খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

দেশবরণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমন’র মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
দেশবরণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমন’র মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাধারণ সাংবাদিক সমাজ কর্তৃক দেশবরণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

রোববার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪ ঘটিকায় ডিআরইউ’র সাগর রুনী মিলনায়তনে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ’র সম্পাদক ও প্রকাশক এবং সাধারন সাংবাদিক সমজ’র প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মাসুদের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সভাপতি আবু সালেহ আকন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত ও স্মৃতিচারন করেন ডিআরইউ’র প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে স্মৃতিচারণ করেন, মেহেদী হাসান রিয়াদ, মুন্না খান, জিয়াউর রহমান, ইমরান হোসেন, হাফিজুর রহমান শফিক, এইচ এম আল আমিন, সৈয়দা রিমি কবিতা, নিয়ামুল হাসান নিয়াজ, চামেলি রহমান, মুস্তাকিম নিবিড়, আজিজুল ইসলাম যুবরাজ, ফয়সাল আহমেদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, জিয়াউল হক তুহিন, আকাশ মনি, জাহাঙ্গীর আলম পলক, জুয়েল খন্দকার, শফিকুর রহমান, রাজু, বাবু, আলম সহ অন্যান্য পত্রিকা টিভির সংবাদকর্মী বৃন্দ।

স্মৃতিচারন কালে অনেকেই বলেন, দেশ সেরা বিভিন্ন দৈনিকে চার সহস্রাধিক লীড, ব্যাক লীড প্রকাশের অনন্য নজির একমাত্র রিমনেরই রয়েছে। তাছাড়া সকল বিষয়ে রিপোর্টিং করার রেকর্ডটাও একমাত্র তারই দখলে। সুপ্রাচীন অতীত কিংবা সুদূর আগামিতেও এ রেকর্ড কেউ ছুঁয়ে দেখবেন-এমনটা কল্পনা করাও অবাস্তব।

জাতীয় পর্যায়ের প্রথম শ্রেণীর সকল গণমাধ্যমে রিপোর্টারগণ সাধারনত বিট ভিত্তিক’ রিপোর্ট করে থাকেন। কেউ পলিটিক্যাল, কেউ ডিপ্লোম্যাটিক, কেউ ইকোনোমিক, আবার কেউ কেউ স্পোর্টস কিংবা বিনোদন বিটের রিপোর্ট করেন।

কালেভদ্রে কোনো রিপোর্টারকে একাধিক বিটে কিছু রিপোর্ট করার দৃষ্টান্ত দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু সাঈদুর রহমান রিমনের ক্ষেত্রেই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, শেয়ারবাজার, অপরাধ, বিনোদন, নাগরিক সেবা সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পার্লামেন্ট, কুটনৈতিক, দুদক, নির্বাচন কমিশন, আইসিটি, মেডিক্যাল, প্রতিরক্ষা, কৃষি, শিক্ষাসহ সকল বিটের সব বিষয়ে দেদারছে রিপোর্ট করার এন্তার নজির রয়েছে।

এমনকি আইন বিষয়ে বিস্তৃত ধারনা না থাকলে আইন-আদালত সম্পর্কিত স্পর্শকাতর বিষয়ে কারো রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে অলিখিত নিষেধাজ্ঞাই দেয়া আছে সকল গণমাধ্যমে। অথচ নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত এমনকি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বিষয়ে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের রিপোর্টগুলোও অবলীলায় তৈরি করেছেন রিমন।

সকল বিষয়েই আশ্চর্যরকম পারফরমেন্স দেখিয়েই ঈর্ষনীয় পর্যায়ের গৌরবের অধিকারী হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বাস্তবতায় একমাত্র মেশিনম্যান রিমনের পক্ষেই এটা সম্ভব। অথচ বিনয়ী রিমনের কন্ঠে ‘এখনও ভাল মানের রিপোর্টার হতে না পারার’ আক্ষেপের সুর বাজে।

যেন মোটেও তিনি ক্লান্ত হননি, মেটেনি তার লেখার সাধও। একথা বললে বেশি বলা হবে না যে, সাঈদুর রহমান রিমনের জন্মই হয়েছে রিপোর্ট করার জন্য।

সাঈদুর রহমান রিমন ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলাস্থ জাবরা পীরবাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা ইউনুস উদ্দিন আহমেদ ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক। ষাটের দশকে তৎকালীন দৈনিক পাকি¯ (পরবর্তীতে দৈনিক বাংলা)- এর সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। মা সাহারা আহমেদ ছিলেন একজন গৃহিনী। সাঈদুর রহমান রিমন তার চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ট। তিনি ১৯৮৪ সালে এসএসসি, ১৯৮৬ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯০ সালে বাংলায় অনার্স পাশ করেন।

সাভার কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় ১৯৮৫ সালে তৎকালীন পাঠক সমাজে ব্যাপক সমাদৃত সাপ্তাহিক মুক্তিবাণী পত্রিকার মাধ্যমেই তার সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত একটানা আট বছর তিনি দৈনিক ইত্তেফাক এর ‘সাভার সংবাদদাতা’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দৈনিক ইত্তেফাকে ধামরাইয়ে মুক্তিপণ আদায়কারী চোখবাঁধা পার্টির নির্মমমতা, মানুষের কংকাল-হাড়-রক্ত-কিডনিসহ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রির রোমহর্ষক কাহিনী উদঘাটন, শিশু খাদ্যের গুড়ো দুধে বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয়তা শীর্ষক সাড়া জাগানো নানা প্রতিবেদন রচনা করে ব্যাপক আলোচিত হন।

১৯৯৪ সালে রিমন ঢাকায় দৈনিক আলআমীন পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে এবং ১৯৯৭ সালে দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। রিমন ২০০০ সালের এপ্রিল মাসে দৈনিক মুক্তকন্ঠ পত্রিকায় সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন।

২০০২ সাল থেকে ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত তিনি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় এবং ২০০৪ সালের মে মাস থেকে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পত্রিকা দৈনিক সংবাদ’এ দায়িত্ব পালন করেন রিমন।
২০০৯ সালে বসুন্ধরার ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সাড়া জাগানো বাংলানিউজ ২৪.কম অনলাইনে ক্রাইম ইনচার্জ হিসেবে এবং ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনে ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং সেল এর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২২ সালের ১ মে তিনি দৈনিক দেশবাংলা‘র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক পদে নিয়োগ লাভ করেন। ২০২৩ সালের ১ জুন সাঈদুর রহমান রিমন দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবেও মর্যাদা লাভ করেন। এসব ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে দৈনিক খবর বাংলাদেশ, নতুন সময়, দৈনিক অন্যদিগন্ত, সাপ্তাহিক দেশপত্র, নতুন বার্তা, সাপ্তাহিক সাফকথা’র প্রধান সম্পাদক সহ সর্বশেষ দৈনিক বাংলাভূমি’র প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সাঈদুর রহমান রিমন গত ৩০ জুলাই বুধবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গাজীপুরের শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজে মৃত্যু বরন করেন, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

রাজউক—যে প্রতিষ্ঠানটির নাম দেশের নাগরিকদের কাছে ছিল একসময় স্বপ্নের আরেক নাম, আজ তা পরিণত হয়েছে দুর্নীতির মহাসিন্ডিকেটে রূপান্তরিত এক ভয়াবহ প্রশাসনিক ‘ডার্ক জোন’-এ। আর এই অন্ধকার সিস্টেমের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন এক ব্যক্তি—পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া—যিনি আজ শুধুই একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, বরং রাজউকের গায়ে শেকড় গেড়ে বসা এক দুর্নীতিচক্রের নির্লজ্জ সম্রাট।

 

তিনি যেন নিজেই প্রতিষ্ঠানের উপরে প্রতিষ্ঠিত এক প্রভু—যার নিয়ন্ত্রণে চলছে গোপন আর্থিক সাম্রাজ্য, যেখানে ব্যতিক্রম নয়—ঘুষের অঙ্ক, ক্ষমতার দম্ভ, অদৃশ্য চুক্তি এবং এক ভয়ংকর আমলাতান্ত্রিক তস্করগোষ্ঠীর স্বাধীন অভিযান।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে রাজউকের মহাখালী জোন আজ কার্যত রূপ নিয়েছে ‘কর্তৃত্ববাদী দুর্নীতির হেডকোয়ার্টার’-এ। এখানে নির্মাণ পরিদর্শকরা আর নির্মাণ আইন প্রয়োগকারী নন—তারা এখন ঘুষ বাণিজ্যের টেকসই ‘ম্যানেজার’। প্রতিটি ফাইল আটকে রাখার পেছনে রয়েছে অর্থবাণিজ্যের হীনচক্র, যা পরিচালকের সরাসরি জ্ঞাতসারে সংঘটিত হচ্ছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। রাজউকের মূলনীতি ও আইনি কাঠামো এখানে শুধুই খোলস—তার আড়ালে গড়ে উঠেছে এক বিস্তৃত প্রশাসনিক ব্ল্যাকমার্কেট।

 

এই সিন্ডিকেটের অন্যতম কুশীলব ছিলেন মো. সোলাইমান হোসেন, যিনি ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ সালে একজন সংবাদকর্মীর উপর প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছেন, শুধু এজন্য নয় যে তিনি সাংবাদিককে অপছন্দ করেন—বরং এটা ছিল পুরো চক্রটির বার্তা, “আমরা অপরাধী, কিন্তু ধরার কেউ নেই!” হামলার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছে, কিন্তু পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এটিকে “তেমন কিছু না” বলে সরাসরি ধামাচাপা দিতে উদ্যত হয়েছেন। যদিও শেষপর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে—এমন স্পষ্ট অপরাধের বিচারহীনতা কি কেবল ঊর্ধ্বতনদের দুর্বলতা, নাকি তা পরিচালকের প্রশাসনিক মদতের প্রতিফলন?

 

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু পেশাগত নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও ভয়াবহভাবে বিতর্কিত। অভিজাত ক্লাব, লাউঞ্জ আর বারগুলোতে তার নিয়মিত আসা-যাওয়া, মদ্যপান, নারীসঙ্গ—এসব নিয়ে প্রশাসনিক মহলে কানাঘুষা বহুদিনের। রাষ্ট্রীয় একজন কর্মকর্তার জীবনে যখন নৈতিকতার এমন দেউলিয়াত্ব আসে, তখন সেটি ব্যক্তিগত সীমা অতিক্রম করে রাষ্ট্রীয় নৈতিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি যেন একজন আধুনিক-কালের দুর্নীতিগ্রস্ত কেলিগুলা, যিনি একাধারে ভোগবিলাস, ক্ষমতা ও ঘৃণ্য প্রশাসনিক দম্ভের প্রতীক।

 

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, তার সময়েই রাজউকের ইতিহাসে সবচেয়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো—মাত্র এসএসসি পাস আব্দুর রহিমকে প্রধান ইমারত পরিদর্শক হিসেবে! এমন এক পদ যেখানে প্রকৌশল, আইনি ও প্রশাসনিক দক্ষতা অপরিহার্য, সেখানে শুধুমাত্র ‘ঘুষ ক্ষমতা’ দিয়ে একজন শিক্ষাগতভাবে অযোগ্য ব্যক্তি কীভাবে আসীন হন? এ কি কেবল তদবির, না সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার ‘ম্যানেজমেন্ট থিওরি’-র ফল? এই নিয়োগ রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে, এবং জনগণের আস্থাকে পদদলিত করে।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফোন কেটে দেন, মেসেজের উত্তর দেন না, কিংবা রীতিমতো ব্যঙ্গাত্মক আচরণ করেন। অথচ একজন পরিচালকের উচিত ছিল জবাবদিহিমূলক আচরণ। বরং তার আচরণে ফুটে ওঠে একধরনের ঔদ্ধত্য, যা শুধুমাত্র দুর্নীতিগ্রস্ত ‘সুরক্ষিত চক্রের’ মধ্যেই দেখা যায়।

 

সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া এখন রাজউকের ভেতরে রাষ্ট্রের বাইরে একটা ছোট ‘রিপাবলিক’ তৈরি করেছেন—যেখানে তার নিজের আইন, নিজের বিচার, নিজের শাসন। এই সাম্রাজ্যে প্রবেশ করতে হলে লাগে শুধু দুটি জিনিস—অন্ধ আনুগত্য আর মোটা ঘুষে

চলবে…..

রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ।

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন-৪/২ (মহাখালী)-এর ইমারত পরিদর্শক মো. সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ। রাজনৈতিক পরিচয় আর প্রভাবকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তিনি গড়ে তুলেছেন এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন শত কোটি টাকা।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সোহাগ মিয়া একসময় ছাত্রলীগের পরিচয়ে দাপট দেখালেও পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজের রূপ বদলেছেন। বর্তমানে তিনি সরকারের উচ্চপদস্থ উপদেষ্টাদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে রাজউকে নিজের একক আধিপত্য বজায় রাখছেন। তার এই দাপটের সামনে জোন-৪/২-এর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

 

মহাখালী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অসংখ্য নকশাবহির্ভূত ভবন গড়ে তোলার পেছনে সোহাগ মিয়ার প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হলেও, অদৃশ্য কারণে তা মাঝপথেই থমকে যায়।

 

অভিযোগ আছে, মোটা অঙ্কের উৎকোচ এবং মুচলেকার বিনিময়ে এসব অবৈধ স্থাপনাকে বৈধতা দেওয়া হয়। স্থানীয় ঠিকাদারদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট হারে ‘পার্সেন্টেজ’ বা কমিশন ছাড়া এই জোনে কোনো ফাইল নড়ে না।

 

নির্মাণাধীন ভবনের অনুমোদন নিতে আসা সাধারণ গ্রাহকদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। সোহাগ মিয়া ও তার দালালি সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করছে। অনেক ক্ষেত্রে “উপরে টাকা পাঠাতে হয়” এমন অজুহাতে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। তার দাবি করা অর্থ না দিলে ভবনে ত্রুটি খুঁজে বের করে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

 

রাজউকের অভ্যন্তরে সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ থাকলেও কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না। তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই বদলি বা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দেওয়া হয়।

 

ফলে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই তিনি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের উৎস এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে রাজউকের উচ্চপর্যায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

[বিস্তারিত আসছে পরবর্তী সংখ্যায়…]

এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ
এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত ১১ মে ২০২৬ তারিখে এস. এ টিভি এবং বৈশাখী টিভির অনলাইন সংস্করণে “দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক জানান, জনপ্রিয় এই পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো প্রকার যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।

প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে দুই মাস আগে ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ শহীদুল ইসলাম উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় আইনত এটি একটি ‘সাব-জুডিস’ বিষয়। বিচারাধীন মামলার বিষয়ে এ ধরনের একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশ করা আইনগত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

কর্তৃপক্ষ মনে করে, একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়াতে একপাক্ষিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র।

প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রতারক মির্জা সোবেদ আলী রাজা গত দুই বছর ধরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে দুটি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং- ৩৪৯/২৬ এবং মামলা নং- ১০, তারিখ: ১৬/০৩/২০২৬)।

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে যশোর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে