খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

সদস্য প্রশাসন মোয়াজ্জেম’র বিরুদ্ধে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ১১শ কর্মকর্তাকে পোস্টিং বাণিজ্য অর্ধশত কোটি টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
সদস্য প্রশাসন মোয়াজ্জেম’র বিরুদ্ধে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ১১শ কর্মকর্তাকে পোস্টিং বাণিজ্য অর্ধশত কোটি টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চরম অস্থিরতা চলছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)এ। ঘুষ, দুর্নীতি, নীতিমালা বহির্ভূত বদলি বাণিজ্য, দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা সব মিলিয়ে সংস্থাটি বর্তমানে চরম ভাবমূর্তি সংকটে। বেশিরভাগ দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে সীমাহীন অস্থিরতা।

সবচেয়ে বিতর্কিত অবস্থানে রয়েছেন এনবিআর নতুন প্রশাসনে সদস্য হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদের দোসর ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি গত ৩ জুলাই এই পদে যোগদান করার পর নীতিমালা বহির্ভূত বদলী নিয়োগ চালিয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তিনি পৃথক বদলী আদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১১শ কর্মকর্তাকে বদলি নিয়োগ করেছেন। প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা এই বদলি খাত থেকে আয় করারও অভিযোগ উঠেছে ঐ সদস্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

এআরও, আরও, এসি, ডিসি, জেসি, কমিশনার পর্যায়ের বেশিরভাগ কর্মকর্তাকেই বদলি করা হয়েছে। মোটা অংকের বিনিময়ে লোভনীয় পোস্টিং আবার চাহিদা মোতাবেক ঘুষ দিতে না পারায় ডাম্পিং পোস্টিং নিয়েও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এনবিআর’র সার্বিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলি বাণিজ্য করে অর্ধশত কোটি টাকা গ্রহণের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। এহেন ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়টি জানাজানি হলে সম্প্রতি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা রায়হান মেহেবুব সহ শাখার সৎ কর্মকর্তারা মোয়াজ্জেমের সাথে দায়িত্ব পালনে অপারগতা জানালে ৩৩ ব্যাচের ঐ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। এ নিয়েও কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

সূত্রমতে এআরও সারোয়ার হোসেন, আবু বকর সিদ্দিক, শাহ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, আজিজ প্রসাদ রুদ্র, মো: আবুল বাশার, সানাউল হক, বাবুল সিংহ, আ: কাদের সানাউল্লাহ, শামীম হোসেন, বনজ কান্তি রায়, আবু হোসেন, শারমিন জাহান, শাহজাহান কবির, কপিল দেব গোস্বামী, প্রভৃতি কর্মকর্তাদের কাছ

থেকে ২০-২৫ লাখ টাকা ঘুষের মাধ্যমে বদলী নীতিমালা লংঘন করে বদলি বাণিজ্য করা হয়েছে। অনুরূপ আরও পদের কর্মকর্তাদের লোভনীয় পদে নিয়োগ দিতে ২৫-৩০ লাখ, এসিদের ৩০-৫০ লাখ, ডিসিদের ৪০-৫০ লাখ, জেসিদের ৫০-৬০ লাখ ও কমিশনার পদে রদবদলে লোভনীয় কর্মস্থলে পোস্টিং দিতে ৩-৫ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনা ঘটেছে।

এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও বিমানবন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা জামান সাথীর খুবই ঘনিষ্ঠজন পরিচয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বেপরোয়া ক্ষমতাসিন হয়ে পড়েন। ঐ সময়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন

কর্মকর্তাদেরও তিনি থোরাই কেয়ার করতেন। ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অবীধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন শক শত কোটি টাকা। ’বিসিএস (শুল্ক ও আবগারী) দপ্তরের ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম চাকুরীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অন্যায় সুবিধা দিয়ে সহকর্মীদের নিকট মুনাফিকি করে ঘুষ গ্রহন করেন।

তিনি বাইরে সততার লেবাস দেখান কিন্তু অবৈধ অর্থ লেনদেন হতে বিরত থাকেননি। তার বিরুদ্ধে আমেরিকায় অর্থ পাচার, পাবনায় অবস্থিত ইউনিভার্সেল গ্রুপের কাছে ১১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন, ঢাকা কাস্টমস কমিশনার থাকাকালে ব্যাপক দুর্নীতির প্রমান এবং যশোরের কমিশনার থাকাকালে অবৈধ সিগারেট বাণিজ্য হতে শত শত কোটি টাকা অবৈধ

অর্থ উপার্জনের সত্যতা রযেছে।

মোয়াজ্জেমের ছেলে আমেরিকার John Hopskin University তে সেমিস্টার প্রতি ৩৫,০০০ ডলার প্রদান করে পড়ালেখা করে। মোয়াজ্জেম হুন্ডির মাধ্যমে এই টাকা আমেরিকায় প্রদান করেন। ছেলে রাগীব মোয়াজ্জেমের এই লেখাপড়ার খরচ কোন মাধ্যমে বিদেশে প্রেরন করেছেন তার কোনো বৈধ উৎস নেই। আমেরিকার বাল্টিমোরে সম্প্রতি একটি বাড়ী ক্রয় করেছেন ছেলে ও ছেলে বৌ আদিবা গাল্ফারের নামে। বিষয়টি কাস্টমস ডিপার্টমেন্টের সবাই জানে।

উল্লেখ্য গত এপ্রিল মাসে এনবিআর বিলুপ্ত করে “রাজস্ব নীতি” ও “রাজস্ব ব্যবস্থাপনা” নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ জারি হয়। এরপর থেকেই সংস্থার ভেতরে অস্থিরতা দেখা দেয়। অধ্যাদেশ বাতিল ও চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে কর্মকর্তারা “সিবিএ স্টাইলে” ধর্মঘট, কলম বিরতি ও “মার্চ টু এনবিআর” কর্মসূচি পালন করেন। এই আন্দোলনের সময় নির্দিষ্ট কিছু সেবা ছাড়া প্রায় সব কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মে ও জুনে বাজেট প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়েও তারা অচলাবস্থা তৈরি করেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বদলির আদেশ ছিঁড়ে ফেলেন—যা এনবিআরের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

সংস্থার ভাবমূর্তি সংকটে একাধিক ঘটনায় এনবিআরের ভেতরে গভীর অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের একটি অংশ বলছেন, এই অনিয়মই সংস্থার ভাবমূর্তিকে নিচে নামিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, “এটা অস্বীকারের উপায় নেই, এনবিআর ভাবমূর্তি সংকটে আছে। কিছু কর্মকর্তার কারণে পুরো সংস্থাটিই এখন দুর্নীতির প্রতীক মনে হচ্ছে।” একজন কমিশনার বলেন, “এখানে অধিকাংশ কর্মকর্তাই কোনো না কোনোভাবে আর্থিক অনিয়মে জড়িত। পার্থক্য শুধু কে ধরা পড়ছে আর কে পড়ছে না।” একজন দ্বিতীয় সচিবের ভাষায়, “এখন এনবিআরে কাজ করি এই পরিচয় দেওয়াটাই অনেক সময় লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ”তবে এনবিআর বলছে,

অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি করবর্ষ থেকে ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়কর ও ভ্যাট অডিটও অনলাইন প্রক্রিয়ায় হচ্ছে। ভ্যাট রিফান্ড ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত নথিপত্রও ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে অনলাইনে দাখিল করা যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা, সব কার্যক্রম ডিজিটাল হলে ঘুষ, অনিয়ম ও হয়রানি কমে যাবে এবং ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পাবেন।

নিজ আয়কর রিটার্নে অসত্য তথ্য প্রদানকারী এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান দুর্নীতিবাজ সদস্য (শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন) মোয়াজ্জেম ২জনই স্বৈরাচারের দোসর হওয়ায় হাজারো অভিযোগ উত্থাপন হওয়া সত্বেও চেয়ারম্যান সাহেব বিষয় সমূহ ওভারলুক করে থাকেন

বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কমিশনার জানান।

এনবিআর সদস্য প্রশাসন মোয়াজ্জেমের এহেন ঘুষ বানিজ্যের ফলে প্রশাসনে চলমান অস্থিরতা নিরসনে ভুক্তভোগী কর্মকর্তাগন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন

বিনোদন ভিডিও সংবাদ

তারিখ দিয়ে সংবাদ খুজুন

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব)

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল মিরপুর সেকশন-৯ এর ২০ একর সরকারি জমি ঘিরে কোটি টাকার ঘুষ, নীরব প্রশাসন এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ভয়ংকর চিত্র। দ্বিতীয় পর্বে আরও বিস্ফোরক তথ্য যেখানে স্পষ্ট হচ্ছে, কেবল জমি দখল নয়, বরং পুরো একটি ‘প্রাতিষ্ঠানিক লুটতন্ত্র’ দাঁড় করিয়েছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী জোয়ারদার তাবেদুন নবী।

 

দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা চলমান থাকলেও, রহস্যজনকভাবে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়াতেই রয়ে গেছে এই প্রকৌশলী? প্রথম পর্ব প্রকাশের পরও তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, যা তার নীরবতাকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালেই তাবেদুন নবী গড়ে তুলেছিলেন এক দূর্নীতির সাম্রাজ্য’। সরকারি চাকরির সীমিত বেতন কাঠামোর আড়ালে নামেবেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলছে। রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক স্পেস, এমনকি আত্মীয়-স্বজনের নামে গড়ে তোলা হয়েছে অঘোষিত সম্পদের নেটওয়ার্ক। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সম্পদের প্রকৃত মালিকানা অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে হাজার কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদের হিসাব।

 

মিরপুর হাউজিং এস্টেটকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেট শুধু জমি দখলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্লট বরাদ্দ, নামজারি, নকশা অনুমোদন প্রতিটি ধাপে ছিল ‘দাম নির্ধারিত’। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট অংকের বিনিময়ে আবাসিক প্লটকে বাণিজ্যিক, আবার বাণিজ্যিককে শিল্প প্লটে রূপান্তরের মতো গুরুতর সিদ্ধান্তও নিয়েছেন তাবেদুন নবী ও তার সহযোগীরা। ফলে সরকারি নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি ‘প্যারালাল প্রশাসন’ চালু করেছিলেন তিনি।

 

আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য, এই সিন্ডিকেটের অর্থ লেনদেনের বড় একটি অংশ হতো নগদে এবং হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগও উঠেছে। একাধিক ব্যাংক হিসাব, শেল কোম্পানি এবং আত্মীয়স্বজনের নামে খোলা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থের উৎস গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

এদিকে, তাবেদুন নবীর ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, তিনি নিজেকে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক প্রভাবের সাথে যুক্ত দাবি করে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। ফলে মাঠপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়নি। বরং তার ইশারাতেই চলতো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন, বদলি এবং গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের গতি।

 

প্রথম পর্বে উল্লেখিত ২০ একর জমির ঘটনায় যেমন দেখা গেছে, সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তে ছাড়পত্র দিয়ে অবৈধ দখলকে বৈধতার আবরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এই অনিয়মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারণ মানুষ। শত শত ফ্ল্যাট ক্রেতা, যারা জীবনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করেছিলেন ‘স্বপ্ননগর-২’ প্রকল্পে, তারা এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। কেউ জমির মালিকানা পাচ্ছেন না, কেউ আবার আইনি জটিলতায় পড়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে।

 

একজন প্রকৌশলী কীভাবে এত বিশাল আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন? কারা তাকে এই নিরাপত্তা বলয় দিয়েছে? কেন এখনো তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?

 

দ্বিতীয় পর্বের অনুসন্ধান বলছে, তাবেদুন নবীর দুর্নীতির শিকড় শুধু মিরপুরেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের আরও কয়েকটি প্রকল্পে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলছে। পরবর্তী পর্বে উঠে আসবে সেই বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেখানে প্রকৌশলী থেকে রাজনীতিবিদ, সবাই জড়িয়ে পড়েছেন এক অদৃশ্য ‘লুটের মহাযজ্ঞে’।

 

চলবে…

২০২৬ ঈদের তারিখ

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ
২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে?

তারিখ ও তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত

মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হলো ঈদুল আযহা, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘কুরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এই দিনটির জন্য সারা বিশ্বের মুসলমানরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। ২০২৬ সালে ঈদুল আযহা কত তারিখে হতে পারে, তা নিয়ে এখন থেকেই অনেকে পরিকল্পনা শুরু করেছেন। আজকের ব্লগে আমরা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ এবং এই উৎসবের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

২০২৬ সালের ঈদুল আযহার সম্ভাব্য তারিখ

ইসলামিক মাসগুলো সাধারণত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গণনা এবং বর্তমান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:

  • সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যে: ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা সম্ভাব্যভাবে ২৭ মে (বুধবার) অনুষ্ঠিত হতে পারে।

  • বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে: চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে দক্ষিণ এশিয়ায় ঈদ একদিন পরে অর্থাৎ ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি সম্পূর্ণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এই তারিখ এক দিন আগে বা পরে হতে পারে।


ঈদুল আযহার ইতিহাস ও পটভূমি

ঈদুল আযহা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি এক মহান ত্যাগের ইতিহাস। ইসলামের নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অসামান্য আনুগত্য ও ত্যাগের স্মৃতি রক্ষার্থে এই দিনটি পালিত হয়। আল্লাহ তাআলা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-কে স্বপ্নে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কুরবানি করার নির্দেশ দেন। তিনি তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি করতে উদ্যত হন। এই চরম পরীক্ষা ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আল্লাহ খুশি হয়ে ইসমাইল (আ.)-এর স্থলে একটি দুম্বা পাঠিয়ে দেন। সেই থেকে পশু কুরবানির মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এই রীতি চলে আসছে।


কুরবানির শিক্ষা ও সামাজিক গুরুত্ব

কুরবানির মূল উদ্দেশ্য কেবল পশু জবাই করা নয়, বরং মনের পশুকে দমন করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে:

“আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের মাংস এবং রক্ত, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।”

সামাজিক প্রভাব:

১. গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো: কুরবানির পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ গরিব ও অসহায়দের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যা সমাজে সাম্য ও ভাতৃত্ববোধ তৈরি করে।

২. অর্থনৈতিক গতিশীলতা: ঈদকে কেন্দ্র করে চামড়া শিল্প, গবাদি পশুর খামার এবং মসলার বাজারে বড় ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন হয়।

৩. সম্প্রীতি বৃদ্ধি: আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে মাংস বিতরণের মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন আরও মজবুত হয়।


২০২৬ সালের ঈদের প্রস্তুতি: কিছু টিপস

২০২৬ সালের মে মাসটি গরমের সময় হতে পারে। তাই আপনার ঈদের প্রস্তুতিতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

  • আগেভাগে পশু নির্বাচন: ২০২৬ সালে মে মাসের শেষের দিকে গরম থাকতে পারে, তাই পশুর হাটে যাওয়ার সময় শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে অনলাইন হাট থেকে পশু ক্রয় করতে পারেন।

  • বাজেট পরিকল্পনা: মুদ্রাস্ফীতি ও বাজারের অবস্থা বিবেচনা করে এখন থেকেই ঈদের জন্য একটি ছোট সঞ্চয় শুরু করা বুদ্ধিমানির কাজ হবে।

  • পরিবেশ সুরক্ষা: কুরবানির পর পশুর বর্জ্য সঠিক স্থানে অপসারণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। গরমের সময় বর্জ্য থেকে দ্রুত দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে, তাই ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।


উপসংহার

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি ও সমৃদ্ধি। ত্যাগের এই উৎসব কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর প্রকৃত শিক্ষা—অর্থাৎ মানুষের সেবা ও আল্লাহর আনুগত্য—আমাদের জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই হোক মূল লক্ষ্য। যদিও সম্ভাব্য তারিখ ২৮ মে ধরা হচ্ছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার পরিবারের সাথে সুন্দর ও নিরাপদভাবে ঈদ কাটুক, এই শুভকামনা রইল।


সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ২০২৬ সালে কি দুইটা ঈদ হবে?

হ্যাঁ, হিজরি ক্যালেন্ডার ও ইংরেজি ক্যালেন্ডারের পার্থক্যের কারণে মাঝেমধ্যে একই ইংরেজি বছরে দুটি ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আযহা আসতে পারে, তবে ২০২৬ সালে স্বাভাবিকভাবে একটি ঈদুল ফিতর (মার্চে) এবং একটি ঈদুল আযহা (মে-তে) পড়বে।

২. ২০২৬ সালে হজের সম্ভাব্য তারিখ কবে?

সাধারণত ঈদের আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ হজ অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে ২৬ মে ২০২৬ হজের দিন হতে পারে।

৩. ঈদুল আযহার ছুটি কতদিন হতে পারে?

বাংলাদেশে সাধারণত ঈদের তিন দিনের সরকারি ছুটি থাকে। ২০২৬ সালে ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদ হলে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে একটি দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঈদুল আযহা ২০২৬,কুরবানি ২০২৬, ঈদের তারিখ, EidUlAdha2026, ইসলামিক ক্যালেন্ডার, ২০২৬ ঈদের ছুটি, ২০২৬ কোরবানি ঈদ, ২০২৬ ঈদুল আযহা সরকারি ছুটি

যেভাবে দ্রুত ওজন কমাবেন

দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়

দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায়।

বর্তমান সময়ে অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ওজন বেড়ে যাওয়া শুধু সৌন্দর্যের হানি ঘটায় না, বরং এটি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

আপনারা পড়ছেন ওজন কমানোর উপায়

অনেকেই দ্রুত ওজন কমাতে চান, কিন্তু সঠিক পদ্ধতির অভাবে ব্যর্থ হন। আজকের এই ব্লগে আমরা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং সহজ কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করব যা আপনাকে সুস্থভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

১. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করুন (Dietary Changes)

ওজন কমানোর মূল চাবিকাঠি হলো আপনার ক্যালরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করা। আপনি সারাদিনে যে পরিমাণ ক্যালরি পোড়ান, তার চেয়ে কম ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে।
  • চিনি ও শর্করা বাদ দিন: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়, মিষ্টি এবং রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট (সাদা চাল, ময়দা) রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা চর্বি জমার প্রধান কারণ।
  • প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: আপনার ডায়েটে মাছ, মাংস, ডিম, ডাল এবং পনির অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং ঘনঘন খাওয়ার ইচ্ছা কমিয়ে দেয়।

২. প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যুক্ত সবজি খান

সবজিতে ক্যালরি কম থাকে কিন্তু পুষ্টি এবং ফাইবার থাকে প্রচুর। ব্রকলি, ফুলকপি, পালং শাক, শসা এবং লাউ আপনার খাবারের প্লেটের অর্ধেক অংশ জুড়ে রাখা উচিত। ফাইবার আপনার হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

পানি প্রাকৃতিকভাবে মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে ৩-৪ লিটার পানি পান করলে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায় এবং চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।

৪. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting)

বর্তমানে ওজন কমানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং। এটি কোনো ডায়েট নয়, বরং একটি খাওয়ার ধরন। সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ১৬/৮ পদ্ধতি, যেখানে আপনি দিনের ৮ ঘণ্টার মধ্যে সব খাবার খাবেন এবং বাকি ১৬ ঘণ্টা উপোস থাকবেন। এটি শরীরের জমানো চর্বিকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে বাধ্য করে।

৫. নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীরচর্চা

খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পাশাপাশি শারীরিক পরিশ্রম অপরিহার্য।
Best weight loss tips
Image by Gesina from Pixabay
  • কার্ডিও ব্যায়াম: দ্রুত হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং বা সাঁতার কাটা ক্যালরি পোড়াতে সেরা।
  • ওয়েট লিফটিং: সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ভারোত্তোলন করলে শরীরের পেশি গঠন হয় এবং বিশ্রামরত অবস্থায়ও শরীর ক্যালরি পোড়ায়।

৬. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

অনেকেই জানেন না যে, ঘুমের অভাব ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। অপর্যাপ্ত ঘুম শরীরে ‘লেপটিন’ এবং ‘ঘেরলিন’ নামক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যার ফলে ক্ষুধা বেশি লাগে। সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম প্রয়োজন।

৭. চিনিযুক্ত পানীয় ও জাঙ্ক ফুড পরিহার করুন

কোক, পেপসি, প্যাকেটজাত জুস এবং ফাস্টফুডে প্রচুর পরিমাণে ‘এম্পটি ক্যালরি’ থাকে যা সরাসরি পেটের চর্বি বাড়ায়। এই পানীয়গুলোর পরিবর্তে ডাবের পানি বা গ্রিন টি পান করার অভ্যাস করুন।

৮. মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমান

মানসিক চাপের কারণে শরীরে ‘কর্টিসল’ হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোন পেটে চর্বি জমানোর জন্য দায়ী। যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা পছন্দের কাজ করার মাধ্যমে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ওজন কমানোর উপায় আরো জানুন।

৯. ছোট প্লেটে খাওয়ার অভ্যাস [17]

এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। ছোট প্লেটে খাবার নিলে মনে হয় আপনি অনেক খাবার খাচ্ছেন, যা আপনাকে তৃপ্তি দেয় এবং অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ থেকে বিরত রাখে।

১০. ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা

ওজন কমানো কোনো ম্যাজিক নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এক সপ্তাহে ৫ কেজি কমানোর অবাস্তব লক্ষ্য না নির্ধারণ করে ধীরে ধীরে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন। নিয়মিত ওজন মাপুন এবং নিজের উন্নতি পর্যবেক্ষণ করুন।
ওজন কমানোর উপায়, দ্রুত ওজন কমানোর টিপস, ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট, ঘরে বসে মেদ কমানোর উপায়, Weight Loss Tips Bangla, পেটের চর্বি কমানোর সহজ উপায়
গৃহায়ণে তাবেদুন সিন্ডিকেটের লুটপাট (২য় পর্ব) ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে? তারিখ, তাৎপর্য এবং প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ গাইড দ্রুত ওজন কমানোর ১০টি বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর উপায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট, পর্ব ১! পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই ইরানের জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে   ভণ্ড পীরের আস্তানা: শামীম রেজা সীতাকুণ্ডে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে খুন রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ’র নেতৃত্বে হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল হোমনায় তিতাস নদী থেকে নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার দাউদকান্দিতে প্রবাসী কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে গরুর মাংস বিতরণ রিয়াদে প্রবাসী অপহরণ: ‘রনি গ্রুপ’-এর নির্যাতনে সর্বস্বান্ত সানা-উল্লাহ, মামলা দায়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইমারত পরিদর্শক উজ্জ্বল চন্দ্র দেব এর রঙ্গলীলা – পর্ব ১ “ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে কর্মরত শের-ই-বাংলা নগর ৩নং গণপূর্ত উপবিভাগের এসডিই হিসাবে দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাহীন পুনর্বহাল রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে চট্টগ্রামে বেস্ট ফ্লাই ও বঙ্গনিউজের ইফতার আয়োজন ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আসছে আজ খালেদা জিয়াকে নিয়ে অশালীন বক্তব্য, পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ৫ দৈনিক “প্রতিদিনের কাগজ” ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন: ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের তদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত দাউদকান্দিতে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ: প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল বাবার ধর্ষণে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা দশম শ্রেণির ছাত্রী,  অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক: খোকসা থানার ওসির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তদন্তের দাবি তিতাসে ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালী নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বহিষ্কার তিতাসে সদ্য প্রয়াত কবি আলী আশরাফ খানের স্মরণে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত