খুঁজুন
, ,

চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়টি এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অফিসের ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী আর বাইরে দাপুটে দালালচক্রের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফিটনেস—প্রতিটি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি’র বাইরে গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিআরটিএ-তে ঘুষ ছাড়া সেবা মেলা ভার। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও এখানে তার উল্টো চিত্র। নিয়ম অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার এবং পেশাদারদের জন্য ১২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে এই সিন্ডিকেটকে। সবচেয়ে ভীতিজাগানিয়া তথ্য হলো, এই টাকা দিলে কোনো ধরনের লিখিত বা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই মিলছে লাইসেন্স। অথচ বৈধভাবে আবেদন করে বছরের পর বছর পরীক্ষা দিয়েও অনেকে লাইসেন্স পাচ্ছেন না। এর ফলে সড়কে অদক্ষ চালকের সংখ্যা বাড়ছে, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

অভিযোগের আঙুল চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. সানাউল হকের দিকে। এর আগে সিলেট ও মিরপুর কার্যালয়ে থাকাকালীনও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। সিলেটে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে তাকে প্রত্যাহার করা হলেও চট্টগ্রামে এসে তিনি আরও শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।

এই চক্রের মাঠ পর্যায়ের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন:

সিল কন্ডাক্টর , জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহ, অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম, জুয়েল, সোহেল, পঙ্কজ, সেলিম, মহিউদ্দিন এবং নৈশপ্রহরী লিটন।

বিশেষ করে নৈশপ্রহরীকে এই দালাল চক্রের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় তার দাপট সবচেয়ে বেশি।

 

রাহাত্তারপুল এলাকার লেগুনা চালক রশিদুল, পতেঙ্গা এলাকার সিএনজি চালক সোহাগ মিয়াসহ একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ সারতে পারছেন না। অথচ তাদের চোখের সামনেই দালালদের মাধ্যমে আসা ব্যক্তিরা ঘুষ দিয়ে দ্রুত কাজ সেরে নিচ্ছেন। চোরাই গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, মোটরসাইকেল পরিদর্শন না করেই রেজিস্ট্রেশন এবং গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।

 

ভুক্তভোগী ও পরিবহন সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএ-তে প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ঘুষের হার নির্ধারিত আছে:

রুট পারমিট ও ফিটনেস (বাস): ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, হিউম্যান হলার: ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা,ট্রাক/ড্রাম ট্রাক: ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা,অটোরিকশা: ৪০০ টাকা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স: অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা।

নম্বরপ্লেট: নির্ধারিত ফি’র বাইরেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিআরটিএকে দুর্নীতির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মাঝে মাঝে র‍্যাব বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালাল আটক হলেও মূল হোতারা সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। দালাল আটক করলেও বিআরটিএ কার্যালয়ের ভেতরের পরিস্থিতি বদলায়নি। কর্মকর্তাদের দাবি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে সেই তদন্তের সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

 

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্টো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক সানাউল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির গ্রাস থেকে মুক্ত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বর্তমান উপ-পরিচালক সানাউল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ইতিপূর্বে তিনি যখন বিআরটিএ সিলেট কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন, তখনও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ রয়েছে, সিলেটে থাকাকালীন তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০-১২ জনের একটি বিশাল দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন এবং কার্যালয়টিকে ঘুষ বাণিজ্যের ‘ঘাঁটিতে’ পরিণত করেছিলেন।

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সানাউল হকের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চলা এই লাগামহীন দুর্নীতি ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামে ‘সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে এবং দাললদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন সময়ে তাকে সিলেট থেকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রামে আসার পর তিনি পুনরায় তার অনুগত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে  কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল-মেকানিক্যাল (ই-এম) বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, ভুয়া বিলে অর্থ ছাড়, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদানের পর থেকে বিগত ১৩ বছরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি অর্থ ছাড় করেছেন। এছাড়াও, পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট হারে উৎকোচ বা ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণ করতেন। দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপির মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বাকী বিল্লাহ নামের এক ব্যক্তি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের নাম ভাঙিয়ে ই-এম বিভাগ-৫-এর এই কর্মকর্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকার চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত গুরুতর নৈতিক স্খলনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গৃহকর্মী সুফিয়াকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং আইনগত আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে তিনি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করেন বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

চাকরি জীবনের মাত্র ১৩ বছরে সৈয়দ তামজিদ হোসেন নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্পদ।

ধানমন্ডি ২৭/১ (রবীন্দ্র সরোবর ৮ নম্বর ব্রিজের ঢালে) একটি বহুতল ভবনে আনুমানিক ৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০০ বর্গফুটের একটি রাজকীয় ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি।

মোহাম্মদপুর ২৭/১, পিসি কালচার হাউজিং সোসাইটির টেক রোড নম্বর ৭-এ শ্বশুর মোঃ জাহিদ মিয়ার সাথে যৌথ মালিকানায় একটি ৭ তলা বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন।

যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা।রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিজ নামে ও বেনামে প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করার তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অপরাধের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই-এম বিভাগ-৫-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয় এবং এই দল আচমকা কোনো বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসেনি।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো ব্যাকডোর সমঝোতায় বিশ্বাস করে না এবং কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশও বোঝে না। ইতিহাসই তার সাক্ষী—এই দলের শিরায় শিরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের সাহস এবং দলটির সভা প্রতি শেখ হাসিনার অবিনাশী সংগ্রামের শক্তি প্রবাহিত।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—গুপ্ত বা সুপ্ত বলে কিছু বুঝি না। তৃণমূলের আওয়ামী লীগ একটাই সত্য জানে, তা হলো—আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। প্রথমত, দ্বিতীয়ত, তৃতীয়ত এবং শেষ পর্যন্ত দেশের লাখ-কোটি মানুষ শেখ হাসিনাকেই তাঁদের সবচেয়ে আপনজন মনে করেন।”

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুশীলন লেখক পরিষদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে আবেদন দাউদকান্দি থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি: ক্রেস্ট ও ১২টি অর্থ পুরস্কার অর্জন গণপূর্তের প্রকৌশলী মইনুলের বিরুদ্ধে ২.৬৩ কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ কুমিল্লা দাউদকান্দি মোহনা টেলিভিশনের অফিসের মালামাল লুটের ঘটনায় গ্রেফতার দুইজন ।  দাউদকান্দিতে মাদকবিরোধী শপথ ও মতবিনিময় সভা: শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করল লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ