দৈনিক ভোরের নতুন বার্তা
দিদারুল আলম, দাউদকান্দি উপজেলা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যতিক্রমী এক মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রবাসী ও দেশীয়দের সমন্বয়ে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন”। সংগঠনটির সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কঠোর পরিশ্রম করলেও দেশের অসহায় মানুষের কথা ভুলে যান না; বরং নিয়মিতভাবে এমন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে আসছেন।
গত পাঁচ বছর ধরে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে নানা সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার শ্রীচাইল মোহাম্মদপুর গ্রামে সংগঠনটির উদ্যোগে ৭০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ঈদের উপহার হিসেবে গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। এ সময় পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং উপকারভোগীদের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম মোনশি, মোঃ মমিন, মোঃ শাহপরান, মোঃ শাকিল, মোঃ ইয়াছিন, মোঃ মাইনউদ্দিন, মোঃ মেহেদি, মোঃ আনিছ, মোঃ ফারুক, মোঃ ইবরাহিমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক :
| রিয়াদ, সৌদি আরব | ১৪ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের হারা শিবচর এলাকায় সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি ‘রনি গ্রুপ’ নামে পরিচিত একটি কুখ্যাত চক্রের হাতে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসী সানা-উল্লাহ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৪ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে হারা শিবচর মোড় এলাকায় নিজের দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন সানা-উল্লাহ। এ সময় হঠাৎ করেই রনি, আলামিন ও মনিরের নেতৃত্বে ১৮-২০ জনের একটি দল তাকে ঘিরে ফেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই তাকে বেধড়ক মারধর করে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
অপহরণের পর তাকে একটি নির্জন আস্তানায় নিয়ে গিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠে। নির্যাতনের সময় তার চিৎকার আশপাশে থাকা অন্যান্য প্রবাসীদের কানে পৌঁষছালে পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়।
স্থানীয় প্রবাসীরা জরুরি নম্বরে কল করে বিষয়টি সৌদি পুলিশের নজরে আনেন। দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা ও চোখ বেঁধে রাখা অবস্থায় সানা-উল্লাহকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয় পুলিশ। স্বজনদের উপস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পান।
পুলিশ ও স্বজনদের কাছে দেওয়া প্রাথমিক জবানবন্দিতে সানা-উল্লাহ জানান, অপহরণকারীরা তাকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং তার কাছ থেকে মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য, ব্যাংক কার্ড ও ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৪২ হাজার সৌদি রিয়াল ছিনিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগী সানা-উল্লাহর বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ৯নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তার স্বজন আলামিন সৌদি আরবে একটি মামলা (নং: 4852357) দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে রনি, মনির ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
সৌদি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রবাসী কমিউনিটির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে হারা শিবচর এলাকায় একটি চক্র প্রবাসীদের টার্গেট করে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই করে আসছে। তারা দ্রুত এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ইমারত পরিদর্শক জোন ৫/১ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল চন্দ্র দেব আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকে ইমারত পরিদর্শক পদে চাকরি বাগিয়ে নেন।
সাবেক এমপির প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ তালিকার শীর্ষস্থান করে নেওয়া ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। নোটিশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদাযের অভিনব কৌশল খতিয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করেন তিনি। ড্যাপ এ কৃষি জমি হওয়ায় সব বাড়ী প্ল্যান না নিয়ে করা।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবন মালিকদের মোবাইল কোর্ট এর ভয় দেখিয়ে প্রতি ভবন থেকে ১০ থেকে ২০ লাখ হাতিয়ে নেন।যেসব ভবন মালিক টাকা দিতে অস্বীকার করতো তাদের ২সি নোটিশ দিয়ে থানার পুলিশ এর মাধ্যমে এবং মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করেন আবার বিদ্যুৎ এর মিটার নিয়া আসতেন পরবর্তীতে বিদ্যুৎ এর মিটার পূন্যসংযোগ দিতে মোটা অংকের টাকা নেন।।
নির্মাণাধীন ভবনের ভুলত্রুটি বের করে মালিকদের কাছ থেকে ভয় ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন এই ইমারত পরিদর্শক । শুধু তাই নয় অবৈধ ইমারত নির্মাণ ও ভবনে রাজউকের অনুমোদন নেই,কিছু কিছু ভবন নির্মাণের তথ্যাদির বোর্ড থাকলেও পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনেক ভবনে নেই। এবং যেটুকু জায়গাই ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তা থেকে অনেক বৃদ্ধি করে ভবন নির্মাণ কাজ চলমান আছে। অনেক ভবনে নেই নিরাপদ বেষ্টনি।
অথচ নির্মাণ হচ্ছে অনুমোদন ছাড়াই ভবন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদপুরের ২৫ /এ নুরজাহান রোডের ব্লক ডি’র চারতলা অবৈধ ভবন নির্মাণে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই ইমারত পরিদর্শকের নামে। উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর সম্পদের হিসাব , রাজধানীর বিভিন্ন হোটেলে যাতায়াত মধ্যপন, জুয়া ও নারীর জলসা নিয়ে বিস্তারিত থাকবে ২য় পর্বে।
