামর্শ দেন।

যারা টাকা দিতে রাজি হন না, তাদের ভবনের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় কিংবা অবৈধভাবে ভবনের নকশা বহির্ভূত অংশ ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। রাজউকের এই জোনাল অফিসে অভিযোগ রয়েছে যে, পরিদর্শকরা প্রতি মাসে সংগৃহীত অর্থের একটি বড় অংশ সরাসরি পরিচালক জাকারিয়ার হাতে তুলে দেন। এই অর্থ বাণিজ্য এতই সুসংগঠিত যে, এটা অনেকেই ‘প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

সুত্র জানায়, সালেহ আহে জাকারিয়ার ক্ষমতার দাপট এতটাই যে, তার অধীনে কর্মরত কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালাতেও দ্বিধাবোধ করেন না। ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইমারত পরিদর্শক মো. সোলাইমান হোসেন নিজ কক্ষে একজন

 

ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইমারত পরিদর্শক মো. সোলাইমান হোসেন নিজ কক্ষে একজন সংবাদকর্মীর ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালান। অভিযোগ রয়েছে, এই হামলার ঘটনাটি পরিচালকের প্রত্যক্ষ মদতে কিংবা তাকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে। হামলার সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শী থাকা সত্ত্বেও পরিচালক জাকারিয়া বিষয়টিকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদের পক্ষ নেওয়ায় রাজউকের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

প্রশাসনিক অনিয়মের আরেকটি বড় নজির হলো অযোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো। অভিযোগ রয়েছে, আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে মাত্র এসএসসি পাস করা আব্দুর রহিমকে জোন-৩ এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন জাকারিয়া। যেখানে এই পদের জন্য প্রকৌশল বিদ্যা বা উচ্চতর ডিগ্রি ও দীর্ঘ

 

ম্যানেজমেন্ট’ ক্ষমতার জোরে একজন শিক্ষাগতভাবে অযোগ্য ব্যক্তিকে এমন পদে আসীন করা হয়েছে। এটি সরাসরি রাজউকের সার্ভিস রুলস এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তার প্রতি বড় ধরনের হুমকি। অনেক যোগ্য প্রকৌশলীকে অবমূল্যায়ন করে নিজের অনুগত ও দুর্নীতিতে পারদর্শী ব্যক্তিদের পদায়নের মাধ্যমে তিনি তার ব্যক্তিগত ‘আর্থিক সাম্রাজ্য’ সুসংহত করেছেন।

সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান অভিযোগ হলো, তিনি বৈধ ভবন মালিকদের নানা অজুহাতে নোটিশ পাঠিয়ে হয়রানি করেন। সাধারণত কোনো ভবনে সামান্য বিচ্যুতি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার বিধান থাকলেও তার নির্দেশে সরাসরি উচ্ছেদ অভিযানের ভয় দেখানো হয়। পরবর্তীতে দালাল বা অসাধু কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। বিশেষ করে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড বা বনানীর অগ্নিকাণ্ডের মতো বড় দুর্ঘটনার পর

 

বিশেষ করে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড বা বনানীর অগ্নিকাণ্ডের মতো বড় দুর্ঘটনার পর তিনি পরিদর্শন বাড়ানোর নামে রেস্টুরেন্ট এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো থেকে কোটি কোটি টাকা আদায় করেছেন বলে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। তবে বাস্তবে ঝুঁকি কমানোর জন্য কার্যকর

কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার জীবনযাপন অত্যন্ত রাজকীয়। বিভিন্ন গোপন সূত্রে এবং প্রশাসনিক মহলে প্রচলিত রয়েছে যে, তিনি নিয়মিত অভিজাত ক্লাব, লাউঞ্জ ও বারগুলোতে যাতায়াত করেন। তার মদ্যপান ও নারীসঙ্গ নিয়ে নানা বিতর্কিত কাহিনী রাজউকের অলিগলি ছাড়িয়ে এখন মন্ত্রণালয়ের কানেও পৌঁছেছে।

দেশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন নৈতিক দেউলিয়াত্ব কেবল তার ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য চরম অবমাননাকর। তার এই ভোগবিলাসের অর্থের উৎস মূলত রাজউকের গ্রাহক হয়রানি ও অবৈধ নকশা অনুমোদন থেকে আসা অর্থ।

পরিচালকের দুর্নীতির বিষয়ে কথা বলতে চান, তিনি তা এড়িয়ে যান। সাংবাদিকদের ফোন কল রিসিভ না করা, কল কেটে দেওয়া কিংবা অশালীন আচরণ করা তার নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। রাজউকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও অদৃশ্য কোনো এক শক্তির বলে তিনি বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি রাজউকের ঊর্ধ্বতন মহল এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার জন্য একটি বিশেষ তহবিল বজায় রাখেন। এর ফলে তার বিরুদ্ধে কোনো শক্তিশালী প্রশাসনিক তদন্ত আলোর মুখ দেখতে পায় না।

সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার মতো কর্মকর্তাদের কারণে রাজউক আজ জনগণের কাছে একটি ‘আতঙ্কের নাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। পরিকল্পিত ঢাকা গড়ার বদলে তিনি ঢাকার অপরিকল্পিত ও অনিরাপদ নগরে পরিণত।

করছেন শুধুমাত্র নিজের ব্যক্তিগত লাভের জন্য। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া প্রয়োজন:

সালেহ আহমদ জাকারিয়ার পূর্বাচলে রয়েছে ২০! কাঠা জমি

মালিবাগে রয়েছে ২! টি বিলাসবহন ফ্লাট। এবং নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলে রয়েছেন শত একর জমি।

১. দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।

2. ২. জোন-৩ ও ৪ এ তার আমলে কতগুলো ভবনের নকশা পাশ হয়েছে এবং কতগুলো অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে তার একটি উচ্চতর অডিট করা প্রয়োজন।

৩. সাংবাদিক হেনস্তাকারী এবং অযোগ্য পদে পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের অবিলম্বে অপসারণ করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

৪. রাজউকের পুরো সিস্টেমকে ডিজিটাল করার মাধ্যমে মানবিক হস্তক্ষেপ কমিয়ে দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে হবে।

সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে রাজউকের ভেতরে দুর্নীতির যে মহীরুহ তৈরি হয়েছে, তা সমূলে উৎপাটন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। সরকারের ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রকৃত প্রতিফলন ঘটানোর এখনই উপযুক্ত সময়।

এব্যাপারে মন্তব্য জানতে পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভকরেনি।

আমুর আত্মীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর বিতর্কিত পোস্টিং: দুর্নীতির অভিযোগ সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দফতরে বহাল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
আমুর আত্মীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর বিতর্কিত পোস্টিং: দুর্নীতির অভিযোগ সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দফতরে বহাল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জুলাই অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলেও সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর আত্মীয় প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর প্রভাব কমেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২-এর মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ দফতরে নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পোস্টিং পেয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর দেখভালের মতো স্পর্শকাতর দায়িত্ব যে বিভাগের ওপর ন্যস্ত, সেখানে এমন একজন বিতর্কিত কর্মকর্তার পদায়নে সংশ্লিষ্ট মহলে চরম ক্ষোভ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, লটারির ক্যাটাগরির মানদণ্ডের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে এবং প্রায় তিন কোটি টাকা লেনদেনের বিনিময়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) সরোয়ার জাহান বিপ্লবের সহযোগিতায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বাগিয়ে নেন। এ সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের একটি গোপন ভিডিও প্রতিবেদকের সংগ্রহে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

কোটা জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার:

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৩৩তম বিশেষ বিসিএসে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহারের মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরে প্রবেশ করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুম বিল্লাহ। আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুর সুপারিশে চাকরি জীবনের শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ নগর গণপূর্ত বিভাগে পোস্টিং পান। ২০১৬ সালে নগর গণপূর্ত বিভাগের স্টাফ অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী) থাকাকালে টেন্ডার বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন তিনি। গোপালগঞ্জের এস এ এন্টারপ্রাইজসহ দলীয় ঠিকাদারদের ১ থেকে ২ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দিয়ে মাত্র তিন অর্থবছরে প্রায় দুই কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) হিসেবে মিরপুর উপবিভাগ-২-এ দায়িত্ব পালনকালে পাইকপাড়া অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পে অগ্রিম বিল ছাড় ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন। এরপর প্রভাব খাটিয়ে বদলি হন শের-ই-বাংলা নগর ৩নং উপবিভাগে, যেখানে পরোক্ষ ঠিকাদারি ও ঘুষ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন।

দুদকের অনুসন্ধান ও রহস্যজনক ডাকাতি:

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, তার ভাই শফিউল বসর ও স্ত্রী নাইমা আক্তার সুমার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মাসুম বিল্লাহর গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির রাজাপুরের কাঠিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে তাদের পারিবারিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সাধারণ—একটি ভাঙা টিনের ঘরে বসবাস করতেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে মাসুম বিল্লাহর উত্থান ঘটে রূপকথার মতো।

গ্রামবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর মাসুম বিল্লাহর গ্রামের বাড়িতে এক রহস্যজনক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের বিপুল পরিমাণ অর্থসহ আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি নগদ টাকা ও কয়েকশ ভরি স্বর্ণালংকার তাদের বাড়িতে গচ্ছিত ছিল, যা ডাকাত দল লুটে নেয়। তবে অর্থের বৈধ উৎস দেখাতে না পারার ভয়ে থানায় দায়ের করা এজাহারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে মাত্র ৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণ উল্লেখ করা হয়।

বিক্ষোভ ও উত্তেজনার আশঙ্কা:

জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়েও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বহাল তবিয়তে থাকা এবং উল্টো গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল স্থানে পদায়ন পাওয়া নিয়ে গণপূর্তের বঞ্চিত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈষম্যবিরোধী প্রকৌশলীদের একজন জানান, এমন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে স্পর্শকাতর দফতরে পুনর্বহাল করায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে, যার সম্পূর্ণ দায়ভার বর্তমান গণপূর্ত প্রশাসনকেই নিতে হবে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

লটারি ক্যাটাগরিতে সিলেটে নির্বাহী প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অর্ণব, ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
লটারি ক্যাটাগরিতে সিলেটে নির্বাহী প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অর্ণব, ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা

​নিজস্ব প্রতিবেদক:

​শেরেবাংলা নগর গণপূর্ত মেডিকেল উপ-বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের প্রকল্পসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য খাতের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সিলেট গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলীর ‘প্রাইজ পোস্টিং’ পেয়েছেন অর্ণব বিশ্বাস। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতার এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে।

​অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহ গণপূর্তে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে এবং পরবর্তী সময়ে ক্যাটাগরি লটারির মাধ্যমে সিলেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দায়িত্ব বাগিয়ে নিতে মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করেছেন অর্ণব বিশ্বাস। গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলীর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

​অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, শেরেবাংলা নগরে দায়িত্ব পালনকালে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর), জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের ভার্টিক্যাল এক্সটেনশন প্রকল্প থেকে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন অর্ণব বিশ্বাস। এছাড়া ভার্টিক্যাল এক্সটেনশনের কাজ দেখিয়ে বার্ষিক মেরামত খাতের অর্থ তছরুপের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) এবং ‘১৩৮/স্বাস্থ্য মেরামত’ খাতের পুরো অর্থই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

​অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা ভোগকারী অর্ণব বিশ্বাসকে এই পদে বসানোর মাধ্যমে অধিদপ্তরে সাবেক সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার পেছনে অধিদপ্তরের সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান বিপ্লব এবং সাবেক মন্ত্রীর ভাগ্নে হিসেবে পরিচিত নির্বাহী প্রকৌশলী মাযাহার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

​দীর্ঘদিন গণপূর্ত অধিদপ্তরের রিজার্ভে থাকা এবং বিগত সরকারের প্রভাবশালী রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অর্ণব বিশ্বাসকে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করায় অধিদপ্তরের সাধারণ ও পেশাদার প্রকৌশলীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

নিখিলের পার্টনার রাশেদ আহসান এবার বাগিয়ে নিচ্ছেন ৪০০ কোটির আজিমপুর প্রকল্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
নিখিলের পার্টনার রাশেদ আহসান এবার বাগিয়ে নিচ্ছেন ৪০০ কোটির আজিমপুর প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও গণপূর্ত অধিদপ্তরে থামেনি সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির দৌরাত্ম্য। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বিতর্কিত নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ আহসান ওরফে রাশেদুজ্জামান এবার বাগিয়ে নিতে যাচ্ছেন প্রায় ৪০০ কোটি টাকার আজিমপুর গণপূর্ত প্রকল্প। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ওএসডি (OSD) হওয়া এবং ক্ষুব্ধ ঠিকাদারদের হাতে অবরুদ্ধ হওয়ার নজিরবিহীন ঘটনার পরও সংস্থাপন শাখাকে ম্যানেজ করে এই লাভজনক পোস্টিং নেওয়ার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন তিনি।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রথমে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগে প্রভাব বিস্তার করেন রাশেদ আহসান। পরবর্তীতে তিনি পদায়ন পান গুরুত্বপূর্ণ মিরপুর বিভাগে। সেখানে তিনি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হাসান নিখিলের সরাসরি ব্যবসায়িক অংশীদার হয়ে ওঠেন। মিরপুরের কুখ্যাত ‘বিকাশ বাহিনী’র ছত্রচ্ছায়ায় সাধারণ ঠিকাদারদের কোণঠাসা করে গড়ে তোলেন নিজস্ব টেন্ডার সিন্ডিকেট।

​অভিযোগ রয়েছে, মিরপুর পাইকপাড়া আবাসন কোয়ার্টার প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, ২০২৪-২৫ অর্থবছরেই ভুয়া নথিপত্রে শতকোটি টাকার অগ্রিম বিল ছাড় দেন রাশেদ। প্রায় ৫ কোটি টাকা কমিশনের বিনিময়ে এই বিল ছাড়ের প্রমাণ পাওয়ায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

​এছাড়া প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশনা অমান্য করে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ এলটিএম (LTM) পদ্ধতির বদলে ওটিএম (OTM)-এ দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের বিভিন্ন আইডি (যেমন: ৯৯৫৩০০, ৯৯৪২৭৭, ৯৯৪০২০, ৯৯২৩৫২, ৯৯২৩৮৭ প্রভৃতি) থেকে প্রায় ১০ শতাংশ হারে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আন্দোলন চলাকালে নিখিল-রাশেদ সিন্ডিকেট ছাত্র ও বিরোধীদের ওপর দমনপীড়নে অর্থায়ন করেছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

​টেন্ডার দুর্নীতির পাশাপাশি অর্থ পাচার ও বিদেশে গোপন বৈঠকের মতো গুরুতর তথ্যও পাওয়া গেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর গত অক্টোবর ও ডিসেম্বরে স্ত্রীর চিকিৎসার ভুয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার ব্যবহার করে ভারতে যান তিনি। অভিযোগ রয়েছে, পলাতক দোসরদের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো এবং গণপূর্তের আরও দুই প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী গোপন ষড়যন্ত্রে অংশ নিতেই ছিল এই সফর।

​দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানে রাশেদ আহসান ও তার পরিবারের নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়ের তথ্য মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরা ও ধানমন্ডিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বসুন্ধরা ও পূর্বাচলে একাধিক প্লট, সাভার, গাজীপুর ও কেরানীগঞ্জে শত শত শতাংশ জমি এবং ঢাকা সংলগ্ন এলাকায় বিলাসবহুল ফার্মহাউস। এ ছাড়া দুবাই ও কানাডায় সেকেন্ড হোম, আত্মীয়দের নামে বিপুল অঙ্কের এফডিআর এবং ব্যাংক ভল্টে সোনা ও নগদ অর্থ মজুতের তথ্য এখন দুদকের নজরদারিতে রয়েছে।

রাজউক পরিচালক জাকারিয়া- রাজত্ব: ঘুষ-দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের দখলে জোন-৪ আমুর আত্মীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর বিতর্কিত পোস্টিং: দুর্নীতির অভিযোগ সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দফতরে বহাল লটারি ক্যাটাগরিতে সিলেটে নির্বাহী প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অর্ণব, ক্ষুব্ধ প্রকৌশলীরা নিখিলের পার্টনার রাশেদ আহসান এবার বাগিয়ে নিচ্ছেন ৪০০ কোটির আজিমপুর প্রকল্প গণপূর্তে লটারির নামে ‘সাজানো’ বদলি: স্বচ্ছতার আড়ালে বড় অঙ্কের লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মতিঝিলে বিআরটিএর রোড শো তিতাসে অসহায় বৃদ্ধা মজিদা খাতুনকে মারধর করে ঘরছাড়া করলেন আপন ছেলে-বউ! দেবিদ্বারে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও সাংগঠনিক সমাবেশ জমি নিয়ে বিরোধ: মুরাদনগরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সাবেক ইউপি সদস্যসহ হাসপাতালে ৫ ম্যাবস ইউনিয়ন মোটর্স লিমিটেডের সুজুকি শোরুমে V-Strom- ২৫০ সিসি অ্যাডভেঞ্চার বাইক এর উদ্বোধন। ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার সৌদি-হুতি পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি: গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো থেকে বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ মক্কা-মদিনার ওপর হুমকি এলে বাংলাদেশ বসে থাকবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিতাসে বন্দরামপুর আদর্শ একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, সংবর্ধনা ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দাউদকান্দিতে ফিলিং স্টেশন থেকে পিকআপ চুরি ফেরত দিতে চাঁদা দাবি কালকিনিতে অবৈধভাবে সার মজুত: ১৪০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৩৩ বছর পর বিরল ঘটনা একই বছরে দুইবার আসছে মাহে রমজান ইয়েমেন সরকারকে ৪ কার্গো বিমান সমরাস্ত্র পাঠাল পাকিস্তান: হুথিদের চরম হুঁশিয়ারি ‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলীর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, নানা অনিয়মের অভিযোগ স্বজনের বিয়েতে যেতে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিএকই পরিবারের নিখোঁজ ৫জনের মধ্যে ১নারীর মরদেহ উদ্ধার  দাউদকান্দি জিংলাতলীতে অসহায় বৃদ্ধার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দাউদকান্দিতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: নগদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর