দাউদকান্দি প্রবাসীর দোকান পাট ভেঙ্গে দিয়ে মালামাল লুট ও জায়গা দখলের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক প্রবাসীর দোকান পাট ভেঙ্গে দিয়ে গুরিয়ে ঐ স্থানে প্রতিপক্ষ নতুন করে মা সুপার মার্কেট নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ৫ই আগষ্টের পরে উপজেলার শহীদনগর- লালপুর সড়কের পাশে এবং শহীদনগর এম এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে ডুবাই প্রবাসী আয়নাল হোসেনের বাড়িতে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ডুবাই প্রবাসী আয়নাল হোসেন ১৯৯৯ সালে ছোট মোহাম্মদপুর শহীদনগরের মরহুম জলিল মাস্টার নিকট থেকে ৩২শতাংশ জমি প্রবাসী শ্রমের টাকায় জায়গায় ক্রয় করে দালান নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।
তার বাড়ির সামনে সড়ক ও জনপথ রাস্তার কাজের জন্যে ১২শতাংশ জায়গায় সরকার একোয়ার নিয়ে যায়। সেই সরকারী একোয়ার জায়গা মাটি বরাট করে অস্থায়ী ভাবে দোকান পাট তৈরী করে ভাড়া দিয়ে ভোগদখল করে আসছে।
৫ই আগষ্টের পর এলাকার আরিফ হোসেন নেতৃত্বে একদল লোক তা ভাংচুর করে লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভুগী প্রবাসীর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার। তসলিমা আক্তার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত ৬/৭ আগস্টে আরিফ হোসেন এর নেতৃত্বে তার ঘরে হামলা করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকা ও দোকান পাট ভাংচুর করে নিয়ে যায়।
এক সপ্তাহের মধ্যে ঐ স্থানে নতুন করে আধা পাকা দোকান নির্মান করে মা সুপার মার্কেট সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে তিনি থানা গেলে পুলিশ উপজেলা প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করেন। পরে সহকারী কমিশনার ভূমি এর নিকট আইনী সহযোগিতা চেয়ে আদালতে মামলা করেন।
আদালত মামলটি ইন্ডাস্ট্রি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব দেয়।
এলাকায় নাম না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি বলেন, খরদি সূত্রে আয়নাল হোসেন অস্থায়ী দোকান পাট তৈরী করা ভোগদখল করে আসছিল। ৫ই আগস্টের পর আরিফ হোসেন পুরাতন দোকান ভেঙে নতুন দোকান ঘর তুলে মার্কেট করেছে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত আরিফ হোসেন এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমার পৈত্রিক সূত্রে মালিক সরকারি খাস জায়গায় আয়নাল হোসেন জোরপূর্বক দোকান পাট করে ভোগদখল করলে, এ নিয়ে সালিশ বৈঠকে সেই জায়গা আমাকে বুঝিয়ে দেয়।
সে দখল ছারেনি তাই ৫ আগস্টের পর আমরা দখল নিয়েছি।
মামলা তদন্ত কর্মকর্তা মোকতার হোসেন বলেন, অভিযোগ বিষয়ে একাটা ঘটনা ছাড়া বাকী সত্যতার প্রমান পেয়েছেন তিনি জানান। বাকী সব আদালত বিচার করবে।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি রিদওয়ান ইসলাম এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটা অভিযোগ পেয়েছি, সরকারি জায়গায় কেউ স্থাপন করতে পারবেনা। এটা উচ্ছেদের জন্য আইনী প্রক্রয়াধীন।




