খুঁজুন
, ,

মতলবের পিআইও সেলিম খানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ২:৩৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
মতলবের পিআইও সেলিম খানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্য অনিয়মের অভিযোগ

 

ক্রাইম রিপোর্টার:

মতলব উত্তর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সেলিম খানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনমতে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে কোটি টাকার কাজ কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে বাস্তবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, অসম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়েছে বলে দেখানো এবং বিল উত্তোলনের মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন/সংস্কার স্কুল-কলেজ ভবন সংস্কার, সড়ক মেরামত ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে কাজ শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা বন্ধ হয়ে গেছে, তবুও প্রকল্পের অর্থ পুরোটাই উত্তোলন হয়েছে। কিছু কিছু প্রকল্প লেভেলিং ড্রেসিং এর মাধ্যমে অনিয়মে পিআইও-র যোগসাজশে পিআইসি ও প্রভাবশালী মহল সুবিধা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অবৈধ টাকায় ঢাকার আফতাবনগরে ১০ কাঠা জায়গায় রয়েছে নির্মানাধীন ১০ তলা বাড়ি।

২৪-২০২৫ অর্থ বছরে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা/কাবিখা কর্মসূচীর আওতায় ১ম ও ২য় পর্যায়ে কাবিটা ১৬৬৮৬১২০/- এর অনুকূলে ৬৮টি প্রকল্প, চাল ১১৯ মেট্রিক টন অনুকূলে ২১ টি প্রকল্প, এবং গম ১১৯ মেট্রিক টন অনুকূলে ১৯ টি প্রকল্প বরাদ্দ পাওয়া যায়। গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচীর ১৫৮৫৬১১৩/- টাকার অনুকূলে ১০২ টি প্রকল্প,এবং ৩য় পর্যায়ে কাবিটা ৮৩৪৩০৬০/- অনুকূলে ২৫ টি প্রকল্প,

চাল ৪৭ মেট্রিক টন অনুকূলে ০৭ টি প্রকল্প, এবং গম ৪৭ মেট্রিক টন অনুকূলে ০৭ টি প্রকল্প বরাদ্দ পাওয়া যায়। গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচীর ৭৯২৮০৫৬/- টাকার অনুকূলে ৪৮টি প্রকল্পের আওতায় সে আলোকে ইউনিয়ন পর্যায় হতে প্রকল্প প্রেরন তাছাড়া পরিপত্র মোতাবেক উপজেলা পিআইও এবং ইউএনও ২০% রিজার্ভ বরাদ্দ রাখতে পারে সেটা ইউনিয়ন এর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গুলো বাস্তবায়ন করতে।

কিন্তু পিআইও উপজেলার কলাকান্দা এবং এখলাসপুর নামক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর সাথে যোগসাজশে রিজার্ভ বরাদ্দ এর বেশিরভাগ টাকা সে দুটি ইউনিয়ন পরিষদের দেখিয়ে নামে মাত্র কাজ করে হাতিয়ে নিতেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। কাবিটা প্রকল্প হতে এখলাসপুর ইউনিয়নে বোরচর আশাদ বকাউলের জমির নিকট হতে খুনেরচর নদীরঘাট পর্যন্ত রাস্তা পুনঃ নির্মাণ বাবদ ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে লেভেল ড্রেসিং করে ৫০/৬০ হাজার টাকা কাজ করে পিআইসি এবং অফিস ম্যানেজম্যান্ট এর দায়িত্ব পালনকারী উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সালাউদ্দিন নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেন।

তাছাড়া মোহনপুর ইউনিয়নে বাহেরচর আলেমের বাড়ি হতে আশ্রয়ন প্রকল্প পযন্ত রাস্তা পুনঃ নির্মাণ বাবদ ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে নামে মাত্র কিছু কাজ করে বাকি টাকা পিআইসি এবং অফিস ম্যানেজম্যান্ট এর দায়িত্ব পালনকারী উমেদার সালাউদ্দিন নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেন।

তাছাড়া গজরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর সাদাকালা ব্রীজ হতে নয়াকান্দি ব্রীজ পযন্ত রাস্তা পুনঃ নির্মাণ প্রকল্পে ২.৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে নামে মাত্র পিআইসি এবং অফিস ম্যানেজম্যান্ট এর দায়িত্ব পালনকারী উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সালাউদ্দিন নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেন।

তাছাড়া ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সালাউদ্দিন এর শ্বশুর বাড়ির এলাকায় ফতেহপুর পশ্চিম এ গোয়ালবহর তাজুল ইসলাম মৃধা বাড়ির ইটের রাস্তা হতে সামিদ প্রধানের বাড়ি পযন্ত রাস্তা পুনঃ নিমাণ এ ২.২১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে পিআইসি এবং অফিস ম্যানেজম্যান্ট এর দায়িত্ব পালনকারী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সালাউদ্দিন নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেন

সকল প্রকল্প ইউনিয়ন থেকে ৫/৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে জনপ্রতিনিধিদেরকে সভাপতি করে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইউএনও পিআইও এর যৌথ স্বাক্ষরে পিআইসি সভাপতিকে বিল প্রদান করবে । সে অনুযায়ী উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসার বিল পাশ করে সভাপতির হাতে পোঁছাবে ।

ব্যাংক থেকে সভাপতি নিজ স্বাক্ষরে বিল উত্তোলন করবে। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো উপ-সহকারী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ বিল স্বাক্ষর করে নিজেই হিসাব রক্ষন অফিস থেকে পাশ করে নিজে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ১৫/২০% টাকা রাখেন। পরর্বতীতে পিআইসি সভাপতিকে বিল প্রদান করে।

গম চাল থেকে টন প্রতি ৫০০০/- টাকা দিতে বাধ্য করেন। এ বিষয়ে পিআইসি বলেন এটা কিসের টাকা রাখলেন? তখন তিনি বলেন এটা সরকারি ভ্যাট আইটি। কিন্তু সরকারি পরিপত্র মোতাবেক টিআর/কাবিটা কোন ভ্যাট আইটি কর্তন হয় না। এটা তারা ঘুষ হিসেবে চালিয়ে নিচ্ছেন।

তাছাড়া আরো জানা যায় স্থানীয় ঠিকাদারদের সাথে কথা বলে মতলবে ২৮ টি ব্রীজের অনুকূলে প্রায় ২০ কোটি টাকার বরাদ্দের ১০% টাকা উৎকোচ আদায় করেন ইঞ্জিনিয়ার সালাউদ্দিন আহমেদ।

এ সকল বিষয়ে মতলব উত্তর উপজেলার একাধিক চেয়ারম্যান/সচিবদের সাথে পিআইসি সভাপতি/মেম্বারগনের সাথে কথা বললে এগুলোর সত্যতা জানা যায়।

সবার মনে প্রশ্ন ৫ই আগষ্টের আগে তো এগুলো নামে মাত্র ৩%-৪% টাকা নিতো এখন দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ফ্যাসিস্ট সরকারের উপজেলার পিআইও মতলব উত্তর উপজেলায় আসার পর থেকে কেন ২০% টাকা আদায় হচ্ছে।

তাছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের প্রকল্পের সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে একাধিক চেয়ারম্যান/মেম্বারদের অভিযোগ রয়েছে তারা জানান,

সালাউদ্দিন আহমেদ সাইড ভিজিটে গেলে দশ হাজার টাকার নিচে সাইড ভিজিট ছাড়া আসে না। তাকে টাকা দিলে বিল দ্রুত হবে না হয় বিল ঘুরাবে বাস্তবে তাই হচ্ছে ।

পিআইসি সভাপতিদের সাথে পিআইও সেলিম খান খারাপ ব্যবহারে তারা আরোও বেশি কষ্ট পাচ্ছে। ওনাকে অফিসে গেলে পাওয়াই যায় না পরিপত্র মোতাবেক কাজ না করে নিজের আইনে অফিস পরিচালনা করেন এই কর্মকর্তা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, টাকা আদায় এবং নগদ টাকা বিতরনের মূল দায়িত্বে রয়েছে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায়

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি তিনি মূলত অফিস করেন না আর টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়েন না।

এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা, চাঁদপুর জানায়

ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারের পরও বাংলাদেশ ফুটবল দলের উন্নতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক:

মাঠের সব যাত্রার মূল্যায়ন শুধু জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়। ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারলেও জাতীয় দলের সার্বিক উন্নতি ও ইতিবাচক রূপান্তরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই তারকার মতে, শক্ত প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে লাল-সবুজের দল এখন একটি বড় অর্জনের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলছে।

সোমবার ফিফাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হামজা জানান, জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর দেড় বছরের পথচলা ছিল শেখার এবং দলকে গভীরভাবে বোঝার একটি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে এটি আমার জন্য অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা, আলহামদুলিল্লাহ। কঠিন সময় ও চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হলেও দল হিসেবে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ দল সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং বড় কিছুর ভিত তৈরি হচ্ছে।”

শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই ও ইতিবাচক ইঙ্গিত

চলতি টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলছে বাংলাদেশ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের উদাহরণ টেনে হামজা উল্লেখ করেন, “আগের ম্যাচের চেয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আমরা অনেক গুছিয়ে খেলেছি। মালয়েশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে আমাদের চেয়ে ৪৫ ধাপ এগিয়ে থাকলেও মাঠের খেলায় সেই ব্যবধান বোঝা যায়নি। এটি প্রমাণ করে দল হিসেবে আমাদের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমার মনে হয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ধাঁধার শেষ দুই-তিনটি টুকরো মেলানোই এখন বাকি। আশা করছি খুব দ্রুতই আমরা সেগুলো সঠিকভাবে গুছিয়ে নিতে পারব।”

সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বড় চ্যালেঞ্জ

আসন্ন নভেম্বরে দেশের মাটিতে বসতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’। এই টুর্নামেন্টকে ঘিরেই নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে দল। হামজা বলেন, “নভেম্বরে ঘরের মাঠে আমাদের একটি বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেই আসরের জন্যই দলগতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং দেশের দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে আশাবাদী।”

ইন্দোনেশিয়া সফর ও পরবর্তী কঠিন পরীক্ষা

জাতীয় দলের হয়ে এই সফর হামজার জন্য নতুন অভিজ্ঞতাও বয়ে এনেছে। প্রথমবারের মতো ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি জানান, এখানকার মানুষ অত্যন্ত অমায়িক এবং পুরো পরিবেশ তিনি উপভোগ করছেন।

তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চেয়েও এখন হামজার পুরো মনোযোগ মাঠের খেলায়। আগামী বৃহস্পতিবার আসিয়ানের শক্তিশালী দল ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা তারকাদের নিয়ে গড়া ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিকে একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন হামজা। তাঁর ভাষ্য, “বিপুল স্বাগতিক দর্শকের উপস্থিতিতে ম্যাচটি হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলে নিজেদের যাচাই করে নেওয়া এবং শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]

দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চাকরির মেয়াদ বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই শুরু হওয়ার কথা অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল)। অথচ এই অন্তিম সময়ে এসে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদ ‘প্রধান প্রকৌশলী’ বাগিয়ে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরবর্তী অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে এবং বিপুল অর্থ ও তদবিরের জোরে তিনি পদটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমানে চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে সরাতে নানা কৌশল নিয়েছেন আবুল খায়ের। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীকে বিতর্কিত করে নিজের পথ সুগম করার চেষ্টা করছেন তিনি।

রাজনৈতিক প্রভাব ও ‘মিস্টার ৫%’ তকমা

অভিযোগ রয়েছে, কর্মজীবনের শুরু থেকেই রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এই কর্মকর্তা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক সচিবের সুপারিশ ও দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ জোনে দায়িত্ব নেন। সেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে পুরো অধিদপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন তিনি।

২০২০ সালে গোপালগঞ্জে সরকারি অর্থে ‘মুজিব কর্নার’ ও ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ স্থাপন করে তোষামোদের রাজনীতিতেও এগিয়ে ছিলেন। বর্তমানে ঢাকা জোনে দায়িত্ব পালন করা আবুল খায়ের অধিদপ্তরে ‘মিস্টার ৫%’ নামেই পরিচিত। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন কিংবা বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কমিশন নেওয়াকে তিনি অলিখিত নিয়মে রূপ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

যেখানে পোস্টিং, সেখানেই অনিয়ম

কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে টেন্ডার সিন্ডিকেট ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে:

চট্টগ্রামে শতকোটির হরিলুট: চট্টগ্রাম জোনে দায়িত্ব পালনকালে আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯টি ২০ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পে (প্রায় ৪০০ কোটি টাকার কাজ) পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নকশা পরিবর্তন ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের এ ঘটনায় দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে অনিয়মের সত্যতা মেলে।

কুমিল্লায় বিরোধ ও বদলি: কুমিল্লা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হলে তোপের মুখে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

গৃহায়নে জালিয়াতি: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে থাকাকালীন প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ এবং নকশা অনুমোদনে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

রংপুরে বিলাসবহুল আয়োজন: ক্ষমতার অপব্যবহারের নজির গড়েছেন রংপুর জোনেও। চলতি বছরের ২ জুন তার স্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে স্থানীয় ঠিকাদার ও অধস্তনদের খরচে প্রায় ২০ লাখ টাকার একটি ‘সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’র আয়োজন করা হয়। সেখানকার ঠিকাদাররা তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছিলেন।

সম্পদের পাহাড় কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আবুল খায়ের রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নিজের ও স্বজনদের নামে অন্তত ২৪টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, পূর্বাচল ও মোহাম্মদপুরে মূল্যবান প্লট এবং ময়মনসিংহে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি ও খামারবাড়ি।

এসব অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান প্রকৌশলী পদের জন্য তৎপরতার বিষয়ে জানতে মো. আবুল খায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলীর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, নানা অনিয়মের অভিযোগ স্বজনের বিয়েতে যেতে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিএকই পরিবারের নিখোঁজ ৫জনের মধ্যে ১নারীর মরদেহ উদ্ধার  দাউদকান্দি জিংলাতলীতে অসহায় বৃদ্ধার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দাউদকান্দিতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: নগদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার