খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

খাদ্য সেক্টরের দাপুটে সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে গিয়ে হুমকির মুখে সচিব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
খাদ্য সেক্টরের দাপুটে সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে গিয়ে হুমকির মুখে সচিব

 

বিশেষ প্রতিনিধি

খাদ্য সেক্টরের বেজায় দাপুটে সিন্ডিকেট ভাঙ্গার উদ্যোগ নেওয়ায় খোদ খাদ্য সচিবই বিপাকে পড়েছেন। সিন্ডিকেটের হুমকির মুখে রয়েছেন তিনি। গেল অক্টোবরে নিয়োগ পাওয়া সচিব মো. মাসুদুল হাসানকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে হটিয়ে দিতে উল্টো সিন্ডিকেট সদস্যরাই জোট বেধেছে।

তারা মতিঝিলে প্রভাবশালী এক খাদ্য ঠিকাদারের অফিসে গোপন বৈঠক করে সচিব হটাতে দশ কোটি টাকার তহবিল পর্যন্ত গঠন করেছে। ওই তহবিলের টাকায় বিভিন্ন মিডিয়ায় একের পর এক সংবাদ প্রকাশ করে খাদ্য সচিবকে বিতর্কিত করাসহ উচ্চ আদালতে রীট দাখিলের মাধ্যমে বেকায়দায় ফেলারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সচিব মো. মাসুদুল হাসান খাদ্য মন্ত্রনালয়ে দায়িত্ব পেয়েই সিন্ডিকেট বিরোধী নানা আদেশ নির্দেশ জারি করায় সোহাগ-জসিম-সাধনদের মতো দশটিরও বেশি সিন্ডিকেট চরম বিপাকে পড়ে।

এসব চক্র বছরের পর বছর ধরে খাদ্য অধিদপ্তরসহ মন্ত্রনালয়কে জিম্মি করে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো খাদ্য সেক্টর নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। সচিবের কঠোর ভূমিকায় খাদ্য সরবরাহকারী মিল মালিক চক্রের অপকর্মও ফাঁস হয়ে গেছে, বেরিয়ে এসেছে ডিলার চক্রেরও নানা কারসাজি।

এমন পরিস্থিতিতে গত ৮ নভেম্বর রাতে অভিযুক্ত সিন্ডিকেট ব্যবসায়িরা মতিঝিলে গোপন বৈঠকে বসে। বরাবরই আওয়ামী ঘরানার ঠিকাদার ও মিল মালিকরা সিন্ডিকেট গড়লেও তাদের চক্রান্ত সফল করতে এবারই প্রথম বিএনপি সমর্থক দুই ঠিকাদারকে সিন্ডিকেটভুক্ত করার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিএনপি ব্যানারের দুই ঠিকাদারকে সামনে নিয়ে শামীম ওসমানের গড়া সোহাগ-গম জসিম সিন্ডিকেট খাদ্য সেক্টরকে লুটপাটের আখড়া বানাতে চায় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বর্তমান খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাসুদুল হাসান ও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল খালেক দায়িত্ব নেওয়ার পর খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন নতুন সচিবের নানা উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন পর সিন্ডিকেট মুক্ত হলো নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা মহানগরসহ অন্যান্য জেলার বেসরকারি ময়দার মিলের গম বরাদ্দ। ২০২২ সালের পর এই প্রথম বেসরকারি ময়দার মিলে সরকারি গম বরাদ্দ নীতিমালা ২০২২ (সংশোধিত) কার্যকর হয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে খাদ্য সচিব হিসেবে যোগদান করেন মো. মাসুদুল হাসান। যোগদানের পরই সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে তিনি বেসরকারি ময়দার মিলের সরকারি গম বরাদ্দ এবং চাল, আটা বিক্রিও অনুমোদন প্রদান করেন।

একইসঙ্গে ইতিপূর্বে জারিকৃত সকল পরিপত্র বাতিল করে নীতিমালা অনুযায়ী ঢাকা মহানগরসহ অন্যান্য জেলায় তালিকাভুক্ত ময়দার মিলগুলোকে গম বরাদ্দের আদেশ জারি করেন। খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল খালেক গত ৩১ অক্টোবর সচিবের জারিকৃত চিঠি সকল জেলায় প্রেরণ করেছেন।

সাবেক খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বেসরকারি ময়দার মিলে সরকারি গম বরাদ্দ নীতিমালা ২০২২ প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে নীতিমালা প্রণয়ন করেও নীতি বহির্ভুত কাজ করেছেন, সকল ক্ষেত্রেই খাদ্য সিন্ডিকেটের একচেটিয়া সুবিধা নিশ্চিত করেছেন।

নারায়নগঞ্জের শামীম ওসমান ও তার দোসর সোহাগ ছাড়া খাদ্য অধিদফতরে আর কোন ব্যবসায়ী বা মিল মালিক খাদ্য অধিদপ্তরে প্রবেশও করতে পারতো না। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক খাদ্য সচিব বিপুল পরিমাণ আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জের মিল মালিকদের অনৈতিকভাবে গম বরাদ্দের সুযোগ করে দিয়েছিলেন।

যা নীতিমালা পরিপন্থি ও বেআইনি কাজ ছিল। সাবেক খাদ্য সচিবের এমন কর্মকান্ডে অন্যান্য মিল মালিকরা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। এরপরও তারা টু শব্দটি পর্যন্ত করতে সাহস পেতেন না।

সোহাগ ও গম জসিমের সিন্ডিকেটে জিম্মি খাদ্য সেক্টর

২৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে খাদ্য সচিব নভেম্বর ২০২৪ এর চাল আটা বিক্রির অনুমোদন প্রদান করেন। “বেসরকারী ময়দার মিলসমূহে সরকারী গম বরাদ্দ নীতিমালা ২০২২ (সংশোধিত)” আবশ্যিক ভাবে অনুসরণ করার শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়।

এরপর বিভিন্ন ভাবে গড়িমসি ও সময়ক্ষেপণ করেও শেষ রক্ষা হয়নি, সচিবের কঠোর ভূমিকা ও নজরদারির কারণে ০৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগরসহ অন্যান্য জেলায় গম বরাদ্দ দিতে হয়েছে। কিন্তু স্বচ্ছতার সাথে এ বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না খাদ্য অধিদপ্তরের সরবরাহ, বন্টন ও বিপনন বিভাগের কর্মকর্তারা।

সিন্ডিকেটের আজ্ঞাবহ পরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম (সরবরাহ, বন্টন ও বিপনন) আগেরদিন অর্থাত ৫ নভেম্বর ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিভ্রান্তিমূলক চিঠি পাঠান ঢাকা মহানগরসহ শ্রমঘন জেলার খাদ্য কর্মকর্তাদের কাছে। এতে নারায়নগঞ্জ জেলার কতিপয় মিলে (সিন্ডিকেট সদস্যদের মালিকানাধীন) সরকারি গম বরাদ্দ দেওয়া যাবে কি না সে বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়।

পাশাপাশি টেলিফোন নির্দেশনায় ঢাকা রেশনিংসহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের নারায়নগঞ্জের মিলসমূহে সরকারি গম বরাদ্দ দেওয়ার পক্ষে মতামত প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। খাদ্য সেক্টরকে টানা ১৭ বছর যাবত কব্জা করে রাখা সোহাগ-জসিমের নারায়নগঞ্জ সিন্ডিকেটের মিলসমূহে সরকারি গম বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ‘অতীব জরুরি’ চিঠি কেন- তা নিয়ে সকল মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সোহাগ-জসিম সিন্ডিকেটের বাইরে কোনো মিল মালিক, খাদ্য ঠিকাদার এমনকি ডিলার পর্যন্ত খাদ্য অধিদপ্তরের ধারে কাছে ঘেষতে পারেন না। তাদের আঙ্গুলী নির্দেশনা ছাড়া খাদ্য সেক্টরের টুকিটাকি সাপ্লাইয়ের কাজও কারো ভাগ্যে জোটে না। সেই দাপুটে সিন্ডিকেটই পুনরায় সরকারি বরাদ্দের সিংহভাগ গম নারায়নগঞ্জের মিলসমূহের জন্য বাগিয়ে নিলে সারাদেশে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হবে। সারাদেশের সাধারন মিল মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এবারও শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেটকে খাদ্য নীতিমালা ভঙ্গ করে গম বরাদ্দের পাঁয়তারা চালানো হলে তারা প্রধান উপদেষ্টার সরনাপন্ন হতে বাধ্য হবেন।

ধারাবাহিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মিল মালিকসহ ঠিকাদাররা অভিযোগ করে জানান, গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরও সাবেক খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন এনডিসি শামীম ওসমানের সহযোগী ব্যবসায়ীদের মিলগুলোতে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসেরও গম বরাদ্দ দিয়েছেন। দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মের কারণে খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও তার অবৈধ আদেশসমূহ যথারীতি নহাল রাখা হয়েছে।

এ সিন্ডিকেটের কারনে গত ১৭ বছর কোন ব্যবসায়ী সরকারী গম বরাদ্দ ঠিকমত নিতে পারেনি। তারা নারায়নগঞ্জের মিলগুলোর নামে বরাদ্দ নিয়ে উন্নতমানের সরকারী গম কালোবাজারে বিক্রি করে দেন এবং নিম্নমানের পশুখাদ্যের গম দিয়ে আটা বানিয়ে কিছু আটা প্রদান করেন ও বাকী আটা ডিলারের সাথে সমন্বয় করেন। এ গম চুরি নিয়ে সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মোঃ জসিমের নামে দুদকে ৫০০ কোটি টাকার সরকারী গম চুরির তদন্ত চলমান রয়েছে। এরপরও খাদ্য অধিদপ্তর ওই অভিযুক্তদের অনুকুলেই কেন সরকারি বরাদ্দের সুবিধা দিতে চায়?

অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেট সদস্যরা একচেটিয়া বরাদ্দ হাতিয়ে নেওয়ার বিনিময়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে কোটি কোটি টাকা প্রদান করে থাকে। অনেক কর্মকর্তাকে দামি গাড়ি, ঢাকায় প্লট-ফ্ল্যাট উপহার দেওয়া ছাড়াও প্রতি বছর স্বপরিবারে ইউরোপ-আমেরিকায় অবকাশ যাপন, সন্তানদের বিদেশে পড়াশুনার খরচ, মেডিকেল চেকআপ করানোসহ নানারকম দায়িত্ব পালন করে সিন্ডিকেট। এসব সুবিধা হাতছাড়া না করতেই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মন্ত্রী-সচিবের নির্দেশকেও পাত্তা দেয় না। তাদের চাকরি ক্ষেত্রে কোনো ঝুট ঝামেলা হলেও সিন্ডিকেট সদস্যরা যে কোনো মূল্যে তা মিটিয়ে থাকেন বলেই দিন দিন তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

সরকারকে বেকায়দায় ফেলার সিন্ডিকেট ষড়যন্ত্র

সূত্র জানায়, চিহ্নিত কয়েকটি সিন্ডিকেট সারাদেশের মোট সরকারি গম বরাদ্দের ৭০ ভাগ নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে নারায়নগঞ্জের মিলের মাধ্যমে নিয়ে যেতেন। ভুয়া কাগজপত্রে মিলের মালিক সেজেই নেওয়া হতো এ গম বরাদ্দ। সরকারী উন্নতমানের গম কালোবাজারে বিক্রি করে নিম্নমানের গো খাদ্যের গম দিয়ে আটা তৈরি করে ঢাকা মহানগর সহ অন্যান্য শ্রমিকঘন জেলায় সরবরাহ করতেন। সাবেক সচিব ছিলেন তাদেরই কেনা গোলাম। শুধু তাই নয় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে সকল পরিচালক (বিশেষ করে সরবরাহ, বন্টন ও বিপনন বিভাগের) তাদেরই আজ্ঞাবহ। এরইমধ্যে সাবেক সচিব ইসমাইল হোসেনকে দুর্নীতির জন্য সরকার অব্যাহিত দিয়েছে।

নতুন সচিব যোগদানের পর জেলাগুলোতে নীতিমালা অনুসরণ না করে গম বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং এ ব্যাপারে তিনি আপোষহীন ভূমিকা গ্রহণ করেন। খাদ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ মাসুদুল হাসান চলতি নভেম্বর মাসে নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণপূর্বক ওএমএস খাতের চাল ও আটা বিক্রির নির্দেশ দেন। এ নীতি অনুসরণ করলে সাধারণের উপকার হবে এবং তারা নিয়মিত নির্ধারিত মূল্যে চাল ও আটা পেতে কোন বাধা থাকার কথা নয়।

কিন্তু খাদ্য সেক্টর জিম্মি রাখা ঠিকাদার সিন্ডিকেটের পরামর্শে অধিদপ্তরের বিশেষ সুবিধাভোগী পরিচালকরা নীতিমালা অনুসরণের অজুহাতে নানা জটিলতা বাধিয়ে যথাসময়ে গম বরাদ্দ বাধাগ্রস্ত করার ফন্দি এটেছে। এতে অচিরেই ওএমএস খাতে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হবে এবং সচিবসহ গোটা সরকারই বেকায়দায় পড়বে। তখন জরুরি পরিস্থিতিতে নীতিমালা পূণরায় পরিবর্তনের মাধ্যমে নারায়নগঞ্জের মিলকেই সিংহভাগ সরকারি গম বরাদ্দ দিতে বাধ্য হবে সরকার। সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের এমন কৌশলী ছক আঁকার কারিগর হচ্ছেন শামীম ওসমানের ঘনিষ্ট সহযোগী সোহাগ-জসিম সিন্ডিকেট। জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করে সিন্ডিকেট হোতা সোহাগ অস্ত্র হাতে দলবল নিয়ে রাস্তায় নামেন, মেতে ওঠেন নানা অরাজকতায়। সেই সোহাগের নেতৃত্বাধীন ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটই এখন আবার সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ভিন্ন কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছে। সব দায় অন্যের কাধে চাপাতে নিজের সিন্ডিকেটেই যুক্ত করেছেন বিএনপি ঘরানার দুই ঠিকাদার ও মিল ব্যবসায়িকে।

সিন্ডিকেটের যাবতীয় ষড়যন্ত্রে যোগান দিচ্ছেন খাদ্য অধিদপ্তরের সরবরাহ, বন্টন ও বিপনন বিভাগের পরিচালক, ঢাকা রেশনিং এর প্রধান ও কতিপয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। এসব চক্রান্তের কথা উল্লেখ করে যাবতীয় অনিয়ম থেকে প্রতিকার পেতে মিল মালিকগন গত মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেছেন। এছাড়াও খাদ্য অধিদপ্তরের ঠিকাদার, মিল-মালিকগন পৃথক পৃথক অভিযোগও করেছেন দুদকে।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

দাউদকান্দি-সাচার-কচুয়া সড়কের শ্রীচাইল মোহাম্মদপুর এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৮ এপ্রিল রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে সড়কে দীর্ঘ যানজট ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সেই সুযোগে বাস চালকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ এপ্রিল রাতে উক্ত সড়কের শ্রীচাইল মোহাম্মদপুর নামক স্থানে ‘সুরমা’ পরিবহনের দুটি বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দুর্ঘটনায় বাসের সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

তবে ঘটনার পরপরই সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকা পড়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনা পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মো. কাউসার আহমেদ নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ‘দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা’র প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

তিনি দুর্ঘটনার ভয় দেখিয়ে এবং আইনি জটিলতার কথা বলে বাস চালকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী বাস চালক জানান, পরিচয়পত্র দেখিয়ে এবং পত্রিকার ভয় দেখিয়ে কাউসার আহমেদ তার কাছ থেকে এই টাকা হাতিয়ে নেন।

এই ঘটনায় স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে নামধারী সাংবাদিক পরিচয়ে এই চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল মিরপুর সেকশন-৯ এর ২০ একর সরকারি জমি ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ, নীরব প্রশাসন এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ভয়ংকর চিত্র। দ্বিতীয় পর্বে আরও বিস্ফোরক তথ্য যেখানে স্পষ্ট হচ্ছে, কেবল জমি দখল নয়, বরং পুরো একটি ‘প্রাতিষ্ঠানিক লুটতন্ত্র’ দাঁড় করিয়েছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী জোয়ারদার তাবেদুন নবী।

 

দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলেও, রহস্যজনকভাবে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়াতেই রয়ে গেছে এই প্রকৌশলী? প্রথম পর্ব প্রকাশের পরও তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, যা তার নীরবতাকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালেই তাবেদুন নবী গড়ে তুলেছিলেন এক দূর্নীতির সাম্রাজ্য’। সরকারি চাকরির সীমিত বেতন কাঠামোর আড়ালে নামেবেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলছে। রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস, এমনকি আত্মীয়-স্বজনের নামে গড়ে তোলা হয়েছে অঘোষিত সম্পদের নেটওয়ার্ক। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সম্পদের প্রকৃত মালিকানা অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে হাজার কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদের হিসাব।

 

মিরপুর হাউজিং এস্টেটকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেট শুধু জমি দখলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্লট বরাদ্দ, নামজারি, নকশা অনুমোদন প্রতিটি ধাপে ছিল ‘দাম নির্ধারিত’। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট অংকের বিনিময়ে আবাসিক প্লটকে বাণিজ্যিক, আবার বাণিজ্যিককে শিল্প প্লটে রূপান্তরের মতো গুরুতর সিদ্ধান্তও নিয়েছেন তাবেদুন নবী ও তার সহযোগীরা। ফলে সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি ‘প্যারালাল প্রশাসন’ চালু করেছিলেন তিনি।

 

আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য, এই সিন্ডিকেটের অর্থ লেনদেনের বড় একটি অংশ হতো নগদে এবং হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও উঠেছে। একাধিক ব্যাংক হিসাব, শেল কোম্পানি এবং আত্মীয়স্বজনের নামে খোলা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থের উৎস গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে, তাবেদুন নবীর ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, তিনি নিজেকে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাবের সাথে যুক্ত দাবি করে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। ফলে মাঠপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়নি। বরং তার ইশারাতেই চলতো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের গতি।

 

প্রথম পর্বে উল্লেখিত ২০ একর জমির ঘটনায় যেমন দেখা গেছে, সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে ছাড়পত্র দিয়ে অবৈধ দখলকে বৈধতার আবরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই অনিয়মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারণ মানুষ। শত শত ফ্ল্যাট ক্রেতা, যারা জীবনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছিলেন ‘স্বপ্ননগর-২’ প্রকল্পে, তারা এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। কেউ জমির মালিকানা পাচ্ছেন না, কেউ আবার আইনি জটিলতায় পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে।

 

একজন প্রকৌশলী কীভাবে এত বিশাল আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন? কারা তাকে এই নিরাপত্তা বলয় দিয়েছে? কেন এখনো তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

 

দ্বিতীয় পর্বের অনুসন্ধান বলছে, তাবেদুন নবীর দুর্নীতির শিকড় শুধু মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের আরও কয়েকটি প্রকল্পে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলছে। পরবর্তী পর্বে উঠে আসবে সেই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেখানে প্রকৌশলী থেকে রাজনীতিবিদ, সবাই জড়িয়ে পড়েছেন এক অদৃশ্য ‘লুটের মহাযজ্ঞে’।

 

চলবে…

২০২৬ ঈদের তারিখ

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ
২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে?

তারিখ ও তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত

মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল আযহা, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘কুরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই দিনটির জন্য সারা বিশ্বের মুসলমানরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালে ঈদুল আযহা কত তারিখে হতে পারে, তা নিয়ে এখন থেকেই অনেকে পরিকল্পনা শুরু করেছেন। আজকের ব্লগে আমরা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ এবং এই উৎসবের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

২০২৬ সালের ঈদুল আযহার সম্ভাব্য তারিখ

ইসলামিক মাসগুলো সাধারণত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণনা এবং বর্তমান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:

  • সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যে: ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে (বুধবার) অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে: চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ এশিয়ায় ঈদ একদিন পরে অর্থাৎ ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এই তারিখ এক দিন আগে বা পরে হতে পারে।


ঈদুল আযহার ইতিহাস ও পটভূমি

ঈদুল আযহা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি এক মহান ত্যাগের ইতিহাস। ইসলামের নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অসামান্য আনুগত্য ও ত্যাগের স্মৃতি রক্ষার্থে এই দিনটি পালিত হয়। আল্লাহ তাআলা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-কে স্বপ্নে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কুরবানি করার নির্দেশ দেন। তিনি তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি করতে উদ্যত হন। এই চরম পরীক্ষা ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আল্লাহ খুশি হয়ে ইসমাইল (আ.)-এর স্থলে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন। সেই থেকে পশু কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এই রীতি চলে আসছে।


কুরবানির শিক্ষা ও সামাজিক গুরুত্ব

কুরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল পশু জবাই করা নয়, বরং মনের পশুকে দমন করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে:

“আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের মাংস এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।”

সামাজিক প্রভাব:

১. গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো: কুরবানির পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ গরিব ও অসহায়দের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যা সমাজে সাম্য ও ভাতৃত্ববোধ তৈরি করে।

২. অর্থনৈতিক গতিশীলতা: ঈদকে কেন্দ্র করে চামড়া শিল্প, গবাদি পশুর খামার এবং মসলার বাজারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন হয়।

৩. সম্প্রীতি বৃদ্ধি: আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে মাংস বিতরণের মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন আরও মজবুত হয়।


২০২৬ সালের ঈদের প্রস্তুতি: কিছু টিপস

২০২৬ সালের মে মাসটি গরমের সময় হতে পারে। তাই আপনার ঈদের প্রস্তুতিতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

  • আগেভাগে পশু নির্বাচন: ২০২৬ সালে মে মাসের শেষের দিকে গরম থাকতে পারে, তাই পশুর হাটে যাওয়ার সময় শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে অনলাইন হাট থেকে পশু ক্রয় করতে পারেন।

  • বাজেট পরিকল্পনা: মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের অবস্থা বিবেচনা করে এখন থেকেই ঈদের জন্য একটি ছোট সঞ্চয় শুরু করা বুদ্ধিমানির কাজ হবে।

  • পরিবেশ সুরক্ষা: কুরবানির পর পশুর বর্জ্য সঠিক স্থানে অপসারণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। গরমের সময় বর্জ্য থেকে দ্রুত দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে, তাই ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।


উপসংহার

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি ও সমৃদ্ধি। ত্যাগের এই উৎসব কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর প্রকৃত শিক্ষা—অর্থাৎ মানুষের সেবা ও আল্লাহর আনুগত্য—আমাদের জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই হোক মূল লক্ষ্য। যদিও সম্ভাব্য তারিখ ২৮ মে ধরা হচ্ছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার পরিবারের সাথে সুন্দর ও নিরাপদভাবে ঈদ কাটুক, এই শুভকামনা রইল।


সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ২০২৬ সালে কি দুইটা ঈদ হবে?

হ্যাঁ, হিজরি ক্যালেন্ডার ও ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পার্থক্যের কারণে মাঝেমধ্যে একই ইংরেজি বছরে দুটি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহা আসতে পারে, তবে ২০২৬ সালে স্বাভাবিকভাবে একটি ঈদুল ফিতর (মার্চে) এবং একটি ঈদুল আযহা (মে-তে) পড়বে।

২. ২০২৬ সালে হজের সম্ভাব্য তারিখ কবে?

সাধারণত ঈদের আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ হজ অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে ২৬ মে ২০২৬ হজের দিন হতে পারে।

৩. ঈদুল আযহার ছুটি কতদিন হতে পারে?

বাংলাদেশে সাধারণত ঈদের তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকে। ২০২৬ সালে ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদ হলে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে একটি দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঈদুল আযহা ২০২৬,কুরবানি ২০২৬, ঈদের তারিখ, EidUlAdha2026, ইসলামিক ক্যালেন্ডার, ২০২৬ ঈদের ছুটি, ২০২৬ কোরবানি ঈদ, ২০২৬ ঈদুল আযহা সরকারি ছুটি

দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়! গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব) ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট, পর্ব ১! পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাহীন পুনর্বহাল রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে চট্টগ্রামে বেস্ট ফ্লাই ও বঙ্গনিউজের ইফতার আয়োজন ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আসছে আজ খালেদা জিয়াকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য, পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ৫ দৈনিক “প্রতিদিনের কাগজ” ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন: ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত দাউদকান্দিতে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল বাবার ধর্ষণে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা দশম শ্রেণির ছাত্রী,  অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক: খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তদন্তের দাবি তিতাসে ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালী নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বহিষ্কার