খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

শত কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযুক্ত আমান উল্লাহ। এখন ঝালকাঠির গণপূর্তর অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
শত কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযুক্ত আমান উল্লাহ। এখন ঝালকাঠির গণপূর্তর অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণপূর্তর মন্ত্রণালয়ের সাবেক ২ মন্ত্রীর ক্যাশিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকারের ডাবল বিলে দুই মন্ত্রণালয়ে তোলপাডের সৃষ্টি হলেও বহাল তবিয়তে নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকার। তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক দুই মন্ত্রীর ক্যাশিয়ার ছিলেন। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং ম, উবাদুল মোক্তাদির চৌধুরীর একান্ত আস্থাভাজন হিসেবে আমানের বিশেষ সুখ্যাতি ছিল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সকল নির্বাহী প্রকৌশলী তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রধান প্রকৌশলীসহ সকল ঠিকাদাররা উল্লেখিত দু’জন

মন্ত্রীকে নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকারের মাধ্যমে টাকা দিতেন, সেখান থেকেই আমান উল্লাহ সরকার দুই মন্ত্রীর ক্যাশিয়ার বনে গিয়ে দুর্দান্ত প্রতাপে চাকরি করে চলছেন। সম্প্রতি তিনি নতুন করে আবারও আলোচনায় এসেছেন একই কাজে দুই মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক পৃথক বরাদ্দ এনে সমুদয় টাকা আত্মসাত করে। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় চলছে গণপূর্ত অধিদপ্তরসহ স্বাস্থ্য ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে।বিষয়টি দুদকের মাধ্যমে তদন্তের দাবী তুলেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচেতন মহল। দিনে দুপুরে এতবড় ডাকাতির ঘটনা গণপূর্ত অধিদপ্তরে অতীতে আর একটিও ঘটেনি বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র কর্মকর্তা

ও কর্মচারীরা।
এ দিকে উন্নয়ন কাজ না করেই সরকারি বরাদ্দের কোটি কোটি টাকা তুলে নিয়ে ঠিকাদারের সাথে ভাগাভাগি করার অভিযোগও আছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকারের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া তিনি চাকরি জীবনে অনিয়মের মাধ্যমে অঢেল ধন সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং বিদেশে প্রচুর টাকা পাচার করেছেন মর্মে তথ্য পাওয়া গেছে। আমান উল্লাহ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস হারিয়ে ফেলেছেন সবাই। ইতিমধ্যে গনপূর্ত অধিদপ্তরে তিনি তার ক্ষমতার অসংখ্য নজির স্থাপন করেছেন। তার অবৈধ টাকার ক্ষমতার বলে

যে কাউকে সহজেই ম্যানেজ করতে সক্ষম তিনি। একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চাকরি জীবনের শুরু থেকেই তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। প্রায় এক দশকের মধ্যে তিনি মাত্র ৩ মাসের জন্য ঢাকার বাইরে বদলি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবকে ম্যানেজ করে আবার ঢাকায় ফিরে আসেন। কর্তৃপক্ষ চাইলেও তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করতে পারে না। কারণ, ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে দায়িত্বে থাকার কারণে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে তার সখ্য গড়ে উঠেছে। ফলে ইচ্ছে করলেই সংস্থাপ্রধান বা মন্ত্রণালয় তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করতে পারে না। আবার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুবাদে শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আশীর্বাদও পান

তিনি। ইতিপূর্বে তিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে রক্ষণাবেক্ষণ উপ-বিভাগের এসডি ছিলেন। এরপর সিটি ডিভিশনের এসডি ছিলেন। পরে মিরপুর ডিভিশনের দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি গণপূর্ত মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে রয়েছেন।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার দক্ষিণ লক্ষীপুর গ্রামে তার বাড়ী। বাবা মিজানুর রহমান সরকার, মা আছিয়া বেগম। কিছুদিন আগে তার বিরুদ্ধে যে গুরুতর অভিযোগটি উঠে তা হলো- তিনি মহাখালী নার্সিং কলেজের সামনের রাস্তার

রাস্তার উন্নয়ন কাজ নামমাত্র সম্পন্ন করেই বরাদ্দের ৭ কোটি টাকা তুলে ঠিকাদারের সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। আমাদের একটি অনুসন্ধানী টীম উক্ত নার্সিং কলেজের সামনের রাস্তার উন্নয়ন কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এলাকাবাসী নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী এই রাস্তাটি উন্নয়নের নামে শুভংকরের ফাঁকি দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ। রাস্তাটির জন্য ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও কাজ করা হয়েছে ৬০-৭০ লাখ টাকার। বাকি টাকা তুলে ভাগাভাগি করা হয়েছে। এই রাস্তা ছাড়াও মহাখালী গণপূর্ত বিভাগে গত অর্থবছর ও চলতি অর্থবছরে যে সব উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে তার সিংহভাগই নামেমাত্র

সম্পাদনা করেই বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষ কোনো সরকারি অডিট সংস্থা দিয়ে ফাইলপত্র নিরীক্ষা করলেই কোটি কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণ মিলবে। অবৈধ পথে অর্থ রোজগার করে তিনি ঢাকা শহরে কমপক্ষে ৫টি প্লট ও ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন। দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করলে তার এ সব সম্পদের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যাবে এমন দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে যে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগটি উঠেছে সেটা হলো: তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের কাজ করে আবার ওই একই প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে স্বাস্থ্য ও

পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকেও অর্থ বরাদ্দ এনে বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাত করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাপক তথ্যাঅনুসন্ধানে জানা গেছে , ২০২২/২৩ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মেরামত শাখা কর্তৃক অনুমোদিত ১৮৪ টি প্রকল্পে ৪৪ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দান করে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ণাধীন সে সব প্রকল্পের মধ্যে ৪৫টি প্রকল্পে তিনি শুভংকরের ফাঁকি দিয়েছেন।

এই সব প্রকল্প গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থে বাস্তবায়িত হলেও তিনি সুকৌশলে পুনরায় সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের মেরামত শাখা কর্তৃক অনুমোদিত ১৮৪টি প্রকল্পের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে অর্থ বরাদ্দ করে নিয়েছেন। এখন কাজ না করেই প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত টাকা পকেটস্থ করছেন।
আলোচিত এই কাজগুলো হলো : ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের ডাক্তার হোস্টেল তত্ত্বাবধায়ক এররুমের ফ্লোরে ও দেয়ালে টাইলসসহ টয়লেট নির্মাণকরণ কাজ।ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের দক্ষিণ পশ্চিম কর্ণারে সড়ক দূর্ঘটনা রোধকল্পে বাঁক নির্মাণ

কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের হিস্টোপ্যাথলজী ও ব্লাড-ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের পিছনের বারান্দায় থাই গ্লাস স্থাপন, ছাদ দিয়ে পানি পড়া রোধকল্পে প্যাটেন্ট স্টোন ঢালাই এবং ডাক্তার টয়লেটের স্যানিটারী ফিটিংস নবায়নসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বহিঃ বিভাগের বর্ধিত অংশে টিকেট কাউন্টারে অপেক্ষারত রুগীদের জন্য সেড নির্মাণ।
ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের

অস্ত্রাগার ও বসবাসের জন্য সেমিপাকা বাসস্থান নির্মান কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ডের বাহিরে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য নতুন করে পানির লাইন ও প্লাটফর্ম নির্মানসহ টাইলস করণ কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের জেনারেল স্টোরের পার্শ্বে টয়লেটসহ নতুন করে একটি কক্ষ নির্মান ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কাজ।
ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বি ব্লকে ল্যাবরেটরি ও নতুন টয়লটে সমূহের টাইলসকরণ, স্যানিটারী ফিটিংস নবায়নসহ পানি সরবরাহ লাইনের কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের

ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ বর্তমান স্থান থেকে ডি ব্লকে স্থানান্তরিত করার লক্ষ্যে করিডোরের কলাপসিবল গেট স্থাপন ও বিভিন্ন রুমে টাইলস, থাই এলুমিনিয়াম পার্টিশন সহ অন্যান্য সংস্কার ও সংযোজন কাজ।
ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বি ব্লকের ৪র্থ তলায় হেমোটোলজি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে দুইটি নতুন টয়লেট নির্মান সহ টাইলস নবায়ন, পয়ঃ প্রণালী এবং পানি সরবরাহ লাইনের কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের এ ব্লকের নীচ তলায় ‘ইষড়ড়ফ ওৎৎধফরধঃরড়হ’ এর কক্ষে

ইটের দেয়াল, থাই এ্যালুমনিয়িাম পার্টিশন দিয়ে কক্ষ নির্মানসহ অন্যান্য সংস্কার কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বি ব্লকের ৭ম তলায় দুইটি করে নতুন টয়লেট নির্মানসহ টাইলস নবায়ন, পয়ঃ প্রণালী এবং পানি সরবরাহ লাইনের কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বি ব্লকের নীচ তলায় সিড়ির পিছনের মসজিদের পাশে অক্সিজেন সরবরাহের ম্যনিফোল্ড কক্ষ নির্মান কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেণা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের বি-ব্লক এবং ডি-ব্লকের মাঝে বৃক্ষ লিপির

স্থাপনা গেইট, মাটি ভরাট করা ও রাস্তা নির্মান সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ জাতীয় ক্যান্সার গবষেনা ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের সি-ব্লকের ৫-৬ নং অপারশেন থিয়েটারের ড্যাম্প দেয়ালে আস্তর নবায়ন, ভাঙ্গা টাইলস নবায়ন, দরজার চৌকাঠ, পাল্লা ও জানালায় থাই এলুমিনিয়াম এবং স্যানিটারী ফিটিংস নবায়নসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ।এছাড়াও স্বাস্থ্য শিক্ষার বরাদ্দ আনার ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকার মন্ত্রণালয়ে নিজে দালালি করে প্রয়োজনের মাত্রাতিরিক্ত বরাদ্দ আনেন এবং তা আত্মসাৎ করেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যান বিভাগের ২০২৩-২৪

অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ভবন নির্মান, স্থাপনা মেরামত এবং ভবনের বিভিন্ন সংস্কারের জন্য ১০ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যান বিভাগের আওতাধীন উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হল : ঢাকার মহাখালীস্থ ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির ২য় শ্রেনীর কর্মচারীদের আবাসিক ভবনের বাউন্ডারি ওয়াল উঁচু করা, আস্তর নবায়ন, রঙ করা, গেট নির্মানসহ আনুষঙ্গিক কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির শরীফ মোহাম্মদ হলের দরজা জানালা মেরামত, জানালার ও করিডোরের গ্রিল পরিবর্তন, অভ্যন্তরীণ রঙ করা, থাই স্থাপন, স্যানিটারি পয়:প্রনালী মেরামত ও ফিটিংস পরিবর্তন সহ আনুষঙ্গিক কাজ।ঢাকার মহাখালীস্থ ইনষ্টিটিউট অব

হেলথ টেকনোলজির ছাত্রী হোস্টেলের ওয়াকওয়ে নির্মান, বেঞ্চ স্থাপন, বিভিন্ন ফ্লোরের টাইলস স্থাপন, জানালায় থাই এর কাজ, পানির ফিল্টার স্থাপন, স্যানিটারি পয়:প্রনালী মেরামত ও ফিটিংস পরিবর্তন সহ আনুষঙ্গিক কাজ।
ঢাকার মহাখালীস্থ ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির একাডেমিক ভবনের রেইন ওয়াটার পাইপ প্রতিস্থাপন এবং প্রশাসনিক ভবনের আনুষঙ্গিক মেরামত কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ ভবনে চেয়ারম্যানের কক্ষ ও বাথরুম সংস্কার, টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস পরিবর্তন, অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জাসহ আনুষঙ্গিক মেরামত কাজ। ঢাকার মহাখালীস্থ বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ ভবনের সম্মুখে সৌন্দর্যবর্ধনে পুল নির্মান, রাস্তার পাশে ডাস্টবিন নির্মান, বিভিন্ন কক্ষে ভিনিশিয়ান ব্লাইন্ড পর্দা স্থাপন।

ঢাকার মহাখালীস্থ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে ১টি ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড, টয়লেট ও স্টোর রুম নির্মান, সৌন্দর্যবর্ধনে দৃষ্টিনন্দন বাগান তৈরী করে গ্রীল ও ওয়াকওয়ে স্থাপন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মেরামত কাজ। স্বাস্থ্য শিক্ষার এই সকল কাজ তার নিজস্ব ৩-৪ জন ঠিকাদারদেরকে দেয়া হয় এবং সকল কাজের চেক তার বাসায় পৌছে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, এসব ঠিকাদারের মাধ্যমে নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকার নিজে ঠিকাদারী করেন বলেও তথ্য প্রমান পাওয়া গেছে। তার এহেন কর্মকান্ডে মহাখালী গণপূর্ত বিভাগের সকল ঠিকাদারবৃন্দ তার উপর সংক্ষুব্ধ। যেকোন সময় এখানে ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমান উল্লাহ সরকারের

বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না।

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

দাউদকান্দি-সাচার-কচুয়া সড়কের শ্রীচাইল মোহাম্মদপুর এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৮ এপ্রিল রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে সড়কে দীর্ঘ যানজট ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে সেই সুযোগে বাস চালকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ এপ্রিল রাতে উক্ত সড়কের শ্রীচাইল মোহাম্মদপুর নামক স্থানে ‘সুরমা’ পরিবহনের দুটি বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দুর্ঘটনায় বাসের সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

তবে ঘটনার পরপরই সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকা পড়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনা পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে মো. কাউসার আহমেদ নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ‘দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা’র প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

তিনি দুর্ঘটনার ভয় দেখিয়ে এবং আইনি জটিলতার কথা বলে বাস চালকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৭ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী বাস চালক জানান, পরিচয়পত্র দেখিয়ে এবং পত্রিকার ভয় দেখিয়ে কাউসার আহমেদ তার কাছ থেকে এই টাকা হাতিয়ে নেন।

এই ঘটনায় স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক ও জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে নামধারী সাংবাদিক পরিচয়ে এই চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল মিরপুর সেকশন-৯ এর ২০ একর সরকারি জমি ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ, নীরব প্রশাসন এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ভয়ংকর চিত্র। দ্বিতীয় পর্বে আরও বিস্ফোরক তথ্য যেখানে স্পষ্ট হচ্ছে, কেবল জমি দখল নয়, বরং পুরো একটি ‘প্রাতিষ্ঠানিক লুটতন্ত্র’ দাঁড় করিয়েছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী জোয়ারদার তাবেদুন নবী।

 

দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলেও, রহস্যজনকভাবে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়াতেই রয়ে গেছে এই প্রকৌশলী? প্রথম পর্ব প্রকাশের পরও তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, যা তার নীরবতাকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালেই তাবেদুন নবী গড়ে তুলেছিলেন এক দূর্নীতির সাম্রাজ্য’। সরকারি চাকরির সীমিত বেতন কাঠামোর আড়ালে নামেবেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলছে। রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস, এমনকি আত্মীয়-স্বজনের নামে গড়ে তোলা হয়েছে অঘোষিত সম্পদের নেটওয়ার্ক। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সম্পদের প্রকৃত মালিকানা অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে হাজার কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদের হিসাব।

 

মিরপুর হাউজিং এস্টেটকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেট শুধু জমি দখলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্লট বরাদ্দ, নামজারি, নকশা অনুমোদন প্রতিটি ধাপে ছিল ‘দাম নির্ধারিত’। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট অংকের বিনিময়ে আবাসিক প্লটকে বাণিজ্যিক, আবার বাণিজ্যিককে শিল্প প্লটে রূপান্তরের মতো গুরুতর সিদ্ধান্তও নিয়েছেন তাবেদুন নবী ও তার সহযোগীরা। ফলে সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি ‘প্যারালাল প্রশাসন’ চালু করেছিলেন তিনি।

 

আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য, এই সিন্ডিকেটের অর্থ লেনদেনের বড় একটি অংশ হতো নগদে এবং হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও উঠেছে। একাধিক ব্যাংক হিসাব, শেল কোম্পানি এবং আত্মীয়স্বজনের নামে খোলা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থের উৎস গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে, তাবেদুন নবীর ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, তিনি নিজেকে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাবের সাথে যুক্ত দাবি করে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। ফলে মাঠপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়নি। বরং তার ইশারাতেই চলতো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের গতি।

 

প্রথম পর্বে উল্লেখিত ২০ একর জমির ঘটনায় যেমন দেখা গেছে, সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে ছাড়পত্র দিয়ে অবৈধ দখলকে বৈধতার আবরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই অনিয়মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারণ মানুষ। শত শত ফ্ল্যাট ক্রেতা, যারা জীবনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছিলেন ‘স্বপ্ননগর-২’ প্রকল্পে, তারা এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। কেউ জমির মালিকানা পাচ্ছেন না, কেউ আবার আইনি জটিলতায় পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে।

 

একজন প্রকৌশলী কীভাবে এত বিশাল আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন? কারা তাকে এই নিরাপত্তা বলয় দিয়েছে? কেন এখনো তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

 

দ্বিতীয় পর্বের অনুসন্ধান বলছে, তাবেদুন নবীর দুর্নীতির শিকড় শুধু মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের আরও কয়েকটি প্রকল্পে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলছে। পরবর্তী পর্বে উঠে আসবে সেই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেখানে প্রকৌশলী থেকে রাজনীতিবিদ, সবাই জড়িয়ে পড়েছেন এক অদৃশ্য ‘লুটের মহাযজ্ঞে’।

 

চলবে…

২০২৬ ঈদের তারিখ

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ
২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে?

তারিখ ও তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত

মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল আযহা, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘কুরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই দিনটির জন্য সারা বিশ্বের মুসলমানরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালে ঈদুল আযহা কত তারিখে হতে পারে, তা নিয়ে এখন থেকেই অনেকে পরিকল্পনা শুরু করেছেন। আজকের ব্লগে আমরা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ এবং এই উৎসবের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

২০২৬ সালের ঈদুল আযহার সম্ভাব্য তারিখ

ইসলামিক মাসগুলো সাধারণত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণনা এবং বর্তমান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:

  • সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যে: ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে (বুধবার) অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে: চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ এশিয়ায় ঈদ একদিন পরে অর্থাৎ ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এই তারিখ এক দিন আগে বা পরে হতে পারে।


ঈদুল আযহার ইতিহাস ও পটভূমি

ঈদুল আযহা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি এক মহান ত্যাগের ইতিহাস। ইসলামের নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অসামান্য আনুগত্য ও ত্যাগের স্মৃতি রক্ষার্থে এই দিনটি পালিত হয়। আল্লাহ তাআলা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-কে স্বপ্নে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কুরবানি করার নির্দেশ দেন। তিনি তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি করতে উদ্যত হন। এই চরম পরীক্ষা ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আল্লাহ খুশি হয়ে ইসমাইল (আ.)-এর স্থলে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন। সেই থেকে পশু কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এই রীতি চলে আসছে।


কুরবানির শিক্ষা ও সামাজিক গুরুত্ব

কুরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল পশু জবাই করা নয়, বরং মনের পশুকে দমন করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে:

“আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের মাংস এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।”

সামাজিক প্রভাব:

১. গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো: কুরবানির পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ গরিব ও অসহায়দের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যা সমাজে সাম্য ও ভাতৃত্ববোধ তৈরি করে।

২. অর্থনৈতিক গতিশীলতা: ঈদকে কেন্দ্র করে চামড়া শিল্প, গবাদি পশুর খামার এবং মসলার বাজারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন হয়।

৩. সম্প্রীতি বৃদ্ধি: আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে মাংস বিতরণের মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন আরও মজবুত হয়।


২০২৬ সালের ঈদের প্রস্তুতি: কিছু টিপস

২০২৬ সালের মে মাসটি গরমের সময় হতে পারে। তাই আপনার ঈদের প্রস্তুতিতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

  • আগেভাগে পশু নির্বাচন: ২০২৬ সালে মে মাসের শেষের দিকে গরম থাকতে পারে, তাই পশুর হাটে যাওয়ার সময় শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে অনলাইন হাট থেকে পশু ক্রয় করতে পারেন।

  • বাজেট পরিকল্পনা: মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের অবস্থা বিবেচনা করে এখন থেকেই ঈদের জন্য একটি ছোট সঞ্চয় শুরু করা বুদ্ধিমানির কাজ হবে।

  • পরিবেশ সুরক্ষা: কুরবানির পর পশুর বর্জ্য সঠিক স্থানে অপসারণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। গরমের সময় বর্জ্য থেকে দ্রুত দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে, তাই ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।


উপসংহার

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি ও সমৃদ্ধি। ত্যাগের এই উৎসব কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর প্রকৃত শিক্ষা—অর্থাৎ মানুষের সেবা ও আল্লাহর আনুগত্য—আমাদের জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই হোক মূল লক্ষ্য। যদিও সম্ভাব্য তারিখ ২৮ মে ধরা হচ্ছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার পরিবারের সাথে সুন্দর ও নিরাপদভাবে ঈদ কাটুক, এই শুভকামনা রইল।


সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ২০২৬ সালে কি দুইটা ঈদ হবে?

হ্যাঁ, হিজরি ক্যালেন্ডার ও ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পার্থক্যের কারণে মাঝেমধ্যে একই ইংরেজি বছরে দুটি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহা আসতে পারে, তবে ২০২৬ সালে স্বাভাবিকভাবে একটি ঈদুল ফিতর (মার্চে) এবং একটি ঈদুল আযহা (মে-তে) পড়বে।

২. ২০২৬ সালে হজের সম্ভাব্য তারিখ কবে?

সাধারণত ঈদের আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ হজ অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে ২৬ মে ২০২৬ হজের দিন হতে পারে।

৩. ঈদুল আযহার ছুটি কতদিন হতে পারে?

বাংলাদেশে সাধারণত ঈদের তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকে। ২০২৬ সালে ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদ হলে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে একটি দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঈদুল আযহা ২০২৬,কুরবানি ২০২৬, ঈদের তারিখ, EidUlAdha2026, ইসলামিক ক্যালেন্ডার, ২০২৬ ঈদের ছুটি, ২০২৬ কোরবানি ঈদ, ২০২৬ ঈদুল আযহা সরকারি ছুটি

দাউদকান্দিতে দুই বাসের সংঘর্ষ সুযোগ বুঝে সাংবাদিক পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়! গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব) ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট, পর্ব ১! পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাহীন পুনর্বহাল রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে চট্টগ্রামে বেস্ট ফ্লাই ও বঙ্গনিউজের ইফতার আয়োজন ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আসছে আজ খালেদা জিয়াকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য, পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ৫ দৈনিক “প্রতিদিনের কাগজ” ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন: ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত দাউদকান্দিতে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল বাবার ধর্ষণে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা দশম শ্রেণির ছাত্রী,  অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক: খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তদন্তের দাবি তিতাসে ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালী নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বহিষ্কার