খুঁজুন
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নির্মাণাধীন নৌপুলিশ ফাঁড়ি ভবনে চুরি-ভাংচুর!!স্থানীয়রা বলছেন অন্যকিছু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
নির্মাণাধীন নৌপুলিশ ফাঁড়ি ভবনে চুরি-ভাংচুর!!স্থানীয়রা বলছেন অন্যকিছু

 

আশিকুর রহমান :

নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলে নবনির্মিত নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভবনে সংঘবদ্ধ চুরি ও ভাংচুরের মত ঘটনা ঘটেছে। আর স্থানীরা বলছেন উদ্দেশ্য প্রণীত।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার দূর্গম চরাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নের চরমাধবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদী বেষ্টিত চরমাধবপুর মৌজায় বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলিতেছে।

শুক্রবার বেলা আনুমানিক ৩টার দিকে ৫ থেকে ৬ জনের সংঘবদ্ধ একটি চোর চক্র ভবনের সৌন্দর্য বর্ধনের কাঁচ ভাংচুর করে ভিতর রক্ষিত বিভিন্ন ধরনের মালামাল যাহা আনুমানিক প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মত চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট উদ্দেশ্য প্রণীত। শুক্রবার দিন মুরাদনগর গ্রামের আজাদ মিয়ার ছেলে অহিদুল, কাশেম মিয়ার ছেলে আয়নুল, তারাচাঁন মিয়ার ছেলে আল আমিন সালাম মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া, আজি মিয়ার ছেলে দিপু,

নুরু মিয়ার ছেলে হিমেল সহ কয়েকজন মিলে এ ঘটনা ঘটায়। এরা সবাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আসাদ উল্লার দলের লোক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারা এডভোকেট আসাদের হুকুমে মুরাদনগর সহ আলোকবালি ইউনিয়নে বিভিন্ন সময়ে নানান  অপকর্ম করে বেড়াতো।

এধরণের ঘটনার মূল উদ্দেশ্যই হলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা।কেয়ারটেকার জজ মিয়া বলেন, আমি এই নির্মাণধীন ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে দেখবাল করে আসছি।

শুক্রবার দিন ওই ৬ জন মিলে ভবনের সৌন্দর্য বর্ধনের কাঁচ, দরজা-জানালা ভাংচুর সহ ভিতরে রক্ষিত প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরে আমি এসব ঘটনা দেখে থানায় ৬জনের নামে অভিযোগ করি। এসব কাজ করার উদ্দেশ্য হলো তাদের প্রতিপক্ষ লোকজনকে ফাঁসানো।

এবিষয় জানতে এডভোকেট আসাদ উল্লা বলেন, যে ৬ জনের নামে অভিযোগ দাওয়া হয়েছে তার মধ্যে অধিকাংশই আমার আত্মীয় স্বজন। তারা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সাথে জড়িত। দুই/একজন বাদে বাকিরা ৫ আগস্টের পর থেকে বাড়ি ছাড়া।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক প্রতিনিধিকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আমরা একজনকে আটক করেছি।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও ইউনিয়নে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে দোকান বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৮ মে (সোমবার) দুপুরে উপজেলার বাহননগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১টা ০৫ মিনিটে ভুক্তভোগী শিশুটি তার বাড়ির পাশে একটি দোকানে জিনিস কিনতে যায়। ওই সময় দোকানে অন্য কোনো ক্রেতা না থাকার সুযোগে, দোকান মালিক দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (৪৫) শিশুটিকে বিস্কুট ও চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে দোকানের ভেতর ডেকে নেয়। শিশুটি ভেতরে প্রবেশ করা মাত্রই লম্পট দেলোয়ার দোকানের শাটার টেনে বন্ধ করে দেয় এবং ভেতরে থাকা চৌকির ওপর নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

 

এ সময় শিশুটি ভয়ে চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত দেলোয়ার তাকে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য এবং বললে বাবা-মাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তবে শিশুটির চিৎকার শুনতে পেয়ে আশেপাশের কয়েকজন প্রতিবেশী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং বন্ধ দোকানের শাটারে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। বেগতিক দেখে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন তড়িঘড়ি করে দোকানের শাটার খুলে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জানায়, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে।

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়টি এখন অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অফিসের ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী আর বাইরে দাপুটে দালালচক্রের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফিটনেস—প্রতিটি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি’র বাইরে গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিআরটিএ-তে ঘুষ ছাড়া সেবা মেলা ভার। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করলেও এখানে তার উল্টো চিত্র। নিয়ম অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ হাজার এবং পেশাদারদের জন্য ১২ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে এই সিন্ডিকেটকে। সবচেয়ে ভীতিজাগানিয়া তথ্য হলো, এই টাকা দিলে কোনো ধরনের লিখিত বা ব্যবহারিক পরীক্ষা ছাড়াই মিলছে লাইসেন্স। অথচ বৈধভাবে আবেদন করে বছরের পর বছর পরীক্ষা দিয়েও অনেকে লাইসেন্স পাচ্ছেন না। এর ফলে সড়কে অদক্ষ চালকের সংখ্যা বাড়ছে, যা ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

অভিযোগের আঙুল চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. সানাউল হকের দিকে। এর আগে সিলেট ও মিরপুর কার্যালয়ে থাকাকালীনও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ ছিল। সিলেটে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে তাকে প্রত্যাহার করা হলেও চট্টগ্রামে এসে তিনি আরও শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।

এই চক্রের মাঠ পর্যায়ের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন:

সিল কন্ডাক্টর , জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহ, অফিস পিয়ন খোরশেদ আলম, জুয়েল, সোহেল, পঙ্কজ, সেলিম, মহিউদ্দিন এবং নৈশপ্রহরী লিটন।

বিশেষ করে নৈশপ্রহরীকে এই দালাল চক্রের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় তার দাপট সবচেয়ে বেশি।

 

রাহাত্তারপুল এলাকার লেগুনা চালক রশিদুল, পতেঙ্গা এলাকার সিএনজি চালক সোহাগ মিয়াসহ একাধিক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তারা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাজ সারতে পারছেন না। অথচ তাদের চোখের সামনেই দালালদের মাধ্যমে আসা ব্যক্তিরা ঘুষ দিয়ে দ্রুত কাজ সেরে নিচ্ছেন। চোরাই গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, মোটরসাইকেল পরিদর্শন না করেই রেজিস্ট্রেশন এবং গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে এই চক্রের বিরুদ্ধে।

 

ভুক্তভোগী ও পরিবহন সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, বিআরটিএ-তে প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ঘুষের হার নির্ধারিত আছে:

রুট পারমিট ও ফিটনেস (বাস): ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, হিউম্যান হলার: ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা,ট্রাক/ড্রাম ট্রাক: ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা,অটোরিকশা: ৪০০ টাকা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স: অতিরিক্ত ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা।

নম্বরপ্লেট: নির্ধারিত ফি’র বাইরেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়।

সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিআরটিএকে দুর্নীতির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মাঝে মাঝে র‍্যাব বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দালাল আটক হলেও মূল হোতারা সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। দালাল আটক করলেও বিআরটিএ কার্যালয়ের ভেতরের পরিস্থিতি বদলায়নি। কর্মকর্তাদের দাবি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু বাস্তবে সেই তদন্তের সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না।

 

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্টো-২ সার্কেলের উপ-পরিচালক সানাউল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের এই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির গ্রাস থেকে মুক্ত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বর্তমান উপ-পরিচালক সানাউল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ইতিপূর্বে তিনি যখন বিআরটিএ সিলেট কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন, তখনও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ রয়েছে, সিলেটে থাকাকালীন তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০-১২ জনের একটি বিশাল দালাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন এবং কার্যালয়টিকে ঘুষ বাণিজ্যের ‘ঘাঁটিতে’ পরিণত করেছিলেন।

 

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে সানাউল হকের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চলা এই লাগামহীন দুর্নীতি ও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নামে ‘সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিলে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে এবং দাললদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন সময়ে তাকে সিলেট থেকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রামে আসার পর তিনি পুনরায় তার অনুগত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একই ধরনের অনিয়ম ও হয়রানির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬

বর্তমানে নারী-পুরুষ উভয়ের কাছেই চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন এবং গুগলে “চুল পড়া বন্ধ করার উপায়”, “চুল গজানোর উপায়”, “চুল পড়ার কারণ” ইত্যাদি বিষয়ে সার্চ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৫০-১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি চুল পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সঠিক যত্ন, পুষ্টিকর খাবার ও কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই চুল পড়া কমানো সম্ভব।


চুল পড়ার প্রধান কারণ

চুল পড়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন:

১. পুষ্টির অভাব

শরীরে আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন D ও জিঙ্কের অভাব হলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে যায়।

২. অতিরিক্ত মানসিক চাপ

স্ট্রেস ও দুশ্চিন্তার কারণে হরমোনের পরিবর্তন হয়, যা চুল পড়া বাড়ায়।

৩. খুশকি ও স্ক্যাল্প ইনফেকশন

মাথার ত্বক অপরিষ্কার থাকলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়।

৪. অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার

হেয়ার কালার, জেল ও স্ট্রেইটনার বেশি ব্যবহার করলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫. হরমোনজনিত সমস্যা

থাইরয়েড, PCOS বা হরমোন পরিবর্তনের কারণেও চুল পড়তে পারে।


চুল পড়া বন্ধ করার কার্যকর উপায়

১. নিয়মিত তেল ব্যবহার করুন

চুলের গোড়ায় নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়।

উপকারী তেল:

  • নারিকেল তেল
  • অলিভ অয়েল
  • ক্যাস্টর অয়েল
  • আমলকীর তেল
  • পেঁয়াজের তেল

সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন তেল ব্যবহার করা ভালো।


২. পেঁয়াজের রস ব্যবহার

পেঁয়াজের রসে সালফার থাকে যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

ব্যবহারের নিয়ম:

  • পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে রস বের করুন
  • চুলের গোড়ায় লাগান
  • ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন

সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


৩. প্রোটিনযুক্ত খাবার খান

চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই খাদ্য তালিকায় প্রোটিন রাখা জরুরি।

যেসব খাবার খাবেন:

  • ডিম
  • মাছ
  • দুধ
  • বাদাম
  • ডাল
  • সবুজ শাকসবজি

৪. ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন

অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার না করে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

টিপস:

  • প্রতিদিন শ্যাম্পু করবেন না
  • সপ্তাহে ২-৩ বার যথেষ্ট
  • গরম পানি ব্যবহার করবেন না

৫. খুশকি দূর করুন

খুশকি চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

ঘরোয়া সমাধান:

  • লেবুর রস
  • অ্যালোভেরা জেল
  • নিমপাতা

এসব ব্যবহারে মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকে।


দ্রুত চুল গজানোর উপায়

অ্যালোভেরা ব্যবহার

অ্যালোভেরা চুলের গোড়া শক্ত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

ডিমের হেয়ার মাস্ক

ডিমে প্রচুর প্রোটিন থাকে যা চুল মজবুত করে।

মেথি ব্যবহার

মেথি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে কার্যকর।


চুল পড়া বন্ধে ভিটামিন

চুল সুস্থ রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন প্রয়োজন।

ভিটামিন উপকারিতা
Vitamin D চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়
Biotin চুল মজবুত করে
Iron চুল পড়া কমায়
Zinc স্ক্যাল্প সুস্থ রাখে
Vitamin E চুল চকচকে করে

চুল পড়া বন্ধের ওষুধ

বর্তমানে বাজারে কিছু জনপ্রিয় হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট পাওয়া যায়।

জনপ্রিয় প্রোডাক্ট:

  • Minoxidil
  • Biotin Tablet
  • Hair Serum
  • Onion Shampoo

তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।


পুরুষদের চুল পড়ার কারণ

পুরুষদের ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণেও চুল পড়ে। একে Male Pattern Baldness বলা হয়।

সমাধান:

  • Minoxidil
  • Finasteride
  • Hair Therapy

নারীদের চুল পড়ার কারণ

নারীদের ক্ষেত্রে:

  • হরমোন পরিবর্তন
  • গর্ভাবস্থা
  • PCOS
  • আয়রনের অভাব

এসব কারণে চুল পড়তে পারে।


যেসব কাজ করলে চুল বেশি পড়ে

  • ভেজা চুল আঁচড়ানো
  • অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার
  • প্রতিদিন শ্যাম্পু করা
  • রাত জাগা
  • কম পানি পান করা

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের সমস্যা থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো উচিত:

  • অতিরিক্ত চুল পড়া
  • মাথায় টাক দেখা দেওয়া
  • চুলকানি বা ইনফেকশন
  • হঠাৎ চুল পাতলা হয়ে যাওয়া

উপসংহার

চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হলেও সঠিক যত্ন নিলে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নিয়মিত তেল ব্যবহার, স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ কমালে চুল অনেক বেশি সুস্থ থাকে।

তবে দীর্ঘদিন চুল পড়া চলতে থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬ গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন বাংলাদেশে মোবাইলের দাম ২০২৬ – জনপ্রিয় ৫০টি স্মার্টফোনের আপডেটেড মূল্য তালিকা আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদের দুর্নীতি এখনো বহাল টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি আওয়ামী দোসর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানা– পর্ব ১ প্রকৌশলী আবু তালেবের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয় ও ১৬ প্রকল্পে দুর্নীতির পাহাড় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিনিয়র স্কেল ছাড়াই পদোন্নতি গণপূর্তে কোটি টাকার বাণিজ্য গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা