খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চাঁদপুর গণপূর্তে একচ্ছত্র আধিপত্য স্বৈরাচারের সহযোগী কোটিপতি প্রকৌশলী আলী নূর এখনো বেপরোয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
চাঁদপুর গণপূর্তে একচ্ছত্র আধিপত্য স্বৈরাচারের সহযোগী কোটিপতি প্রকৌশলী আলী নূর এখনো বেপরোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আলী নূরের কবলে পড়েছে চাদপুর গণপূর্ত বিভাগ। নিজ জেলায় পোস্টিং হওয়ার কারণে তিনি এখন চরম বেপরোয়া।

ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষসহ কাউকেউ মানেন না তিনি। টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ বেনামে ঠিকাদারী ব্যবসাসহ সকল অপকর্মের কাজী তিনি। বিগত লীগ সরকারের আমলে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপুমনির ভাইয়ের বদৌলতে ছাঁদপুর গণপূর্তে ব্যাপক প্রভাব দেখিয়ে লুটতরাজ চালিয়েছেন তিনি।

 

সিভিলের প্রকৌশলী হলেও স্বৈরাচারের প্রভাবে ই/এম সাবডিভিশনের দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়ে বহু অপকর্ম ঘটিয়েছেন এই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আলী নূর। চাকরিজীবনে এভাবে অনিয়ম দুর্নীতি আর ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে চাঁদপুরে কয়েকশ’ বিঘা জমি,

 

চাঁদপুর শহরে ভবন, ঢাকার মিরপুরে ইষ্টার্ণ হাউজিংয়ে ভবন, একই এলাকায় আরো কয়েকটি ফ্ল্যাটসহ নামে- বেনামে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকার মালিক এই গণপূর্ত ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মোঃ আলী নূর ২০০৪ সালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত চতুর আলী নূর জমি অধিগ্রহণ কাজ চলমান এমন জেলায় পোস্টিং বাগিয়ে নেন।

পদ্মা বহুমুখি সেতু প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হলেই ২০০৮ সালে সে মুন্সীগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে পোস্টিং নিয়ে নেয়। সেখানে জমি অধিগ্রহণ ভূমি প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ সার্ভেয়ারদের সাথে সিন্ডিকেট গড়ে অসহায় ভূমি মালিকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন।

জেলা প্রশাসন বিষয়টি টের পেয়ে গেলে তড়িঘড়ি করে ডিপ্লোমা সমিতির নেতাদের ঘুষ দিয়ে শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগে পোস্টিং নেন ২০১৩ সালে। তখন সেখানে পুরদমে অধিগ্রহণকৃত স্থাপনার মূল্য নির্ধারণের কাজ চলমান। অসহায় জমি মালিকদের জিম্মি

করে কয়েক বছরে হাতিয়ে নেন প্রায় শত কোটি টাকা। চাঁদপুরে ১টি মেরিন টেকনলজি এর নির্মাণ শুরু হলে নিজ জেলা চাঁদপুরে পোস্টিং করিয়ে নেন প্রায় ২০ লক্ষ টাকা খরচ করে। চাঁদপুর মেরিন এবং টি টি সি প্রকল্পের পরতে পরতে এখনও আলী নুরের দুর্নীতি আর লুটপাটের চিহ্ন বিদ্যমান আছে।

বিগত ফাসিসট সরকারের আমলে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনির ভাইয়ের ছত্রছায়ায় চাঁদপুর গণপূর্ত বিভাগের একছত্র অধিপতি হয়ে ওঠেন তিনি ।

এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ সে পদোন্নতিপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) হলেও সে সময়ে প্রভাব খাটিয়ে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (ই/এম) এর দায়িত্বে এখন পর্যন্ত নিয়োজিত আছেন। বিগত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মতলব উত্তর উপজেলায় সড়ক প্রশস্থকরণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ এর ফলে কিছু স্থাপনার মূল্য নির্ধারণের প্রয়োজন পড়ে।

এ সংক্রান্ত একটি চাহিদা নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আসলে আলী নূর তৎকালীন মন্ত্রী দিপু মনির তদ্বিরে নির্বাহী প্রকৌশলীকে চাপ দিয়ে সিভিল এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর বদলে নিজে এ দায়িত্ব বাগিয়ে নেন।

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের পর চাঁদপুর একজন সৎ ও দক্ষ জেলা প্রশাসক পদায়ন হলে উক্ত মূল্য নির্ধারণ পুনরায় করার জন্য গণপূর্ত বিভাগে প্রেরণ করেন। তখন উক্ত স্থাপনার মূল্য আগের ছেয়ে অর্ধেক হয়ে যায়।

জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত দুর্নীতির অর্থ দিয়ে চাঁদপুর জেলা নির্বাচন অফিস ও পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন প্রায় ৫০ শতক জমি নামে-বেনামে কিনে নেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আলী নুর। নিজ নামে গড়ে তলেন একটি বহুতল ভবন।

 

এছাড়াও জমি কেনাবেচা নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন তিনি। উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মোঃ ফিরোজকে প্রভাব বিস্তার করে পার্শ্ববর্তী অধিবাসীর জায়গায় দেয়াল নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে ইউএনও ও নির্বাহী প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপে ভবন মালিক এর সমাধান পান।

চাঁদপুর ছাড়াও দুর্নীতির অর্থে আলী নূর ঢাকার মিরপুর এর ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। একই এলাকায় তার নামে-বেনামে আরো সহায়-সম্পদ আছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আলী নূরের দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

বিল আটকে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এলজিইডি প্রকৌশলী ইমরানের বিরুদ্ধে!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বিল আটকে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এলজিইডি প্রকৌশলী ইমরানের বিরুদ্ধে!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশাল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, কমিশন বাণিজ্য, বিল আটকে রাখা, বদলি আদেশ কার্যকর না করা এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা আদায়ের একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন রাস্তা ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পের বিল ছাড় করতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ২ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দাবি করা হতো। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ মওকুফ বা প্রকল্প সংশোধনের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, কমিশন বা আর্থিক সুবিধা ছাড়া কোনো ফাইল অনুমোদন হতো না।

একাধিক ঠিকাদারের বক্তব্য অনুযায়ী, কার্যাদেশ প্রদান, রিভাইজ স্কিম অনুমোদন এবং বিল পরিশোধের প্রতিটি ধাপে অনৈতিক লেনদেনের চাপ ছিল। এতে অনেক ঠিকাদার ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ বা মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিলেও পরে পরিস্থিতি আপসের মাধ্যমে সামাল দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. এনামুল হককে ব্যবহার করে ঘুষ ও কমিশন সংগ্রহের একটি চক্র পরিচালিত হতো। অভিযোগকারীদের দাবি, তার “সবুজ সংকেত” ছাড়া কোনো ফাইল অগ্রসর হতো না।

একই সঙ্গে বদলি সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ বাস্তবায়ন না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ১৪ মে জারিকৃত আদেশে এনামুল হককে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় বদলির নির্দেশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, অভ্যন্তরীণ প্রভাব খাটিয়ে বদলি প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, তিনি ঢাকার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন এবং অফিস পরিচালনা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিজ দপ্তর থেকেই নেওয়া হয়। তবে তার এই বক্তব্যকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যেসব আত্মীয়তার দাবি করা হয়েছে, তার বেশিরভাগই বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

অন্যদিকে এলজিইডির একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ফিল্ড পর্যবেক্ষণের পরিবর্তে দপ্তরে বসেই প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো প্রকল্পের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল এবং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি প্রকল্প ও অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা

এ সব বিষয়ে বরিশাল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরানের

বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে

প্রকাশ করা হবে।

চাঁদপুর গণপূর্তে একচ্ছত্র আধিপত্য স্বৈরাচারের সহযোগী কোটিপতি প্রকৌশলী আলী নূর এখনো বেপরোয়া বিল আটকে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এলজিইডি প্রকৌশলী ইমরানের বিরুদ্ধে! ১৪৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে সমাজসেবা অধিদপ্তর প্রশাসনের খামখেয়ালি আর ইজারাদারদের দৌরাত্ম্যে গৌরীপুর ছাড়লো কাঠবাজার দাউদকান্দিতে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন দাউদকান্দিতে দোকান বন্ধ করে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চট্ট্রগ্রাম বিআরটিএর সানাউল হকের রমরমা ঘুষ বাণিজ্যে। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় – ঘরোয়া টিপস, কারণ ও কার্যকর সমাধান ২০২৬ গ্যাসের সবচেয়ে ভালো ওষুধের নাম ও রোগের কাজ জেনে নিন বাংলাদেশে মোবাইলের দাম ২০২৬ – জনপ্রিয় ৫০টি স্মার্টফোনের আপডেটেড মূল্য তালিকা টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি প্রকৌশলী আবু তালেবের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয় ও ১৬ প্রকল্পে দুর্নীতির পাহাড় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিনিয়র স্কেল ছাড়াই পদোন্নতি গণপূর্তে কোটি টাকার বাণিজ্য গ্রীষ্মে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে: তীব্র গরমেও ত্বক রাখুন সতেজ ও উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফলের দাম কত ২০২৬ | আজকের ফলের বাজারদর গণপূর্তে ফয়সাল হালিমের ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ শত কোটি টাকা লোপাটের খতিয়ান হরমুজ ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপের দেশগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। গণভবনের নাম ভাঙ্গিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শওকত আলী দুর্নীতির নগর রাজত্ব পরিচালক সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার অধীনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত রাজউক  রাজউক পরিদর্শক সোহাগ মিয়ার দালালি সাম্রাজ্য: শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়।