খুঁজুন
, ,

মাহফুজ আলমের পরিচয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
মাহফুজ আলমের  পরিচয়

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হয়েছেন মো. মাহফুজ আলম। বুধবার (২৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক মো. মাহফুজ আলম (মাহফুজ আব্দুল্লাহ)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কানিজ ফাতেমা স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধান উপদেষ্টার মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টিসাপেক্ষে সরকারের সচিব পদমর্যাদায় প্রযোজ্য বেতন ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠন করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আরও একজন বিশেষ সহকারী পেয়েছেন; নিয়োগ পেলেন সরকার পতন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক মো. মাহফুজ আলম।

বুধবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মাহফুজ আলমের ঠিকানা

মাহফুজ আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর উপজেলার রামগঞ্জ উপজেলার ইসাপুর গ্রামে।
<
তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির তাত্ত্বিক নেতা হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্রশক্তির নেতারাই ছিলেন শুরু থেকে।

মাহফুজুলকে নিয়োগ দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাহফুজ আলমকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তাকে সচিব পদমর্যাদায় বেতন, আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

যোগদানের তারিখ থেকে প্রধান উপদেষ্টার মেয়াদ অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটা আগে ঘটে) তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

এর আগে ২৪ অগাস্ট অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল হাফিজকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্ব পালনে প্রধান উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন।

আবদুল হাফিজ উপদেষ্টার পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিন দিন পর ইউনূসের নেতৃত্বে শপথ নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারে এ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনজন প্রতিনিধি যুক্ত হলেন।

উপদেষ্টা পরিষদে আছেন দুজন, যাদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন; আরেকজন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দায়িত্ব পেয়েছেন যুব, ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের।

মাহফুজ আলম আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী।

ত্যাগ:

মাহফুজ আলম, মাহফুজ আলমের পরিচয়, মাহফুজ আলমের তথ্য, মাহফুজ আলমের যোগ্যতা, মাহফুজ আলমের বয়স, মাহফুজ আলমের অভিজ্ঞতা,  মাহফুজ আলম করে, মাহফুজ আলমের ঠিকানা, মাহফুজ আলমের পরিবার, মাহফুজ আলমের গ্রামের বাড়ী, মাহফুজ আলমের, ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী, ব্যক্তিগত সহকারী মাহফুজ আলম, মাহফুজ আলমের বাবা, মাহফুজ আলমের ফেসবুক আইডি, মাহফুজ আলমের ফোন নম্বর, মাহফুজ আলমের ইমেইল নং, Mahfuz alam, mahfuz Alom bio-data, Mahfuz alam info, Mahfuz Alom address

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন।

 

 

খান ট্রেডার্স, খান বিল্ডার্স, রাতুল এন্টারপ্রাইজ ও ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটারকে নিয়ে গঠন করেছেন ঠিকাদারি সিন্ডিকেট। অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মানিক লাল দাসের বিরুদ্ধে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মানিক লাল দাস ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাপন অমান্য করে এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ভোলা গণপূর্ত বিভাগের ৮০% ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের অনুমতি প্রদান করে কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর পরিচয়ে আওয়ামী সরকারের শেষ সময়ে গোটা দক্ষিণাঞ্চল দাবড়িয়ে বেড়িয়েছেন তিনি। হাসনাতের প্রভাবে বরিশাল গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসা, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নির্মাণ মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দের মোটা অংকের অর্থ প্রতিবছর লোপাট করে আসছেন তিনি।

অবৈধ উপায়ে আয়কৃত অর্থের একটি অংশ তিনি আ’ লীগের বিতর্কিত একতরফা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ও তার ছেলে সাদিক আবদুল্লাহর মেয়র নির্বাচনী কাজে ব্যয় করেছেন অভিযোগ রয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ভোলা বরিশাল ও পটুয়াখালীতে স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র-জনাতার আন্দোলন দমাতে ফ্যাসিস্ট লীগের মাধ্যমে অনেক টাকা খরচ করেছেন তিনি।

এখনো ফ্যাসিস্ট লীগের লোকজনকে কাজ দেয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীদের চাপ দেন। তার অধীনস্থ বিভাগগুলোতে ঝালকাঠির নাসির খানের মালিকানাধীন খান বিল্ডার্স, ভোলা সদরের ফ্যাসিস্ট লীগের সহ সভাপতি হাসান মিয়ার রাতুল এন্টারপ্রাইজ, ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটার ও বরিশালের কাশিপুরের বাসিন্দা মিজান খানের খান ট্রেডার্স এর মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে সেই টাকা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলে লোক জোগান দিতে ব্যয় করান বলে অভিযোগ উঠেছে। ,প্রত্যেক এক্সেনকে ডিসেম্বরের আগেই এই চার ফার্মের নামে মিনিমাম ৮ টি কাজ দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানাগেছে।

মানিক লাল দাস ২০২২ সালে যখন যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তখন মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের দরপত্র সীমিত পদ্ধতিতে আহবান করার কথা থাকলেও তার নির্দেশের কারণে কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগ উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করে মানিক লালের পছন্দের ঠিকাদারদের কে কাজ পাইয়ে দিতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিনিময়ে মানিক লাল দাস মোটা কমিশন হাতিয়ে নেন। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী কৃষি আবহওয়া অফিসের সিভিল স্যানিটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ। তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৫৯৮ তারিখ ২১/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৯২১১। কুষ্টিয়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় ও পরিদর্শন বাংলোর সিভিল স্যানেটারী মেরামত কাজ।

তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৫৯৭ তারিখ ২১/০৩/২০২২ খ্রিঃ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং- ৬৭৯০১১। কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর বাউন্ডারী ওয়াল, গেট, গার্ডরুম ও বাথরুম সিভিল ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ। তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৫ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৪৫৩। কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে সিভিল, স্যানেটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৭ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে দরপত্র অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং ৬৭৫৯৭ এবং কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর ছাত্রী হোষ্টেলের ২য় তলায় সিভিল, স্যানেটারী ও বৈদ্যুতিক মেরামত কাজে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করছেন।

অন্যদিকে তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৩ তারিখ ০৬/০৩/২০২২খ্রিঃ মাধ্যমে দরপত্র অনুমোদন উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৩৬৬। ৬) কুষ্টিয়া ম্যাটস্ এর প্রশাসনিক ভবনের গ্যালারী মেরামত, রুম, জানালা মেরামতসহ বৈদ্যুতিক মেরামত কাজ। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, যশোর গণপূর্ত সার্কেলের স্মারক নং ১৪৯৬ তারিখ ০৬/০৩/২০২২ মাধ্যমে প্রাক্কলন অনুমোদন ও উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের পত্র প্রদান করেন যার দরপত্র আইডি নং৬৭৬৪১৫।

এই সকল মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের দৃষ্টি গোচর হতে পারে বলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ সীমিত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান করার কথা থাকলেও উন্মক্ত পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানের নির্দেশনা সম্বলিত পত্র ও প্রাক্কলন অনুমোদন দেন যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস।

২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রধান প্রকৌশলীর জুলাই মাসের অফিস আদেশ অমান্য করে এক দিনের নোটিশে দরপত্র ওপেনিং দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেয়ার জন্য ততকালীন কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম কে জোর জবরদস্তি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিধি বহির্ভুতভাবে সময় বর্ধন অনুমতি দিয়েছেন যেটা দিতে পারবেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান প্রকৌশলী করবেন অনুমোদন সেটা নিজেই অনুমোদন দিয়েছেন। ঝিনাইদহ পাসপোর্ট অফিস, কুষ্টিয়া সাংবাদিক কাঙাল হরিনাথ স্মৃথি মিউজিয়াম, মাগুরা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মান প্রকল্প ও শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি সম্প্রসারিত উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন অঙ্গের এছাড়া যশোর সার্কেলের সকল ডিভিশনের নিয়ম বহির্ভূতভাবে সময় বর্ধন, ভেরিয়েশন ও প্রাক্কলন অনুমোদন দিয়েছেন।

এছাড়া কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প এর কাজের সময়েও এই মানিক লাল দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিলো যে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত কাজের সাথে থাকলেও তিনি সাইট পরিদর্শনে আসেন না বললেই চলে। সারাদিন অফিসে বসে বসে ঠিকাদারদের অপেক্ষায় থাকেন কখন কোন ঠিকাদার অফিসে এসে তার কমিশন দিয়ে যাবে। এসময় ভবন নির্মাণ কাজের অবহেলায় ছাদ ধসের ঘটনায় অনেকের শাস্তি হলেও তিনি থেকে যান ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

এছাড়া, সে সময় অন্য ঠিকাদারদের যেখানে কাজের মেয়াদ শেষ, সেখানে ঠিকাদার জহুরুল ইসলামের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ২০২২ সাল পর্যন্ত। অথচ এই জহুরুলের নির্মাণাধীন কাজের অংশেই ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি হাসপাতাল ভবনের গাড়ি বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। পরে এ প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী, এসডি, এসওসহ চারজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার এবং দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও দায়িত্বে অবহেলা ও সাইট পরিদর্শনে অলসতার অভিযোগ যেই মানিক লালের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।

মানিক লাল দাস ভোলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালীন ২০১৪ সালের নির্বাচনকালীন সরকারের ৩ মাসের তোফায়েল আহমেদের গণপূর্ত মন্ত্রী থাকাকালীন ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর ভোলার সাবেক চালচোর চেয়ারম্যান হাসান মিয়া ও তার ভাই হোসেন মিয়ার প্রভাবে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ -১ পদায়ন পেয়েছিলেন। তিনি ঢাকার একটি ডিভিশন ঠিকমতো চালাতে পারেন নি।

তাই সে সময় তাকে দীর্ঘ দিন ফরিদপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাখা হয়। পরে পদোন্নতি পেয়ে যশোর গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। যশোর গণপূর্ত সার্কেলের আওতাধীন ঝিনাইদহ, মেহেরপুর , যশোর, কুষ্টিয়া, নড়াইল ও মাগুরা গণপূর্ত বিভাগের ৮০% ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহবান অনুমতি দিয়ে তিনি কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানাগেছে।

টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক :

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যখন ‘উন্নয়নের মহাসড়ক’ তৈরির প্রতিশ্রুতিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তখন সেই মহাসড়কের অন্তরালে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। সরকারি টেন্ডার ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনাকে পুঁজির খেলার মাঠে পরিণত করেছেন একদল প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে নাম উঠে এসেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের।

অভিযোগ অনুযায়ী, আলমগীর খান সরকারি টেন্ডারবাণিজ্যকে নিজের ব্যক্তিগত আয়ের খনিতে পরিণত করেছেন। বড় বড় প্রকল্পের টেন্ডারে জটিল শর্ত জুড়ে দিয়ে তিনি পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেন, আর এর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের ঘুষ ও কমিশন হাতিয়ে নেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার অভিযোগ—আলমগীর খানের টেবিলে কোনো ফাইল তদবির ছাড়া নড়ে না। প্রতিটি অনুমোদনের পেছনে থাকে ‘নির্ধারিত হারে ঘুষের হিসাব’।

তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে—

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, গ্রামের বাড়িতে অট্টালিকা নির্মাণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন এবং আত্মীয়স্বজনের নামে বিপুল সম্পদ গঠন করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ঠিকাদারি চক্র, রাজনৈতিক নেতা ও আমলাতান্ত্রিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী যোগাযোগ, যা তাঁকে করেছে প্রশাসনিকভাবে অদৃশ্য এক শক্তিমান ব্যক্তি।

গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম, ঘুষ ও সম্পদ পাচারের তথ্য উঠে এলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ ছড়ালেও, গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তিনি রয়ে গেছেন অক্ষত।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক সাবেক কর্মকর্তা বলেন, “আলমগীর খান এমন এক ‘অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়ের’ ভেতরে আছেন, যেখানে আইন পৌঁছায় না। তিনি নিজেই যেন একটি প্রতিষ্ঠান।

তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সারকথা একটাই—রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে তিনি বানিয়েছেন নিজের ধনসম্পদের উৎস। জনগণের করের টাকা থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তিনি তৈরি করেছেন বিলাসী জীবনের দুর্গ।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন একটাই, রাষ্ট্রের এই সিন্ডিকেটনির্ভর দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ নেবে কে? আলমগীর খানের মতো ক্ষমতাধর কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনবে কে?

এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি

মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী পৃষ্ঠপোষকতায় গণপূর্তে তামজিদ সিন্ডিকেট: এক দশকেও ভাঙেনি দুর্নীতির জাল।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
আওয়ামী পৃষ্ঠপোষকতায় গণপূর্তে তামজিদ সিন্ডিকেট: এক দশকেও ভাঙেনি দুর্নীতির জাল।

 

 

 

গণপূর্ত ই/এম৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন আওয়ামী পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৩ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন। একটি বেসরকারি

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছেন। চাকরির শুরু থেকে আওয়ামী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছেন।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৫-এর একটি সরকারি টেন্ডার মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার পরও একটি যৌথ উদ্যোগ (JV) প্রতিষ্ঠানকে অন্যায়ভাবে ‘নন-রেসপনসিভ’ (অযোগ্য) ঘোষণা করে অন্য একটি সংস্থাকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ‘Baset Prokousholi Limited-Versatile Technology Ltd JV’ নামের একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান উক্ত টেন্ডারে অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানের আইনজীবীদের দাবি, টেন্ডারের শর্ত মোতাবেক প্রয়োজনীয় সমজাতীয় কাজের অভিজ্ঞতা (Similar Nature Work Experience), সমাপ্তি সনদ (Completion Certificate) এবং কাজের পরিধি (Scope of Work) সংক্রান্ত সব বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। টেন্ডার নথিতে নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্পের নাম নয়, বরং কাজের ধরন ও কারিগরি জটিলতার সামঞ্জস্যতা চাওয়া হয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, উক্ত যৌথ প্রতিষ্ঠানটি এর আগে একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম প্রকল্পে ইন্টারনাল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, স্টেজ লাইটিং, সাউন্ড সিস্টেম, এলইডি ডিসপ্লে, এয়ার কন্ডিশনিং এবং অ্যাকোস্টিক ওয়ার্কসের মতো অত্যন্ত জটিল প্রযুক্তিগত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। কিন্তু মূল্যায়ন কমিটি রহস্যজনকভাবে সেই অভিজ্ঞতাকে আমলে না নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে অযোগ্য ঘোষণা করে এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ‘Notification of Award (NOA)’ বা কার্যাদেশ জারির নোটিশ দেয়।

এই অনিয়মের প্রতিবাদে বঞ্চিত প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাজ্জাদ হোসেন পলাশ গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর একটি আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, এই ধরনের মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সরকারি ক্রয়বিধির (PPR) স্বচ্ছতা, সমতা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার নীতির পরিপন্থী। নোটিশে অবিলম্বে ৩টি দাবি জানানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটিকে ‘নন-রেসপনসিভ’ ঘোষণার সুনির্দিষ্ট কারণ লিখিতভাবে জানাতে হবে।

জমাকৃত অভিজ্ঞতার সনদসমূহ পুনরায় নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

তড়িঘড়ি করে জারি করা NOA-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে। একই সাথে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ ও সন্তোষজনক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বিষয়টি

প্যানেল এবং উচ্চ আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

আইনি নোটিশে শুধু বর্তমান টেন্ডারই নয়, বরং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত একাধিক উচ্চমূল্যের প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নোটিশে সুনির্দিষ্টভাবে তিনটি বড় প্রকল্পের আর্থিক অনিয়মের খতিয়ান তুলে ধরা হয়:

শাহবাগ বিসিএস প্রশাসন একাডেমি প্রকল্প (টেন্ডার আইডি-১১০৯৩০১): প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়ে আধুনিক ক্লাসরুম নির্মাণ, সাউন্ড, কনফারেন্স ও ইন্টারনেট সিস্টেম স্থাপন।

কাকরাইল বিএমইটি ভবন প্রকল্প (টেন্ডার আইডি-১০৮১৮১০): প্রায় ৮৯ লাখ ৩৬ হাজার ৯০৩ টাকা ব্যয়ে ৫০০ কেভিএ সাবস্টেশন প্রতিস্থাপন।

জিএসবি ভবন প্রকল্প (টেন্ডার আইডি-১০৭২১৪৫৮): প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ১২৫০ কেভিএ সাবস্টেশন স্থাপন।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব প্রকল্পের দরপত্র মূল্যায়ন ও কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার ন্যূনতম পরিবেশ বজায় রাখা হয়নি। বিশেষ করে লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড (LTM)-এর অপব্যবহার করে অনেক ক্ষেত্রে মাত্র একটি সিডিউল বিক্রি ও একটি মাত্র দরপত্র জমা নিয়েই তড়িঘডি

করে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের একতরফা প্রক্রিয়া সরকারি ক্রয়ের প্রতিযোগিতামূলক এবং উন্মুক্ত নীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক বলে নোটিশে দাবি করা হয়।

এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে গণপূর্ত ই/এম৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মানিক লাল দাস বরিশাল গণপূর্ত সার্কেল-কে অনিয়ম দুর্নী তির আখড়ায় পরিণত করেছেন। টেন্ডারবাণিজ্যের গডফাদার: গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খানের শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য; আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড তিনি আওয়ামী পৃষ্ঠপোষকতায় গণপূর্তে তামজিদ সিন্ডিকেট: এক দশকেও ভাঙেনি দুর্নীতির জাল। মেয়েদের চুল পড়া বন্ধ করার ১০টি কার্যকর উপায় | স্বাস্থ্যকর ও ঘন চুলের গাইড ২০২৬ মেয়েদের ওজন কমানোর সহজ ডায়েট চার্ট ও ব্যায়াম | স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন কমানোর গাইড ২০২৬ SSC Result 2026 – এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার নিয়ম, প্রকাশের তারিখ ও মার্কশিট কুমিল্লায় স্বেচ্ছাসেবীদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে সবুজ একাদশের দুর্দান্ত জয় গণপূর্তের প্রকৌশলী অমিত কুমারের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, নড়েচড়ে বসেছে দুদক সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে! সাংবাদিকতার আড়ালে আ’লীগ নেতার চাঁদাবাজি ও ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়মিত অফিস করেন না ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী, খায়রুজ্জামান থমকে আছে গণপূর্তের উন্নয়ন কাজ” কুমিল্লা উপসহকারী প্রকৌশলী একরামুল হকের ৫০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ চট্টগ্রামে সিএনজি প্রতিস্থাপনে ৬০কোটি ঘুষ বাণিজ্য করা বিআরটিএর ডিডি সুব্রত দেবনাথ বহাল তবিয়তে মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিকীর পেটে উন্নয়ন প্রকল্পের ৫০ কোটি টাকা আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ: সিন্ডিকেট ও কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য দাউদকান্দিতে তালাবদ্ধ বাড়ির গেট কেটে চুরি  স্বর্ণালঙ্কারসহ নগদ অর্থ লুট সাংবাদিক মনির হোসেন এর ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে সংবাদ সম্মেলন দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ পিডি ও ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের পকেটে চিলমারী বন্দরের ৩৩৫ কোটি! ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের খুঁটির জোর কোথায়? ডিজি বদলি, কিন্তু বিতর্কের অবসান কোথায়? চাঁদপুর গণপূর্তে একচ্ছত্র আধিপত্য স্বৈরাচারের সহযোগী কোটিপতি প্রকৌশলী আলী নূর এখনো বেপরোয়া বিল আটকে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এলজিইডি প্রকৌশলী ইমরানের বিরুদ্ধে! ১৪৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে সমাজসেবা অধিদপ্তর প্রশাসনের খামখেয়ালি আর ইজারাদারদের দৌরাত্ম্যে গৌরীপুর ছাড়লো কাঠবাজার দাউদকান্দিতে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন