খুঁজুন
, ,

বিশেষ তদবীরে মন্ত্রণালয় চুপ, দুদকও ঘুমিয়ে! গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাসের ‘অপবিত্র’ কাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
[shared_counts]
বিশেষ তদবীরে মন্ত্রণালয় চুপ, দুদকও ঘুমিয়ে! গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাসের ‘অপবিত্র’ কাহিনী

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নামে ‘পবিত্র’ হলেও কর্মে তিনি যেন অনিয়ম ও দুর্নীতির এক ‘মহাগুরু’। তিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম বিভাগ-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস। দরপত্রে জালিয়াতি, কাজ না করেই কোটি কোটি টাকার বিল উত্তোলন, বছরের পর বছর ঢাকায় প্রাইজপোস্টিং ধরে রাখা, অবৈধ অর্থ বিদেশে পাচার এবং একাধিক নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা রোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অথচ এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় বিভাগীয় তদন্ত ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ফাইলবন্দি হয়ে আছে তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অকেজো জেনারেটর, সিকিউরিটি লাইট, পাম্প মোটর এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের বৈদ্যুতিক তার সংস্কারের জন্য মোট ২২টি কার্যাদেশ দিয়েছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তর।

হাসপাতালের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শন প্রতিবেদনে এক ভয়াবহ জালিয়াতি ধরা পড়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২২টি কাজের মধ্যে বাবর অ্যাসোসিয়েটস, অনিক কনসোর্টিয়ামসহ বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়া ২১টি কাজের কোনো অস্তিত্বই মাঠে নেই। অথচ নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান রনির যোগসাজশে ভুয়া প্রত্যয়নপত্র দেখিয়ে বরাদ্দকৃত প্রায় ১০ কোটি টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান বলেন, “আমাদের কমিটি সরেজমিন পরিদর্শনে ২১টি কাজ না হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। আমরা লিখিতভাবে বিষয়টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। বিচারের দায়িত্ব তাদের।”

পবিত্র কুমার দাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো ব্যাপক হারে অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং)। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি হুন্ডির মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচার করেছেন। ভারতের নিউমার্কেট এলাকায় তার একটি বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে বলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় তার বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের গুঞ্জন রয়েছে।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য মতে, পবিত্র কুমারের বাবা একজন সাধারণ পান বিক্রেতা হলেও, প্রকৌশলী হওয়ার পর আলাদিনের চেরাগ হাতে পান তিনি। বর্তমানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, মালিবাগ, ধানমন্ডি এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তার পাঁচটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার ‘সপ্তক’ আবাসন কোম্পানির ফ্ল্যাটটির মূল্যই নূন্যতম ৩ কোটি টাকা। এছাড়া ঢাকা উদ্যানের পাশে তার একটি ছয়তলা ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

শুধু আর্থিক দুর্নীতিই নয়, পবিত্র কুমার দাসের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ। অধিদপ্তরের ই/এম শাখার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ‘অন্তরা’ এবং এর আগে বরিশালে কর্মরত থাকাকালীন অফিস সহকারী সেজুতি বিশ্বাসের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি অধিদপ্তরে ওপেন সিক্রেট। এর আগে সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারকে একাধিকবার এসব ঝামেলা মেটাতে হয়েছিল। এছাড়া প্রায়ই গুলশান-বনানীর বিভিন্ন স্পা পার্লার এবং বারে তার নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বলে গোপন অনুসন্ধানে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণপূর্তের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “তার কিছুই হবে না, সে বিশেষ মহলের আশীর্বাদপুষ্ট।” দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর একই বিভাগে থাকার সুবাদে ই/এম-৬ শাখাটিকে তিনি দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন। নির্দিষ্ট পারসেন্টেজ ও কমিশন ছাড়া কোনো ঠিকাদারকে কাজ দেন না তিনি। গণমাধ্যমকে ম্যানেজ করার জন্য তার নিজস্ব লোক রয়েছে এবং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলি বাণিজ্য করে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাসের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি। এমনকি তার দপ্তরে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি; অধস্তন কর্মচারীরা জানান, “স্যার মন্ত্রণালয়ে আছেন”। মূলত গণমাধ্যমের ফোন ও উপস্থিতি এড়াতেই তিনি কৌশলে অফিস ফাঁকি দেন বলে জানা গেছে।

ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারের পরও বাংলাদেশ ফুটবল দলের উন্নতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক:

মাঠের সব যাত্রার মূল্যায়ন শুধু জয়-পরাজয়ের পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়। ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারলেও জাতীয় দলের সার্বিক উন্নতি ও ইতিবাচক রূপান্তরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। ইংলিশ ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই তারকার মতে, শক্ত প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে লাল-সবুজের দল এখন একটি বড় অর্জনের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলছে।

সোমবার ফিফাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হামজা জানান, জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর দেড় বছরের পথচলা ছিল শেখার এবং দলকে গভীরভাবে বোঝার একটি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে এটি আমার জন্য অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা, আলহামদুলিল্লাহ। কঠিন সময় ও চড়াই-উতরাই পাড়ি দিতে হলেও দল হিসেবে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ দল সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং বড় কিছুর ভিত তৈরি হচ্ছে।”

শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই ও ইতিবাচক ইঙ্গিত

চলতি টুর্নামেন্টে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলছে বাংলাদেশ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের উদাহরণ টেনে হামজা উল্লেখ করেন, “আগের ম্যাচের চেয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আমরা অনেক গুছিয়ে খেলেছি। মালয়েশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে আমাদের চেয়ে ৪৫ ধাপ এগিয়ে থাকলেও মাঠের খেলায় সেই ব্যবধান বোঝা যায়নি। এটি প্রমাণ করে দল হিসেবে আমাদের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমার মনে হয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ধাঁধার শেষ দুই-তিনটি টুকরো মেলানোই এখন বাকি। আশা করছি খুব দ্রুতই আমরা সেগুলো সঠিকভাবে গুছিয়ে নিতে পারব।”

সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের বড় চ্যালেঞ্জ

আসন্ন নভেম্বরে দেশের মাটিতে বসতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ’। এই টুর্নামেন্টকে ঘিরেই নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে দল। হামজা বলেন, “নভেম্বরে ঘরের মাঠে আমাদের একটি বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেই আসরের জন্যই দলগতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং দেশের দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে আশাবাদী।”

ইন্দোনেশিয়া সফর ও পরবর্তী কঠিন পরীক্ষা

জাতীয় দলের হয়ে এই সফর হামজার জন্য নতুন অভিজ্ঞতাও বয়ে এনেছে। প্রথমবারের মতো ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি জানান, এখানকার মানুষ অত্যন্ত অমায়িক এবং পুরো পরিবেশ তিনি উপভোগ করছেন।

তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চেয়েও এখন হামজার পুরো মনোযোগ মাঠের খেলায়। আগামী বৃহস্পতিবার আসিয়ানের শক্তিশালী দল ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা তারকাদের নিয়ে গড়া ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিকে একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন হামজা। তাঁর ভাষ্য, “বিপুল স্বাগতিক দর্শকের উপস্থিতিতে ম্যাচটি হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলে নিজেদের যাচাই করে নেওয়া এবং শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]

দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা

অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
[shared_counts]
অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:

চাকরির মেয়াদ বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই শুরু হওয়ার কথা অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল)। অথচ এই অন্তিম সময়ে এসে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদ ‘প্রধান প্রকৌশলী’ বাগিয়ে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরবর্তী অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে এবং বিপুল অর্থ ও তদবিরের জোরে তিনি পদটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমানে চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে সরাতে নানা কৌশল নিয়েছেন আবুল খায়ের। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীকে বিতর্কিত করে নিজের পথ সুগম করার চেষ্টা করছেন তিনি।

রাজনৈতিক প্রভাব ও ‘মিস্টার ৫%’ তকমা

অভিযোগ রয়েছে, কর্মজীবনের শুরু থেকেই রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এই কর্মকর্তা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক সচিবের সুপারিশ ও দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ জোনে দায়িত্ব নেন। সেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে পুরো অধিদপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন তিনি।

২০২০ সালে গোপালগঞ্জে সরকারি অর্থে ‘মুজিব কর্নার’ ও ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ স্থাপন করে তোষামোদের রাজনীতিতেও এগিয়ে ছিলেন। বর্তমানে ঢাকা জোনে দায়িত্ব পালন করা আবুল খায়ের অধিদপ্তরে ‘মিস্টার ৫%’ নামেই পরিচিত। যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন কিংবা বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে কমিশন নেওয়াকে তিনি অলিখিত নিয়মে রূপ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

যেখানে পোস্টিং, সেখানেই অনিয়ম

কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে টেন্ডার সিন্ডিকেট ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে:

চট্টগ্রামে শতকোটির হরিলুট: চট্টগ্রাম জোনে দায়িত্ব পালনকালে আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯টি ২০ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্পে (প্রায় ৪০০ কোটি টাকার কাজ) পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নকশা পরিবর্তন ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের এ ঘটনায় দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে অনিয়মের সত্যতা মেলে।

কুমিল্লায় বিরোধ ও বদলি: কুমিল্লা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হলে তোপের মুখে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

গৃহায়নে জালিয়াতি: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে থাকাকালীন প্লট ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ এবং নকশা অনুমোদনে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

রংপুরে বিলাসবহুল আয়োজন: ক্ষমতার অপব্যবহারের নজির গড়েছেন রংপুর জোনেও। চলতি বছরের ২ জুন তার স্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে স্থানীয় ঠিকাদার ও অধস্তনদের খরচে প্রায় ২০ লাখ টাকার একটি ‘সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা’র আয়োজন করা হয়। সেখানকার ঠিকাদাররা তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছিলেন।

সম্পদের পাহাড় কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আবুল খায়ের রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নিজের ও স্বজনদের নামে অন্তত ২৪টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, পূর্বাচল ও মোহাম্মদপুরে মূল্যবান প্লট এবং ময়মনসিংহে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি ও খামারবাড়ি।

এসব অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান প্রকৌশলী পদের জন্য তৎপরতার বিষয়ে জানতে মো. আবুল খায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি

‘হারলেও বড় অর্জনের পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ’: হামজা চৌধুরী অবসরের আগমুহূর্তে প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া আবুল খায়ের: নেপথ্যে দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলীর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, নানা অনিয়মের অভিযোগ স্বজনের বিয়েতে যেতে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিএকই পরিবারের নিখোঁজ ৫জনের মধ্যে ১নারীর মরদেহ উদ্ধার  দাউদকান্দি জিংলাতলীতে অসহায় বৃদ্ধার ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ দাউদকান্দিতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: নগদ ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো ইনডোর গেম নয়: ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুস সবুর গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ডেভেলপার ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ দুদকে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ। বরিশাল গণপূর্তে ‘আওয়ামী দোসর’ ফয়সালের রাজত্ব: অপকর্মের পাহাড় সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে! এক হাতে গাছের চারা, অন্য হাতে লাল কার্ড উঁচিয়ে মাদককে ‘না’ বলে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের  কাজ না করেই ৫ কোটি টাকার বিল সাবাড়: পাবনা গণপূর্তে প্রকৌশলী রাশেদ কবীরের জালিয়াতি অদৃশ্য নেটওয়ার্ক ও ছায়া পার্টনারশিপ গণপূর্তের প্রকৌশলীদের সিন্ডিকেট বাণিজ্য দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি বিধি ভেঙে ফ্ল্যাট ব্যবসা গণপূর্তের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দুর্নীতি ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গণপূর্তের ইএম জোনে বসতে কোটি টাকার চিঠি কিনলেন আলমগীর খান! চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: অসুস্থ ৩০ মহিষ, মারা গেছে তিনটি মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে কড়া নজরদারি: দাউদকান্দিতে ওসি সাজেদুলের নেতৃত্বে একাধিক চালান জব্দ সৌদি তরুণের গুলিতে বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত, তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি সাহনেওয়াজ সরকার সানুর চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা প্রতিদিনের কাগজের ফেসবুক পেজ হ্যাক ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আনিসুর রহমান কারাগারে মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবাজ দুই কর্মকর্তা কর্মচারীর হাতে জিম্মি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ দেবিদ্বারে মাদরাসার দেয়াল ধসে শিক্ষার্থী নিহত: বিচারের অপেক্ষায় হাফেজ সিফাতের পরিবার