বুড়িচং এর ফরিজপুরে সন্ত্রাসী কায়দায় দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
কুমিল্লা সংবাদদাতা ।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের রামপাল ফরিজপুরস্থ গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর দোকান-বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত আনুমানিক ২ টায়। এবিষয়ে বুড়িচং থানায় আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ছিদ্দিকুর রহমান চৌধুরীর পরিবারের সাথে মোবারক হোসেন গংদের দীর্ঘদিন যাবত জায়গা সম্পত্তি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলতেছে। মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় গত শুক্রবার রাত ২ টায় ফরিজপুর গ্রামের পার্শ্ববতী মোবারক হোসেন, তার ছেলে আসিব, আবু কালাম, মতিউর রহমান, হালিম শেখের ছেলে জসিমউদদীন, মোরশেদ শেখের ছেলে নাজমুল হাসান লোহার শাবল, হেমার, লাঠিসোঁটা, অস্ত্র স্বস্ত্র নিয়ে সেমিপাকা বিল্ডিং ভাংচুর ও তছনছ করে পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। লোহার ২০টি এঙ্গেল, ৪০ বস্তা সিমেন্ট, ৪০টি লোহার রিংসহ প্রায় ১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, শুধু তাই নয় আমার ভাই সাইফুল ইসলামের স্টেশনারী দোকানে হামলা করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। পরে এলাকাবাসী বেরিয়ে আসলে ডাকাতদল ককটেল ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে চাকু দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করতে চেষ্টা করে । ২০১৭ সালে আমাদের প্রায় ৪ লক্ষ টাকা মূল্যমান অনেকগুলো গাছ কেঁটে নিয়ে যায় প্রকাশ্য দিবালোকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে। তখন আ’লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে তারা আমাদের উপর এমন জুলুম অত্যাচার করতো। সেই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রেখেছে। স্বৈরাচারের ধূসর কালাম, মোবারক কি এখনও তাদের অপ-কর্ম বজায় রাখবে?
প্রশাসনের কাছে আমার আকুল আবেদন এই সন্ত্রাসীদের কি আদৌ বিচার হবে না ? নাকি আমাদের মতো শান্তি প্রিয় মানুষজন মার খেয়েই যাবে? প্রশাসনের কাছে আবেদন সমাজে বিশৃঙ্খলাকারী মোবারক, কালাম গংদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মোবারক হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিসের সাংবাদিক? আপনারা বেশি বাড়াবাড়ি করছেন।
আমরা এই ধরনের কার্যকলাপ করছি আপনি দেখেছেন ? আমরা এই ধরনের কাজের সাথে জড়িত নই।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মোঃ আজিজুল হক বলেন, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। সকলকে বলা হয়েছে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যে। জায়গা সংক্রান্ত বিষয়, আমরা কাউকে জায়গা দখল-বেদখল দিতে পারব না। বিষয়টি আইনগতভাবেই মোকাবেলা করতে হবে।




