খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চুলকানির মলম ও চুলকানির চিকিৎসা ২০২৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চুলকানির মলম ও চুলকানির চিকিৎসা ২০২৪

যেভাবে শরীরের বিভিন্ন চুলকানি দুর করবেন

চুলকানির মলম দিয়ে সাধারনতো যেকোনো চুলকানিই দুর করা সম্ভব। চুলকানি ঔষুধ রোগ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্য বহুল প্রচারিত মলমের নাম হিসেবে পাগলা মলম, জোল স্কিন মলম, ফাংগিসন, পেভিসন, সালোবেট, ফানজিডাল, লরিক্স ইত্যাদি। চুলকানি, খোসপাঁচড়া, দাউদ, বিখাউস, পুরাতন চুলকানি, রানের চিপায় চুলকানি দুর করার মলমের নামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চুলকানি মলমের নাম, চিকিৎসা, দ্রত প্রতিকার, রোগ প্রতিরোধ ইত্যাদি। চুলকানির মলম ও চুলকানির চিকিৎসা ২০২৪

দাউদের চুলকানি দূর করার উপায়

এদের মধ্যে আপনি দাউদের চিকিৎসায় যে গুলো একটি ক্রিম ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ব্যাবহার করতে পারেন।

Image by Alexander Grey from Pixabay

খোসপাঁচড়ার চিকিৎসা ও প্রতিকার

চুলকানির রোগগুলোর মধ্যে স্ক্যাবিস বা যার বাংলা হলো খোসপাঁচড়া যা একটি বিরক্তিকর ও বিব্রতকর সমস্যা। সহজ বাংলায় একে বলা হয় খুজলি বা খোসপাঁচড়া। তবে এটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে স্ক্যাবিস বলা হয়ে থাকে।

সাধারনতো খোসপাঁচড়ায় লাল গোটা চুলকানি থাকে এবং এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ যা একজন থেকে আরেকজনের সংস্পর্শের মাধ্যমেই ছড়ায়।

নিমপাতা গরম পানি করে মিশিয়ে গোসল করতে হবে। এবং পরিস্কারভাবে রুমের সব কাপড়চোপড় স্যাভলন দিয়ে ধুতে হবে। রুমের সব বিছানা চাদর ধুয়ে দিতে হবে।

এছাড়া পরিবারের সকল সদস্যদের জামাকাপড় এবং বিছানার চাদর,তোয়ালে আলাদা থাকা উচিত। এই রোগে ছোয়াচে হওয়ায় একজনের গামছা-তোয়ালে ও বালিশ অন্যজনের ব্যবহার করা উচিত নয়। জামাকাপড় ও নিয়মিত ব্যবহার্য জিনিস নিয়মিত সাবানের সাথে হালকা ডেটল পানি দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে অন্তত কয়েক ঘণ্টা কড়া করে শুকাতে হবে।

চিকিৎসা হিসেবে স্কাবিস বা খোসপাঁচড়ার চিকিৎসা দ্রুত করতে হবে। এবং সঠিকভাবে চুলকানির মলম ব্যবহার করতে পারেন হবে।

নিম্নে খোসপাঁচড়া, একজিমা এবং সোরিয়াসিস এর জন্য প্রয়োজনীয় ঔষুধ দেওয়া হলো।

ঔষুধ নাম: ডার্মারিশ ওইনমেন্ট, ইউনানী ঔষধটি ইবনে সিনা কোম্পানির।

ডার্মারিশ একটি মলম জাতীয় ঔষধ যা খোস-পাঁচড়া, একজিমা, সোরিয়াসিস রোগে গুরুত্বপূর্ন কার্যকর।

একজিমা দুর করার উপায়

সবসময় পরিস্কার রাখতে হবে, গরমে সুতি কাপড় পড়তে হবে। নিয়মিত হাত পায়ের নোখ কাটতে হবে। একজিমা হাত, পা, বগলে, নাভির পাশে হয়ে থাতে। বিশেষ করে ত্বকে।

এর প্রতিকার হিসেবে উপরিল্লিখিত কাজ গুলো করবেন।

একজিমার ট্যাবলেট, মলম বা ইনজেকশন হিসেবে যেটাই দেন, ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ঔষুধ সেবন করবেন।

চিকিৎসা:  কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম বা মলম নামে আছে, যা একজিমা রোধে কার্যকর। ত্বক ময়শ্চারাইজ করার পর আক্রান্ত স্থানে এই ক্রিম লাগাতে হবে। এই ক্রিমটি অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যাবে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ঔষুধ সেবন করবেন।

আরো পড়ুন: আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করবেন যেভাবে আর ভালো থাকবে মন বিস্তারিত

ত্যাগ: চুলকানির মলম, চুলকানির চিকিৎসা ২০২৪, চুলকানির উপসর্গ, দাউদের মলম, দাউদের চিকিৎসা, চুলকানির টেবলেট, চুলকানির ওয়েনমেন্ট, পুরাতন চুলকানি দুর করার উপায়, পুরাতন চুলকানির ঔষধ কি, চুলকানি দুর করবো কিভাবে, খোসপাঁচড়া দুর করার উপায়, খোসপাঁচড়ার মলম, একজিমার মলম, একজিমার টেবলেট

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

দাউদকান্দিতে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
দাউদকান্দিতে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

 

 

(দাউদকান্দি প্রতিনিধি, দিদারুল আলম)

 

লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় গৌরিপুর বাজারে কেক কেটে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ দাউদকান্দি শাখার সভাপতি সফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম সোহেল,

কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন নিলয়, দাউদকান্দি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ দিদারুল আলম রানা, মালিগাঁও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালের ডাঃ বিল্লাল হোসেন, নিসচার সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ন বনিক, ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি জিয়া উদ্দিন আয়ান, দাউদকান্দি শাখার সহ সভাপতি আবু মুসা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ প্রমুখ।

সংগঠনটি গত ১৫ বছর ধরে সদস্যদের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে সারাদেশে মাদকবিরোধী কার্যক্রম, ইভটিজিং ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংগঠনটি ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও ইউনিয়নে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে দোকান বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৮ মে (সোমবার) দুপুরে উপজেলার    উত্তর বায়নগর   গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১টা ০৫ মিনিটে ভুক্তভোগী শিশুটি তার বাড়ির পাশে একটি দোকানে জিনিস কিনতে যায়। ওই সময় দোকানে অন্য কোনো ক্রেতা না থাকার সুযোগে, দোকান মালিক দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (৪৫) শিশুটিকে বিস্কুট ও চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে দোকানের ভেতর ডেকে নেয়। শিশুটি ভেতরে প্রবেশ করা মাত্রই লম্পট দেলোয়ার দোকানের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং ভেতরে থাকা চৌকির ওপর নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

 

এ সময় শিশুটি ভয়ে চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত দেলোয়ার তাকে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য এবং বললে বাবা-মাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তবে শিশুটির চিৎকার শুনতে পেয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রতিবেশী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং বন্ধ দোকানের শাটারে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। বেগতিক দেখে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন তড়িঘড়ি করে দোকানের শাটার খুলে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জানায়, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়টি এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অফিসের ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী আর বাইরে দাপুটে দালালচক্রের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফিটনেস—প্রতিটি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি’র বাইরে গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিআরটিএ-তে ঘুষ ছাড়া সেবা মেলা ভার। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও এখানে তার উল্টো চিত্র। নিয়ম অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার এবং পেশাদারদের জন্য ১২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে এই সিন্ডিকেটকে। সবচেয়ে ভীতিজাগানিয়া তথ্য হলো, এই টাকা দিলে কোনো ধরনের লিখিত বা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই মিলছে লাইসেন্স। অথচ বৈধভাবে আবেদন করে বছরের পর বছর পরীক্ষা দিয়েও অনেকে লাইসেন্স পাচ্ছেন না। এর ফলে সড়কে অদক্ষ চালকের সংখ্যা বাড়ছে, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

অভিযোগের আঙুল চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. সানাউল হকের দিকে। এর আগে সিলেট ও মিরপুর কার্যালয়ে থাকাকালীনও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। সিলেটে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে তাকে প্রত্যাহার করা হলেও চট্টগ্রামে এসে তিনি আরও শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।

এই চক্রের মাঠ পর্যায়ের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন:

সিল কন্ডাক্টর , জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহ, অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম, জুয়েল, সোহেল, পঙ্কজ, সেলিম, মহিউদ্দিন এবং নৈশপ্রহরী লিটন।

বিশেষ করে নৈশপ্রহরীকে এই দালাল চক্রের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় তার দাপট সবচেয়ে বেশি।

 

রাহাত্তারপুল এলাকার লেগুনা চালক রশিদুল, পতেঙ্গা এলাকার সিএনজি চালক সোহাগ মিয়াসহ একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ সারতে পারছেন না। অথচ তাদের চোখের সামনেই দালালদের মাধ্যমে আসা ব্যক্তিরা ঘুষ দিয়ে দ্রুত কাজ সেরে নিচ্ছেন। চোরাই গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, মোটরসাইকেল পরিদর্শন না করেই রেজিস্ট্রেশন এবং গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।

 

ভুক্তভোগী ও পরিবহন সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএ-তে প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ঘুষের হার নির্ধারিত আছে:

রুট পারমিট ও ফিটনেস (বাস): ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, হিউম্যান হলার: ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা,ট্রাক/ড্রাম ট্রাক: ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা,অটোরিকশা: ৪০০ টাকা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স: অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা।

নম্বরপ্লেট: নির্ধারিত ফি’র বাইরেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিআরটিএকে দুর্নীতির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মাঝে মাঝে র‍্যাব বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালাল আটক হলেও মূল হোতারা সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। দালাল আটক করলেও বিআরটিএ কার্যালয়ের ভেতরের পরিস্থিতি বদলায়নি। কর্মকর্তাদের দাবি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে সেই তদন্তের সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

 

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্টো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক সানাউল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির গ্রাস থেকে মুক্ত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বর্তমান উপ-পরিচালক সানাউল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ইতিপূর্বে তিনি যখন বিআরটিএ সিলেট কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন, তখনও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ রয়েছে, সিলেটে থাকাকালীন তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০-১২ জনের একটি বিশাল দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন এবং কার্যালয়টিকে ঘুষ বাণিজ্যের ‘ঘাঁটিতে’ পরিণত করেছিলেন।

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সানাউল হকের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চলা এই লাগামহীন দুর্নীতি ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামে ‘সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে এবং দাললদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন সময়ে তাকে সিলেট থেকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রামে আসার পর তিনি পুনরায় তার অনুগত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

দাউদকান্দিতে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬ গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন বাংলাদেশে মোবাইলের দাম ২০২৬ – জনপ্রিয় ৫০টি স্মার্টফোনের আপডেটেড মূল্য তালিকা টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি প্রকৌশলী আবু তালেবের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয় ও ১৬ প্রকল্পে দুর্নীতির পাহাড় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিনিয়র স্কেল ছাড়াই পদোন্নতি গণপূর্তে কোটি টাকার বাণিজ্য গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন