খুঁজুন
বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩

বাংলাদেশে ফলের দাম ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে ফলের দাম ২০২৫

ফল আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের এক অপরিহার্য অংশ। বাংলাদেশের নানা অঞ্চলে ফল উৎপাদন হলেও, মৌসুম, আমদানি ও শুল্ক বিভিন্ন কারণে তাদের দাম ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে। বিশেষ করে বাংলাদেশ ফলের দাম ২০২৫ ফলমূল খাতের পরিবর্তন, আমদানি শুল্ক বাড়ানো ইত্যাদি কারণগুলো বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।

এই লেখায় আমরা বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলগুলোর প্রতি কেজি দাম বিশ্লেষণ করবো, ২০২৫  কারণগুলো দেখবো এবং কিছু কৌশল দেব কীভাবে ভালো দামে ফল কেনা যায়। কী কারণে ফলের দাম বেড়ে যায়?

১. আমদানি শুল্ক ও কর বৃদ্ধি
২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি সরকার আমদানি করা ফলের উপর অতিরিক্ত “supplementary duty” (পরিপূরক শুল্ক) ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত বাড়ালো। এ সিদ্ধান্তের ফলে আমদানিকৃত ফলগুলোর দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ৩০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। (Daily Sun)

২. ডলার সংকট ও মুদ্রা অবমূল্যায়ন
২০১৯ থেকে ২০২৫-এর মধ্যে টাকার মান ডলারের তুলনায় কমেছে, ফলে আমদানির খরচ বেশি হয়ে গেছে।

৩. পরিবহন ও লজিস্টিক খরচ বেড়ে যাওয়া
জ্বালানি, গ্যাস, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বৃদ্ধির কারণে ফসল পরিবহন ব্যয়ও বেশি হয়।

৪. সাপ্লাই চেনের বিঘ্ন
মৌসুমের বাইরে ফল উৎপাদন সংকীর্ণ হয়, সরবরাহ কম থাকে। মধ্যস্থ কারবারি ও সিন্ডিকেট দামে প্রভাব ফেলে।

৫. চাহিদা বৃদ্ধির সময়কালের প্রভাব
উৎসব, রমজান বা বিশেষ সময়ে ফলের চাহিদা বেশী হয় — সেই সুযোগে দাম দ্রুত বাড়ে।


১০টি জনপ্রিয় ফল ও তাদের দাম (প্রতি কেজি) — ২০২৫

নিচে ঢাকার খুচরা বাজার ও বিভিন্ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কিছু জনপ্রিয় ফলের দাম দেওয়া হলো:

ফলআনুমানিক দাম (টাকা/কেজি)মন্তব্য / উৎস
আপেল (ফুজি ও গালা মডেল)২৮০ – ৪০০ টাকাঢাকার ফল বিক্রেতারা এ রকম দাম বলছেন।
কমলা / মাল্টা / ম্যান্ডারিন২৮০ – ৩৫০ টাকাবিদেশি উত্স ও গুণগত মান অনুযায়ী পরিবর্তন।
আঙুর (সাদা / কালো / লাল)৪৫০ – ৮৫০ টাকাঘরোয়া ও আমদানিকৃত আঙুর উভয়ই এই পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। (The Financial Express)
ডালিম (Pomegranate)৪৫০ – ৬৩০ টাকাগুণমান অনুযায়ী দাম। (New Age)
পেয়ারা (Guava)৮০ – ১৩০ টাকাদেশি উৎপাদিত পেয়ারা বাজারে এই দামে পাওয়া যাচ্ছে।
তরমুজ (Watermelon)৬০ – ৮০ টাকাগ্রীষ্মকালে তুলনামূলক সস্তা পাওয়া যায়।
পেঁপে (Pawpaw / Papaya)১২০ – ১৫০ টাকাঅনেক বাজারে এ দামে বিক্রি হচ্ছে।
আম (দেশি, হিমসাগর / গোপালভোগ প্রভৃতি)পাইকারি ৬০–৯০, খুচরা ১২০–১৫০বাদামতলী পাইকারি বাজারে হিমসাগর ও গোপালভোগ বিক্রি হচ্ছে ৮৫–৯০ টাকা; খুচরা দাম কিছুটা বেশি। (BSS)
স্ট্রবেরি (Imported / Local)(উচ্চ)সাপ্লাই সীমিত; গ্লোবাল হোল্ডিং অনুযায়ী দাম বেশি।
নাশপাতি (Pear / Naspati)৩৩০ – ৩৬০ টাকা (সাদা নাশপাতি)আমদানি ফলের মধ্যে জনপ্রিয়।

উল্লেখযোগ্য দৃষ্টিকোণ:

  • ঢাকার কিছু ফল বিক্রেতারা ইতিমধ্যে আপেলের দাম ৩৮০–৪০০ টাকা পর্যায়ে দেখাচ্ছেন।
  • কমলা ও মাল্টা বিদেশি উত্স থেকে আমদানির ক্ষেত্রে দাম বাড়িয়েছে।
  • বিদেশি ফলগুলোর দাম মাত্রাতিক্ত হেলে প্রায় ৫০–৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। (Independent Television)

বিশ্লেষণ ও দৃষ্টিভঙ্গি

খুচরা ও পাইকারির পার্থক্য

পাইকারি বাজারে কিছু ফল তুলনামূলকভাবে কম দাম থাকে, কিন্তু খুচরা পর্যায়ে মধ্যস্থ কারবারি ও পরিবহন খরচ যুক্ত হয়ে দাম অনেক বাড়তে পারে। (dhakapost.com)

দাম বাড়ার গতিবিধি

গত এক–দুটি বছর ধরে বিশেষ করে আমদানি ফলগুলোর দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। (bhorernotunbarta.com)

গুণ ও ব্র্যান্ডের প্রভাব

একই ফল হলেও গুণের পার্থক্যে দাম বড়ভাবে পরিবর্তিত হয়: সাইজ, প্যাকেজিং, যাতায়াতের দূরত্ব ইত্যাদি।

অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনা

দেশি ফলগুলোর উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ালে ভবিষ্যতে দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে। সরকার যদি আমদানিকৃত ফলের শুল্ক কমায়, সেটিও খরচ কমাতে সহায়ক হবে। (বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস)


ফল কেনার কৌশল ও টিপস

  1. মৌসুম চেনে ফল কেনা
    যে ফল সেই মৌসুমে বেশি পাওয়া যায়, তার দাম তুলনামূলক কম হবে।
  2. পাইকারি বাজারে আগে কেনা
    যদি বড় পরিমাণ ফল লাগবে, পাইকারি বাজারে অগ্রিম অর্ডার দিয়ে দাম কম পাওয়া যেতে পারে।
  3. কুকুর্বাহী বা প্যাকেজড ফল তুলনা করা
    অনেক সময়ে প্যাকেট বা ব্র্যান্ডেড ফল বেশি দাম হয় — মান যাচাই করে কেনা উচিত।
  4. দাম তুলনা করা
    এক বাজারে দাম বেশি থাকলে অন্য বাজারে যাচাই করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পার্থক্য পাওয়া যায়।
  5. সরকারি নীতিমালা ও শুল্ক খোঁজা
    ফলদ্রব্যের উপর কোন নতুন শুল্ক বা কর আরোপ হয়েছে কি না — সেসব সংবাদ নজর রাখা।

উপসংহার

২০২৫ সালে বাংলাদেশে ফলমূলের দাম সাধারণভাবে খুচরা পর্যায়ে অনেক বেশি। আমদানি শুল্ক वृद्धि, ডলার সংকট, পরিবহন খরচ ও চাহিদা বৃদ্ধি — এসব কারণ মিলে ফলমূলের দামকে প্রভাবিত করছে। যদিও দেশি ফল অপেক্ষাকৃত সস্তা থাকে, তবুও সম্পূর্ণভাবে দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

ত্যাগ: ২০২৫ ফলের দাম, বাংলাদেশ ফলের দাম, কমলাম দাম কত, আপেলের দাম কত, মাল্টার দাম কত, আঙুরের দাম, ২০২৫ ফলের কেজি কত, ডালিমের দাম, পেয়ারার দাম, নাশপতি কেজি কত, আমের দাম কত, ফলের দাম ঢাকা, ফলের দাম রংপুর, ফলের দাম চট্টগ্রাম

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১

এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ
এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত ১১ মে ২০২৬ তারিখে এস. এ টিভি এবং বৈশাখী টিভির অনলাইন সংস্করণে “দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। প্রকাশিত সংবাদটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক জানান, জনপ্রিয় এই পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো প্রকার যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।

প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়, এ বিষয়ে দুই মাস আগে ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ শহীদুল ইসলাম উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় আইনত এটি একটি ‘সাব-জুডিস’ বিষয়। বিচারাধীন মামলার বিষয়ে এ ধরনের একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশ করা আইনগত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

কর্তৃপক্ষ মনে করে, একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়াতে একপাক্ষিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র।

প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রতারক মির্জা সোবেদ আলী রাজা গত দুই বছর ধরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে দুটি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং- ৩৪৯/২৬ এবং মামলা নং- ১০, তারিখ: ১৬/০৩/২০২৬)।

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়।

 

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন :

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরকে ঘিরে ফের সামনে এসেছে ভয়াবহ দুর্নীতি, টেন্ডার সিন্ডিকেট, নিয়োগ বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সাংবাদিকতার আড়ালে গড়ে ওঠা কথিত দালালচক্রের বিস্ফোরক অভিযোগ।

অভিযোগের তীর উঠেছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং মো. মাসুদের বিরুদ্ধে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া এক অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, বদলি-নিয়োগ বাণিজ্য এবং রাজনৈতিক যোগাযোগকে হাতিয়ার বানিয়ে গড়ে তুলেছে অঘোষিত সাম্রাজ্য।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শুধু সরকারি প্রকল্প নয়—গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখানো এবং অর্থের বিনিময়ে সংবাদ গায়েব করার মতো ঘটনাও এই চক্রের কার্যক্রমের অংশ হয়ে উঠেছে।

বদরুল আলমের ‘সম্পদের পাহাড়’ আয়ের সঙ্গে নেই সামঞ্জস্য। দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের রাজধানীতে একাধিক প্লট ও বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। গ্রামের বাড়িতে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাংলো ও খামারবাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ব্যালেন্স।

অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরির বৈধ আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের কোনো মিল নেই। আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত সম্পদের তথ্য গোপন রেখে আয়কর ফাইলে অসত্য তথ্য দেওয়া এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ সরিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে নিয়মিতভাবে।

টেন্ডার, নিয়োগ ও বদলিতে ‘অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ’

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার ও ক্রয় কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করেন বদরুল আলম খান। ভোলা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লাকেন্দ্রিক কিছু ঠিকাদারকে নিয়ে তিনি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

মিরপুর ডিভিশনের একটি বড় প্রকল্পে ‘আসিফ’ নামের এক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া ভাষানটেক থানাসহ পুলিশের ১০৭ থানা নির্মাণ প্রকল্পেও তার প্রভাব ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগও বিস্ফোরক। অভিযোগ অনুযায়ী, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চাকরি নিশ্চিত করতে না পারায় টাকা ফেরত দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা।

সাংবাদিকতার আড়ালে ‘দালালচক্র’-সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি—গণপূর্তকে ঘিরে গড়ে ওঠা কথিত “সাংবাদিক-কাম দালালচক্র”।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রের দাবি, এক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে নিয়মিত গণপূর্তে অফিস করছেন এবং প্রধান প্রকৌশলীসহ প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের হয়ে বিভিন্ন তদবির চালাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, গণপূর্ত নিয়ে কোনো অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হলে তিনি প্রথমে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের হুমকি দেন, পরে অর্থের প্রস্তাব দিয়ে সংবাদ সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন।

সূত্রগুলো বলছে, ওই ব্যক্তি নিজেকে নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীবের চাচাতো ভাই পরিচয় দেন এবং প্রায় প্রতিদিনই আহসান হাবীবের কক্ষে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—গণপূর্তের দুর্নীতির খবর নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে প্রতিবেদন সরিয়ে ফেলতে চাপ প্রয়োগই ছিল তার মূল কাজ।

একাধিক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গণপূর্তে এখন সাংবাদিকতার আড়ালে দালালি বড় অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। কেউ দুর্নীতির খবর প্রকাশ করলেই শুরু হয় চাপ, হুমকি, পরে টাকার অফার।

নারী সাংবাদিককে ঘিরেও বিতর্ক-অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক নারী সাংবাদিকের সঙ্গে বদরুল আলম খানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই সাংবাদিককে ব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকর্তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করা হয়েছে।

তবে এই ধরনের ব্যক্তিগত অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ফেসবুক পোস্টে নতুন বিস্ফোরণ-গণপূর্তকে ঘিরে সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট বিতর্ক নতুন মাত্রা পায়।আখতারুজ্জামান খান রকি নামের একজনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্ট ঘিরে।

তিনি পোস্টে লেখেন—গণপূর্ত অধিদপ্তরে এক সাংবাদিক নাকি কক্ষ দখল করে নিয়মিত অফিস করছেন। প্রধান প্রকৌশলীসহ অন্যান্যদের নিউজ না করার তদবির (হুমকি) করছেন সেই অফিসে বসে। এসব লিখতাম না,

বিএনপির নাম ব্যবহার না করলে। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গণপূর্তের ভেতরে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। জানা গেছে, পোস্টটিতে এস. কে. আরিফসহ আরও কয়েকজন মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া জানান।

নির্বাচনের আগে ‘৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ’-

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

একাধিক প্রকৌশলীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০ কোটি টাকা বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সেই অর্থ দলীয় নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‘সুপারসিড’ করে প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ।

বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নিয়োগ নিয়েও রয়েছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ রয়েছে, তার চেয়ে সিনিয়র পাঁচ কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, অতীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভুয়া সনদ ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনকভাবে তিনি দায় এড়িয়ে যান।

প্রকল্প বাস্তবায়নেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় সংসদ ভবন সংশ্লিষ্ট কাজ, ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রকল্পসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভয়াবহ ঘাটতি রয়েছে।

বক্তব্য মেলেনি অভিযুক্তদের-অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং মো. মাসুদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে এর আগে প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়। আমাকে সবাই চেনে।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি-প্রশাসন বিশ্লেষকদের মতে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যদি টেন্ডার সিন্ডিকেট, নিয়োগ বাণিজ্য, রাজনৈতিক প্রভাব ও সাংবাদিক দালালচক্রের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে তা রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তাদের ভাষ্য, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের আড়ালে লুকিয়ে থাকা দুর্নীতি, প্রভাব বাণিজ্য ও প্রশাসনিক অনিয়মের ভয়াবহ চিত্র সামনে আসতে পারে।

মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান

মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান

পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার কৃতিসন্তান আরফানুল আলম প্রধান। তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের মহলদার পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছিলেন একজন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং একই সঙ্গে প্রাণবন্ত ও রসিক স্বভাবের মানুষ।

তিনি শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন শান্তিরহাট ঝলঝলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে দেবীগঞ্জ এন.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিল তাঁর সক্রিয় পদচারণা। ‘বন্ধু নাট্যগোষ্ঠী’র সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও আধুনিক গান, উপন্যাস এবং ইসলামি গজল রচনায় তিনি তাঁর সৃজনশীল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি মেডিকেল কোরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে যোগদান করেন। কর্মজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও শিক্ষার প্রতি তাঁর অদম্য আগ্রহ ছিল অব্যাহত। আর্মি হেডকোয়ার্টারের অনুমতি নিয়ে তিনি তেজগাঁও সরকারি কলেজ এবং সিদ্ধেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স অব আর্টস (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন।

আরফানুল আলম প্রধান এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন এবং অনেক শিক্ষার্থীকে বই-খাতা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। তার সহযোগিতায় বহু শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছে।

২০২২ সালে তিনি কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও কখনো ভেঙে পড়েননি। ধৈর্য, সাহস ও আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস নিয়ে তিনি জীবনযুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও মানুষের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজের প্রতি আগ্রহ হারাননি।

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো প্রশিক্ষণ সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেন, যা তাঁর সাহসিকতা ও দৃঢ় মনোবলের পরিচায়ক। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), ঢাকায় কর্মরত অবস্থায় তিনি আর্মি হেডকোয়ার্টারের অনুমতি নিয়ে ফার্মগেটস্থ ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল থেকে ভিট্রিও-রেটিনা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, ঢাকা থেকে ডিপ্লোমা ইন অপটোমেট্রি (লো ভিশন) এবং মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ (কমিউনিটি) সম্পন্ন করেন।

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও তার অবদান ছিল প্রশংসনীয়। এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য তিনি বিভিন্ন সময় বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা কর্মসূচির আয়োজন করতেন। অসুস্থ ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করতেন। কেউ রক্তের প্রয়োজন হলে তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে রক্তদাতার ব্যবস্থা করে দেন। মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো ছিল তার জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাথমিক চক্ষু সেবা প্রদান করে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিষ্ঠা, দক্ষতা ও মানবিকতার সঙ্গে। তাঁর এই সেবাধর্মী মনোভাবেরই ধারাবাহিকতায় তিনি দেবীগঞ্জ উপজেলার গালান্ডী বাজারে একটি চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন, যেখান থেকে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা পেয়ে আসছেন।


সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। পরিবেশ রক্ষায় তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা এবং মানুষকে গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহ দিচ্ছেন। বিভিন্ন রাস্তার পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং খালি জায়গায় তিনি নিজ উদ্যোগে অসংখ্য গাছ রোপণ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, “একটি গাছ একটি প্রাণ, আর সবুজ পরিবেশই সুস্থ জীবনের ভিত্তি।”

বর্তমানে তিনি পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং লেখালেখির মাধ্যমে তাঁর সৃজনশীল জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

এস.এ ও বৈশাখী টিভির সংবাদ ভিত্তিহীন, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ কর্তৃপক্ষের তীব্র প্রতিবাদ গণপূর্তে ৫০ কোটির নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট নিয়ে তোলপাড়। মানবসেবায় নিবেদিত এক আলোকবর্তিকা আরফানুল আলম প্রধান গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট (১ম পর্ব) শত কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে যশোর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুর্নীতির ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামছুদ্দোহাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ ! গণপূর্তে সন্ত্রাসীদের দ্বারা সিন্ডিকেট গড়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদ হোসেন গণপূর্তের প্রকৌশলী তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: নেপথ্যে ভাই ও শক্তিশালী সিন্ডিকেট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা গণমাধ্যম সপ্তাহে দাউদকান্দিতে বর্ণাঢ্য শুভযাত্রা ও বৃক্ষরোপণ ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাহীন পুনর্বহাল রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে চট্টগ্রামে বেস্ট ফ্লাই ও বঙ্গনিউজের ইফতার আয়োজন