খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

ব্রাজিলকে চার গোলে উড়িয়ে দিল মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ
ব্রাজিলকে চার গোলে উড়িয়ে দিল মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক:

শুধু লাতিন আমেরিকাই নয়, পুরো বিশ্ব ফুটবলেই সম্ভবত সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা বিরাজ করে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ ঘিরে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের খেলা হলে পুরো ফুটবল বিশ্বই যেন ভাগ হয়ে যায় দুই ভাগে।

বুধবার (২৬ মার্চ) এমনই এক ম্যাচ ছিল বুয়েনস আয়ার্সে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সুবিধাজনক স্থান নিশ্চিতের লক্ষ্যে পূর্ণশক্তির দল নিয়েই প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে গিয়েছিল সেলেকাওরা। গোলকিপিংয়ে যদিও অনুপস্থিত ছিলেন দরিভালের প্রথম দুই পছন্দ অ্যালিসন বেকার ও এডারসন।

অপরদিকে বিশ্বকাপ অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় অনেকটা ফুরফুরে মেজাজেই আছে আলবিসেলেস্তারা। দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসিকে ছাড়াই এদিন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের সামলাতে নেমেছিল লিওনেল স্ক্যালোনির দল; যেখানে সফলও হয়েছেন তারা।

শুধু সফলই নয়, ঘরের মাঠে চার গোল করে ব্রাজিলকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা। বিপরীতে হজম করেছে মাত্র এক গোল।

৯০ মিনিটের খেলায় সেলেকাওদের মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগকে এক কথায় নাকানি-চুবানি খাইয়েছেন আলভারেজ-ফার্নান্দেজ-অ্যালিস্টাররা। দুর্দান্ত আর্জেন্টাইন রক্ষণের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছে রদ্রিগো-ভিনিসিউস-রাফিনহা ত্রয়ীও।

পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের গোলমুখে স্ক্যালোনির শিষ্যরা যেখানে শট নিয়েছে ৭টি, সেখানে ব্রাজিলের পক্ষ থেকে একমাত্র ম্যাথিয়াস কুনহা একটিমাত্র শট নিতে পেরেছেন আর্জেনটাইন গোলমুখে; অবশ্য ওই শটে আলবিসেলেস্তা গোলরক্ষক মার্টিনেজ পরাস্ত হয়েছেন ঠিকই। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার গোলবারের দিকে আরও মাত্র দুটি শট গেছে ব্রাজিলের দিক থেকে।

বল দখলের লড়াইয়েও বেশ খানিকটা পিছিয়েই ছিল দরিভাল শিষ্যরা। এমনকি ৯০ মিনিটে একটা কর্ণারও আদায় করতে পারেনি ব্রাজিলের তারাভরা আক্রমণভাগ।

যেমন উত্তেজনা নিয়ে শুরু হয়েছিল ম্যাচ, তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি ম্যাচে। ফলাফল অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে প্রথমার্ধেই। ম্যাচ শুরুর চার মিনিট না যেতেই ব্রাজিলিয়ান রক্ষণে প্রথম আঘাত হানেন আর্জেন্টিনার তরুণ তুর্কি জুলিয়ান আলভারেজ। ডি পলের পাস ধরে বামপ্রান্তে আক্রমণে যান নিকোলাস টাগলিয়াফিকো।

তার দারুণ পাস খুঁজে নেয় থিয়েগো আলমাদাকে। ছন্দে থাকা এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের ডিফেন্সচেরা পাস থেকে বল যায় আলভারেজের পায়ে। দুই ডিফেন্ডারের মাঝে বল পেয়ে গোল করতে কোনো সমস্যাই হয়নি তার।

এর ৮ মিনিট বাদেই আরেকটি আঘাত হানেন এনজো ফার্নান্দেজ। ব্রাজিলের অর্ধে একাই অনেকটা পথ পার করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। সেখান থেকে আলভারেজের পা ঘুরে বল যায় নাহুয়েল মলিনার কাছে। ডানপ্রান্তের ক্রস থেকে সহজ ফিনিশ করেন এনজো ফার্নান্দেজ।

জেতার মিশনে মাঠে নেমে ১২ মিনিটেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে সেলেকাওরা। অবশ্য প্রথমার্ধের অনেকটা সময় বাকি থাকতেই ব্রাজিলের খেলায় ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয় ম্যাথিয়াস কুনহার গোলে। ম্যাচের ২৬তম মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো বল পায়ে পজিশন হারান কুনহার প্রেসিংয়ের কাছে।

সেখান থেকে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশিং করেন ইংলিশ ক্লাব উলভসে দারুণ সময় কাটানো এ ফরোয়ার্ড

এটাই শেষ। পুরো খেলায় সেই অর্থে আর কোনো সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি দরিভালের শিষ্যরা, উল্টো প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই খেয়ে বসে আরেকটা গোল।

এবার স্কোরশিটে নাম লেখান অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে কর্নার থেকে ফেরত আসা বলে মাপা এক চিপ করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ৬ গজের ছোট বক্সের সামনে তাতে আলতো পা ছুঁয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন লিভারপুল স্টার ম্যাক অ্যালিস্টার।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ক্ষতটা আরেকটু বাড়িয়ে দেন বদলি নামা গুইলিয়ানো সিমিওনে; ৬৮ মিনিটে আলমাডার বদলি হিসেবে নামার পর মাত্র তিন মিনিট সময় নেন স্কোরশিটে নাম লেখাতে।

ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই নামার আগেই এদিন বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিতের খবর পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। বলিভিয়া ও উরুগুয়ের মধ্যকার ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ায় আগেভাগেই ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হয়ে গেছে লিওনেল স্ক্যালোনির দলের। আর এই ম্যাচ শেষে কনমেবল অঞ্চলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের টেবিলে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে এখন আর্জেন্টিনাই।

অন্যদিকে ২১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে অবস্থান করছে ব্রাজিল। তাদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে পাঁচে থাকা প্যারাগুয়ে এবং ছয়ে থাকা কলম্বিয়া। যদিও এখইন পর্যন্ত কনমেবল অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই থেকে সেলেকাওদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা খুব কম, তবুও দলের বর্তমান ফর্ম বেশ অস্বস্তিতেই ফেলেছে কোচ, ম্যানেজমেন্ট ও সমর্থকদের।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

রাজউক—যে প্রতিষ্ঠানটির নাম দেশের নাগরিকদের কাছে ছিল একসময় স্বপ্নের আরেক নাম, আজ তা পরিণত হয়েছে দুর্নীতির মহাসিন্ডিকেটে রূপান্তরিত এক ভয়াবহ প্রশাসনিক ‘ডার্ক জোন’-এ। আর এই অন্ধকার সিস্টেমের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন এক ব্যক্তি—পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া—যিনি আজ শুধুই একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, বরং রাজউকের গায়ে শেকড় গেড়ে বসা এক দুর্নীতিচক্রের নির্লজ্জ সম্রাট।

 

তিনি যেন নিজেই প্রতিষ্ঠানের উপরে প্রতিষ্ঠিত এক প্রভু—যার নিয়ন্ত্রণে চলছে গোপন আর্থিক সাম্রাজ্য, যেখানে ব্যতিক্রম নয়—ঘুষের অঙ্ক, ক্ষমতার দম্ভ, অদৃশ্য চুক্তি এবং এক ভয়ংকর আমলাতান্ত্রিক তস্করগোষ্ঠীর স্বাধীন অভিযান।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে রাজউকের মহাখালী জোন আজ কার্যত রূপ নিয়েছে ‘কর্তৃত্ববাদী দুর্নীতির হেডকোয়ার্টার’-এ। এখানে নির্মাণ পরিদর্শকরা আর নির্মাণ আইন প্রয়োগকারী নন—তারা এখন ঘুষ বাণিজ্যের টেকসই ‘ম্যানেজার’। প্রতিটি ফাইল আটকে রাখার পেছনে রয়েছে অর্থবাণিজ্যের হীনচক্র, যা পরিচালকের সরাসরি জ্ঞাতসারে সংঘটিত হচ্ছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। রাজউকের মূলনীতি ও আইনি কাঠামো এখানে শুধুই খোলস—তার আড়ালে গড়ে উঠেছে এক বিস্তৃত প্রশাসনিক ব্ল্যাকমার্কেট।

 

এই সিন্ডিকেটের অন্যতম কুশীলব ছিলেন মো. সোলাইমান হোসেন, যিনি ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে একজন সংবাদকর্মীর উপর প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছেন, শুধু এজন্য নয় যে তিনি সাংবাদিককে অপছন্দ করেন—বরং এটা ছিল পুরো চক্রটির বার্তা, “আমরা অপরাধী, কিন্তু ধরার কেউ নেই!” হামলার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছে, কিন্তু পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এটিকে “তেমন কিছু না” বলে সরাসরি ধামাচাপা দিতে উদ্যত হয়েছেন। যদিও শেষপর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে—এমন স্পষ্ট অপরাধের বিচারহীনতা কি কেবল ঊর্ধ্বতনদের দুর্বলতা, নাকি তা পরিচালকের প্রশাসনিক মদতের প্রতিফলন?

 

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু পেশাগত নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও ভয়াবহভাবে বিতর্কিত। অভিজাত ক্লাব, লাউঞ্জ আর বারগুলোতে তার নিয়মিত আসা-যাওয়া, মদ্যপান, নারীসঙ্গ—এসব নিয়ে প্রশাসনিক মহলে কানাঘুষা বহুদিনের। রাষ্ট্রীয় একজন কর্মকর্তার জীবনে যখন নৈতিকতার এমন দেউলিয়াত্ব আসে, তখন সেটি ব্যক্তিগত সীমা অতিক্রম করে রাষ্ট্রীয় নৈতিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি যেন একজন আধুনিক-কালের দুর্নীতিগ্রস্ত কেলিগুলা, যিনি একাধারে ভোগবিলাস, ক্ষমতা ও ঘৃণ্য প্রশাসনিক দম্ভের প্রতীক।

 

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, তার সময়েই রাজউকের ইতিহাসে সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো—মাত্র এসএসসি পাস আব্দুর রহিমকে প্রধান ইমারত পরিদর্শক হিসেবে! এমন এক পদ যেখানে প্রকৌশল, আইনি ও প্রশাসনিক দক্ষতা অপরিহার্য, সেখানে শুধুমাত্র ‘ঘুষ ক্ষমতা’ দিয়ে একজন শিক্ষাগতভাবে অযোগ্য ব্যক্তি কীভাবে আসীন হন? এ কি কেবল তদবির, না সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার ‘ম্যানেজমেন্ট থিওরি’-র ফল? এই নিয়োগ রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে, এবং জনগণের আস্থাকে পদদলিত করে।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফোন কেটে দেন, মেসেজের উত্তর দেন না, কিংবা রীতিমতো ব্যঙ্গাত্মক আচরণ করেন। অথচ একজন পরিচালকের উচিত ছিল জবাবদিহিমূলক আচরণ। বরং তার আচরণে ফুটে ওঠে একধরনের ঔদ্ধত্য, যা শুধুমাত্র দুর্নীতিগ্রস্ত ‘সুরক্ষিত চক্রের’ মধ্যেই দেখা যায়।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এখন রাজউকের ভেতরে রাষ্ট্রের বাইরে একটা ছোট ‘রিপাবলিক’ তৈরি করেছেন—যেখানে তার নিজের আইন, নিজের বিচার, নিজের শাসন। এই সাম্রাজ্যে প্রবেশ করতে হলে লাগে শুধু দুটি জিনিস—অন্ধ আনুগত্য আর মোটা ঘুষে

চলবে…..

রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ।

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন-৪/২ (মহাখালী)-এর ইমারত পরিদর্শক মো. সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ। রাজনৈতিক পরিচয় আর প্রভাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি গড়ে তুলেছেন এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন শত কোটি টাকা।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সোহাগ মিয়া একসময় ছাত্রলীগের পরিচয়ে দাপট দেখালেও পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজের রূপ বদলেছেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ উপদেষ্টাদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে রাজউকে নিজের একক আধিপত্য বজায় রাখছেন। তার এই দাপটের সামনে জোন-৪/২-এর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

 

মহাখালী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অসংখ্য নকশাবহির্ভূত ভবন গড়ে তোলার পেছনে সোহাগ মিয়ার প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও, অদৃশ্য কারণে তা মাঝপথেই থমকে যায়।

 

অভিযোগ আছে, মোটা অঙ্কের উৎকোচ এবং মুচলেকার বিনিময়ে এসব অবৈধ স্থাপনাকে বৈধতা দেওয়া হয়। স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট হারে ‘পার্সেন্টেজ’ বা কমিশন ছাড়া এই জোনে কোনো ফাইল নড়ে না।

 

নির্মাণাধীন ভবনের অনুমোদন নিতে আসা সাধারণ গ্রাহকদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। সোহাগ মিয়া ও তার দালালি সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করছে। অনেক ক্ষেত্রে “উপরে টাকা পাঠাতে হয়” এমন অজুহাতে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। তার দাবি করা অর্থ না দিলে ভবনে ত্রুটি খুঁজে বের করে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

 

রাজউকের অভ্যন্তরে সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ থাকলেও কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই বদলি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দেওয়া হয়।

 

ফলে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই তিনি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের উৎস এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে রাজউকের উচ্চপর্যায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

[বিস্তারিত আসছে পরবর্তী সংখ্যায়…]

এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ
এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত ১১ মে ২০২৬ তারিখে এস. এ টিভি এবং বৈশাখী টিভির অনলাইন সংস্করণে “দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক জানান, জনপ্রিয় এই পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো প্রকার যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।

প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে দুই মাস আগে ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ শহীদুল ইসলাম উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় আইনত এটি একটি ‘সাব-জুডিস’ বিষয়। বিচারাধীন মামলার বিষয়ে এ ধরনের একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশ করা আইনগত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

কর্তৃপক্ষ মনে করে, একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়াতে একপাক্ষিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র।

প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রতারক মির্জা সোবেদ আলী রাজা গত দুই বছর ধরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে দুটি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং- ৩৪৯/২৬ এবং মামলা নং- ১০, তারিখ: ১৬/০৩/২০২৬)।

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে যশোর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে