খুঁজুন
, ,

দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ

 

 

আবুল কালাম আজাদ রাজউকের একজন ইমারত পরিদর্শক। ২০১৮ সালে রাজউকের প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ পরিক্ষায় তার নিয়োগ হয়। জানাগেছে তার হয়ে অন্য কেউ লিখিত পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করলেও ভাইভা দিয়েছেন তিনি । তবে ভাইভা বোর্ডে যারা ছিলেন তাদের খুশি করে চাকুরি বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠলেও আজ পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে অদৃশ্য কারনে কোন তদন্ত করেনি রাজউক।

শেরখালী, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জের মৃত আব্দুল কাদেরের পুত্র আবুল কালাম আজাদ ওরফে জামিল, জন্ম ১৯৮৭ সালে। ডিপ্লোমা ইন ইনঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) পাশ করে ২০১৮ সালে যোগদান করেন রাজউকে। এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকেই তিনি দুর্নীতির রথ চালাচ্ছেন যা এখন অপ্রতিরোদ্ধ হয়ে উঠেছে। আবুল কালাম আজ শত কোটি টাকার মালিক হেমায়েতপুরে কটেজ নিজ এলাকা শাহাজাতপুরে আলিশান বাড়ীসহ রাজধানীতে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট।

 

জাকির পাটোয়ারী নামে এক ব্যক্তি ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ এই আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, যেখানে সে সুস্পষ্ট দুর্নীতির কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন আবুল কালাম আজাদ অতি সাধারন নিম্ন বিত্ত পরিবারের সন্তান। সম্প্রতি ৩মাস যাবৎ রাজউক জোন-৪ এ বদলী হয়ে আসার পর জোন-৪ এর এলাকাধীন পূর্ব বাড্ডার হাজী সেকান্দার বাগ রোডের কামাল উদ্দিনের বাড্ডা মৌজার আর এস দাগ নং৬৬০৫ এ নির্মিত প্ল্যান বিহীন ভবন মালিকের নিকট থেকে ১০লক্ষ টাকা গ্রহণ করে ঘুষ বাবদ, উত্তর বাড্ডার জামতলায় ডা. আলমাসের মালিকানাধীন পাশাপাশি পৃথকদুটি ভবন ৪র্থ তলা থেকে ২টি ছাদ একত্রিত করে নির্মণের অপরাধে ভবন মালিক ডা. আলমাসের নিকট থেকে ১৮লক্ষ টাকা জরিমানা করে রসিদ না দিয়ে পুরো ১৮লক্ষ টাকাই পকেটে ভড়েন

 

বদিউল আলমের মালিকানাধী পূর্ব বাড্ডা ৩/৫, দঃআনন্দ নগরে মাল্টি প্লান ডেভলপার কর্তৃক নির্মিত রাজউক অনুমোদনহীন ১০তলা ভবনের মালিক থেকে ৩২লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে রাজউকের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রীট করার পরামর্শ দেন যেন রাজউক কখনো ভবনটি উচ্ছেদ করতে নাপারে।

গত ২৯/০৪/২৫ ইং তারিখে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), মহাখালী জোনাল অফিস, জোন-৩/২ এর মাধ্যমে ৬০ ফিট এলাকায় অথরাইজড অফিসার জনাবা সে গুপ্তা শারমিন আশরাফ ও ইমারত পরিদর্শক জনাব আবুল কালাম আজাদ এর দায়িত্বাধীন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে একাধিক বিল্ডিং থেকে বৈদ্যুতিক মিটার বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যাওয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পর থেকে জনাব আবুল কালাম আজাদ আর ও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

 

তার কথামতো কাজ না করলে বিল্ডিংয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে মিটার খুলে নিয়ে যাবে। এমন কি যে বিল্ডিংয়ে লোক উঠে গেছে সেখানে গিয়ে হুমকি দিয়ে আসে। কারন তাদের রাজউক অনুমোদিত নকশায় বেজমেন্ট না থাকলেও সরেজমিনে তারা বেজমেন্ট করেছেন। এজন্য অথরাইজকে ম্যানেজ করতে হবে বলে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। হোল্ডিং টি হল -৩৪০/৩, মধ্য পীরেরবাগ, (শিমুলতলা মসজিদের উল্টা পাশের গলি), মিরপুর, ঢাকা এবং হোল্ডিং ২৭৯/১/এ, মধ্য পীরেরবাগ, শিমুলতলা মোড়, মিরপুর, ঢাকা এখান থেকে তার ব্যক্তিগত সহকারীকে পাঠিয়ে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে।

 

এছাড়াও ৩০৭/১/বি/১, মধ্যপীরেরবাগ হোল্ডিং থেকে গত ২০এপ্রিল২০২৫ ইং তারিখ অর্থাৎ মোবাইল কোর্টের আগের দিন বিকেল বেলা কলাপাতা রেস্টুরেন্টে বসে আবুল কালাম আজাদকে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়, যা সিসি ফুটেজ চেক করলে পাওয়া যাবে কিন্তু তাতেও তাহার মনপুত হয়নি বিধায় ২৯এপ্রিল২৫ তারিখে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তার মিটার খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়াও ৩২৮/১০, মধ্য পীরেররবাগ হোল্ডিং থেকে তিন ধাপে অথোরাইজড এর কথা বলে মিরপুর সুলতান ডাইনে বসে ০১এপ্রিল২০২৫ ও ১০এপ্রিল২০২৫ ও ২২এপ্রিল২৫ ইং তারিখে মোট ৮ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়।

 

উপরোক্ত বিষয়গুলোর কথা জানাজানি হলে আমাদের বিল্ডিং এর সমস্যা হবে বলে আমাদের শাসিয়ে যায়। এই বিষয়গুলো নিয়ে জিআরএস.বিডি.গভ এ রাজউকে অভিযোগ করেছেন জনৈক ব্যাক্তি, অভিযোগের ট্রাকিং নাম্বার ০১৮১৮৬৫৬৭৫০০০০১।

 

ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের অকল্পনীয় দুর্নীতির কারনে ভুক্তভোগীদের একাধিক অভিযোগ ও সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশের পর আবুল কালাম আজাদকে ২০২৩ সালে জোন ৪/১ থেকে বদলি করে জোন ০৮ এ পাঠানো হয়। জানা গেছে আবুল কালাম আজাদ সদ্য সাবেক দুর্নীতিগ্রস্থ রাজউক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান সরকারকে খুশী করে পূনরায় জোন  ৩/২ ফিরে এসেছেন।  ২০২৩ সালে এই দুর্নীতিবাজ ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদকে নিয়ে সাপ্তাহিক রিপোর্টিং পত্রিকায় ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম “নির্মাণে রাজউকের অনুমতি নেই, বিক্রি হচ্ছে ফ্ল্যাট” ।

 

০৬ ফেব্রুয়ারী প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম “রাজউক আমার হাতের মুঠোয় বলে হুমকি ভবন মালিকের”, এই ভবন মালিক বদিউল আলমের এমন আচরনের শক্তিও ছিলেন এই আবুল কালাম আজাদ। ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ এ প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম “রাজউকের শত্রু রাজউক কর্মকর্তা, দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ পোষার ভূমিকায় ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ”।

 

বদিউল আলমের ৩/৫ হোল্ডিং-দক্ষিন আনন্দ নগর, আনসার ক্যাম্প এলাকায় অনুমোদনহীন ভবন পরিদর্শনে গিয়ে মাল্টি পারপাস কো অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের নামে এমআরএ সনদ ছাড়া অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী ও অনুমোদনহীন ভবনের মালিক বদিউল আলমের সাথে মোটা অংকের টাকা লেনদেন এর মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে উঠে ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের। বর্তমানে এই অবৈধ ভবনটি দেখতে দেখতে ১০ তলায় রূপান্তর হয়েছে। গত ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ প্রকাশিত “রাজধানীর পূর্ব বাড্ডায় অবৈধ্য বাড়ি নির্মাণের হিড়িক, নিশ্চুপ রাজউক” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফল একই।

 

অবৈধ্য ভবন মালিকদের সাথে ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের সমঝোতার খবর প্রকাশ্যে এসেছে একাধিকবার । ১২ মার্চ ২০২৩ এ “বাড্ডা এলাকায় গড়ছেন বহুতল মৃত্যু কুপ, দৃষ্টি গোচর হয়না রাজউকের” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশের পরেও রাজউককে নিশ্চুপ থাকার বিষয়টি মনে প্রশ্ন জাগায় কত প্রাণ গেলে সচেতন হবে রাজউক?

 

এত অপকর্ম করে পার পেয়ে যাওয়ার পরে বর্তমানে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছেন ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ। তার কর্ম এলাকায় আবাসিক ভবনের অনুমতি নিয়ে বাণিজ্যিক ভবন গড়ে তোলা কয়েকটি ভবনের বিষয়ে তাকে তথ্য উপাত্ত দিলে প্রথমে সে এই বিষয় আমলে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন। সূত্রমতে জানা যায় তিনি অনুমতি ছাড়া আবাসিক থেকে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তর করা একটি ভবনকে সুরক্ষিত রাখার শর্তে রাইসা বিল্ডার্সের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করেছেন। এই বিষয়ে কথা বলার জন্য মহাখালী জোন-৩ এর পরিচালক জনাব সালেহ্ আহমদ জাকারিয়ার সাথে কথা বলতে গেলে ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ এই বিষয় জানতে পেরে আরেক দুর্নীতি পরায়ন ইমারত পরিদর্শক সোলাইমান হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে কৌশলে সাংবাদিকদের সোলাইমানের রুমে ডেকে নিয়ে সাংবাদিকদের অপদস্থ করে।

 

রাইসা বিল্ডার্সের ঐ ভবনের বিষয়ে প্রতিবেদক ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। অনুসন্ধানে দেখা গেছে রাইসা বিল্ডার্সের এমডির বিরুদ্ধে দুদকে একাধিক অভিযোগ রয়েছে আর এই সুযোগ নিয়ে সেখান থেকেও অর্থ হাতিয়েছেন এই আবুল কালাম আজাদ।

রাইসা বিল্ডার্সের ঐ ভবনের বিষয়ে অথরাইজড অফিসার প্রকৌশলী শেগুফতা শারমীন আশরাফ, মহাখালী জোন-৩ এর পরিচালক জনাব সালেহ্ আহমদ জাকারিয়া সবাই যেন কোন অদৃশ্য কারনে কথা বলতে চান না।

২০ মে ২০২৫ তারিখে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকায় “২ জন পরিদর্শকের কাজ ১ জনকে দিয়ে করাচ্ছেন রাজউক জোন-৩ পরিচালক জাকারিয়া” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পরে তিনি প্রতিবেদক কে কল করে তার অফিসে আমন্ত্রন জানান এবং বলেন কথা বলে সব কিছু সমাধান করবেন। তাহলে পরিচালক জাকারিয়া-ই কী রয়েছেন সকল দুর্নীতির মূলে?

এই দুর্নীতিগ্রস্থ ইমারত পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ ও রাইসা বিল্ডার্সের বিষয় রাজউক সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) (যুগ্মসচিব) ড. মোঃ আলম মোস্তফা ও পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-১) এ. বি. এম. এহছানুল মামুন এর সাথে একাধিকবার কথা হলেও কোন ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি বরং তাদের কাছে দিয়ে আসা নথি তিনি হারিয়ে ফেলেছেন বলে দুঃখ প্রকাশ করায় পুনরায় নথির আরেকটি অনুলিপি তাকে সরবরাহ করা হয়েছে। তাহলে কি সরষের ভিতরেই রয়েছে ভুত?

ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারের পরও বাংলাদেশ ফুটবল দলের উন্নতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক:

মাঠের সব যাত্রার মূল্যায়ন শুধু জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়। ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারলেও জাতীয় দলের সার্বিক উন্নতি ও ইতিবাচক রূপান্তরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই তারকার মতে, শক্ত প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে লাল-সবুজের দল এখন একটি বড় অর্জনের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলছে।

সোমবার ফিফাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হামজা জানান, জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর দেড় বছরের পথচলা ছিল শেখার এবং দলকে গভীরভাবে বোঝার একটি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে এটি আমার জন্য অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা, আলহামদুলিল্লাহ। কঠিন সময় ও চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হলেও দল হিসেবে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ দল সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং বড় কিছুর ভিত তৈরি হচ্ছে।”

শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই ও ইতিবাচক ইঙ্গিত

চলতি টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলছে বাংলাদেশ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের উদাহরণ টেনে হামজা উল্লেখ করেন, “আগের ম্যাচের চেয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আমরা অনেক গুছিয়ে খেলেছি। মালয়েশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে আমাদের চেয়ে ৪৫ ধাপ এগিয়ে থাকলেও মাঠের খেলায় সেই ব্যবধান বোঝা যায়নি। এটি প্রমাণ করে দল হিসেবে আমাদের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমার মনে হয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ধাঁধার শেষ দুই-তিনটি টুকরো মেলানোই এখন বাকি। আশা করছি খুব দ্রুতই আমরা সেগুলো সঠিকভাবে গুছিয়ে নিতে পারব।”

সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বড় চ্যালেঞ্জ

আসন্ন নভেম্বরে দেশের মাটিতে বসতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’। এই টুর্নামেন্টকে ঘিরেই নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে দল। হামজা বলেন, “নভেম্বরে ঘরের মাঠে আমাদের একটি বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেই আসরের জন্যই দলগতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং দেশের দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে আশাবাদী।”

ইন্দোনেশিয়া সফর ও পরবর্তী কঠিন পরীক্ষা

জাতীয় দলের হয়ে এই সফর হামজার জন্য নতুন অভিজ্ঞতাও বয়ে এনেছে। প্রথমবারের মতো ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি জানান, এখানকার মানুষ অত্যন্ত অমায়িক এবং পুরো পরিবেশ তিনি উপভোগ করছেন।

তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চেয়েও এখন হামজার পুরো মনোযোগ মাঠের খেলায়। আগামী বৃহস্পতিবার আসিয়ানের শক্তিশালী দল ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা তারকাদের নিয়ে গড়া ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিকে একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন হামজা। তাঁর ভাষ্য, “বিপুল স্বাগতিক দর্শকের উপস্থিতিতে ম্যাচটি হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলে নিজেদের যাচাই করে নেওয়া এবং শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]

দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চাকরির মেয়াদ বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই শুরু হওয়ার কথা অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল)। অথচ এই অন্তিম সময়ে এসে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদ ‘প্রধান প্রকৌশলী’ বাগিয়ে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরবর্তী অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে এবং বিপুল অর্থ ও তদবিরের জোরে তিনি পদটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমানে চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে সরাতে নানা কৌশল নিয়েছেন আবুল খায়ের। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীকে বিতর্কিত করে নিজের পথ সুগম করার চেষ্টা করছেন তিনি।

রাজনৈতিক প্রভাব ও ‘মিস্টার ৫%’ তকমা

অভিযোগ রয়েছে, কর্মজীবনের শুরু থেকেই রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এই কর্মকর্তা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক সচিবের সুপারিশ ও দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ জোনে দায়িত্ব নেন। সেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে পুরো অধিদপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন তিনি।

২০২০ সালে গোপালগঞ্জে সরকারি অর্থে ‘মুজিব কর্নার’ ও ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ স্থাপন করে তোষামোদের রাজনীতিতেও এগিয়ে ছিলেন। বর্তমানে ঢাকা জোনে দায়িত্ব পালন করা আবুল খায়ের অধিদপ্তরে ‘মিস্টার ৫%’ নামেই পরিচিত। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন কিংবা বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কমিশন নেওয়াকে তিনি অলিখিত নিয়মে রূপ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

যেখানে পোস্টিং, সেখানেই অনিয়ম

কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে টেন্ডার সিন্ডিকেট ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে:

চট্টগ্রামে শতকোটির হরিলুট: চট্টগ্রাম জোনে দায়িত্ব পালনকালে আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯টি ২০ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পে (প্রায় ৪০০ কোটি টাকার কাজ) পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নকশা পরিবর্তন ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের এ ঘটনায় দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে অনিয়মের সত্যতা মেলে।

কুমিল্লায় বিরোধ ও বদলি: কুমিল্লা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হলে তোপের মুখে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

গৃহায়নে জালিয়াতি: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে থাকাকালীন প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ এবং নকশা অনুমোদনে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

রংপুরে বিলাসবহুল আয়োজন: ক্ষমতার অপব্যবহারের নজির গড়েছেন রংপুর জোনেও। চলতি বছরের ২ জুন তার স্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে স্থানীয় ঠিকাদার ও অধস্তনদের খরচে প্রায় ২০ লাখ টাকার একটি ‘সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’র আয়োজন করা হয়। সেখানকার ঠিকাদাররা তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছিলেন।

সম্পদের পাহাড় কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আবুল খায়ের রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নিজের ও স্বজনদের নামে অন্তত ২৪টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, পূর্বাচল ও মোহাম্মদপুরে মূল্যবান প্লট এবং ময়মনসিংহে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি ও খামারবাড়ি।

এসব অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান প্রকৌশলী পদের জন্য তৎপরতার বিষয়ে জানতে মো. আবুল খায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলীর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, নানা অনিয়মের অভিযোগ স্বজনের বিয়েতে যেতে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিএকই পরিবারের নিখোঁজ ৫জনের মধ্যে ১নারীর মরদেহ উদ্ধার  দাউদকান্দি জিংলাতলীতে অসহায় বৃদ্ধার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দাউদকান্দিতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: নগদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার